দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ নিয়ে সেরা ১৪ উপন্যাস
এই বিভাজন কেন? কেন প্রথম বিশ্বযুদ্ধ কবিতায় আর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ উপন্যাসে ধরা পড়ল?
এই বিভাজন কেন? কেন প্রথম বিশ্বযুদ্ধ কবিতায় আর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ উপন্যাসে ধরা পড়ল?
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথম কোনো মার্কিন নৌবাহিনীর সাবমেরিন থেকে ছোড়া টর্পেডোর আঘাতে কোনো যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস হলো।
স্তালিনগ্রাদে প্রায় দেড় লাখ জার্মান সেনা মারা পড়ে
চট্টগ্রামের দেওয়ানহাটে নালা খননের সময় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ের তিনটি সামরিক গোলা উদ্ধার হয়েছে। পুলিশের বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দল হালিশহর সমুদ্রসৈকতে নিয়ে গিয়ে সেগুলো নিরাপদে নিষ্ক্রিয় করে। কোনো বিস্ফোরণ ঘটেনি।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে পৃথিবীর ভূরাজনৈতিক পরিবেশ পরিস্থিতি থেকে শুরু করে মনস্তত্ত্ব, সৃজনশীলতা ও শিল্পকলার ধারণাগুলোতে আসে বিপুল পরিবর্তন।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপ এমন বড় যুদ্ধ আর দেখেনি। একই সঙ্গে এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে রাশিয়ার সবচেয়ে প্রাণঘাতী যুদ্ধ হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।
মালয়েশিয়াকে নিয়ে লেখা ইংরেজি ভাষার অনেক জনপ্রিয় বই আছে। তবে সেসব বইয়ে ঘুরেফিরে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও জাপানি দখলদারির গল্প আসে; কিন্তু আজকের মালয়েশিয়াকে বুঝতে চাইলে অতীতের গল্পে পড়ে থাকলে চলবে না। দেশটির সমাজ, রাজনীতি, সংস্কৃতি ও মানুষের জীবন অনেক বদলে গেছে। সেই পরিবর্তনের গল্পও উঠে এসেছে সমসাময়িক লেখকদের বইয়ে। মালয়েশিয়াকে ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার সুযোগ দেয়, এমন চারটি বইয়ের খোঁজ জেনে নিন।
ডাইটন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ নিয়ে বেশ কিছু ঐতিহাসিক বইও লিখেছেন এবং একজন রান্নাবিষয়ক লেখক হিসেবে যুক্তরাজ্যে ফরাসি খাবারের পরিচিতি বাড়াতে সহায়তা করেছেন।
১৫ জুন ইভিওঁ লা বাঁ–তে জি-৭ নেতারা যখন মিলিত হচ্ছেন, তখন তাঁদের সামনে এক স্পষ্ট সত্য দাঁড়িয়ে থাকবে। সেই সত্যটি হলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী বিশ্বব্যবস্থার যুগ শেষের পথে। জাতিসংঘ, ব্রেটন উডস প্রতিষ্ঠান কিংবা আন্তর্জাতিক সহযোগিতার অন্যান্য স্তম্ভ—সবই গড়ে উঠেছিল এই বিশ্বাসে যে কিছু সর্বজনগ্রাহ্য নিয়মের ভিত্তিতেই বিশ্ব শাসন সম্ভব।
জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ইউরোপের দ্বিতীয় দীর্ঘতম দানিয়ুব নদী শুকিয়ে যাওয়ায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের যুদ্ধজাহাজ এবং প্রাচীন ম্যামথের জীবাশ্মসহ নানা ঐতিহাসিক নিদর্শন বেরিয়ে আসছে।
ট্রাম্পের দাবি, হামলাটি চালানো হলে তা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় সামরিক আক্রমণ হতো
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরপরই যুক্তরাজ্য ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার ও সদিচ্ছা বাড়াতে একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করা হয়েছিল।