জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান ৭ শতাংশে নিতে চায় সরকার: পর্যটনমন্ত্রী
জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান বর্তমানের ৩ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৬ থেকে ৭ শতাংশে উন্নীত করতে চায় সরকার।
জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান বর্তমানের ৩ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৬ থেকে ৭ শতাংশে উন্নীত করতে চায় সরকার।
‘বাংলাদেশের শিক্ষা সংস্কারের রূপরেখা: দ্য লার্নিং নেশন’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন ও প্রকাশনা অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে এ কথা বলেন দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।
বর্তমানে অনিয়ন্ত্রিত মূল্যস্ফীতির কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় নাভিশ্বাস ওঠার দশা হয়েছে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর প্রথম যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণ জিডিপি ছাড়িয়ে গেছে। এপ্রিলে ঋণ ৩১.২৭ ট্রিলিয়ন ডলার, জিডিপি ৩১.২২ ট্রিলিয়ন। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করলেও কেউ কেউ বলছেন পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব।
গত অর্থবছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ধারাবাহিকভাবে হ্রাস পেয়েছে। বিশেষ করে জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে সাধারণ নির্বাচন ও ব্যবসায়িক অনিশ্চয়তার প্রভাব এবং শিল্প খাতের নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি অর্থনীতির গতি কমিয়ে দিয়েছে।
এডিবি চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪ শতাংশ এবং মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে। রাজনৈতিক অস্থিরতা ও বৈশ্বিক সংকটের কারণে প্রবৃদ্ধির হার কমেছে। পরের বছরে এটি ৪.৭ শতাংশে উন্নীত হতে পারে।
সানেমের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, তেলের দাম ৪০% এবং এলএনজি ৫০% বাড়লে জিডিপি ১.২% কমতে পারে, রপ্তানি ২% এবং আমদানি ১.৫% হ্রাস পাবে। মূল্যস্ফীতি ৪% বাড়বে এবং প্রকৃত মজুরি ১% কমবে। জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য সানেম নবায়নযোগ্য শক্তি ও মজুত তৈরির সুপারিশ করেছে।
বিবিএসের তথ্যে চলতি অর্থবছরের অক্টোবর–ডিসেম্বর প্রান্তিকে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩.০৩ শতাংশ, যা আগের প্রান্তিকে ছিল ৪.৯৬ শতাংশ। ইরান–ইসরায়েল যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সংকট অর্থনীতিতে নতুন ঝুঁকি তৈরি করেছে। শিল্প খাতে সবচেয়ে কম প্রবৃদ্ধি ১.২৭ শতাংশ।
আজ বৃহস্পতিবার ২০২৪–২৫ অর্থবছরের মাথাপিছু আয়, মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) চূড়ান্ত হিসাব দিয়েছে বিবিএস।
আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) চলতি অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকের জিডিপির এই তথ্য প্রকাশ করেছে। গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরের একই সময়ে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ছিল ২ দশমিক ৫৮ শতাংশ।
পেট্রোলিয়াম, গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাবে পরিবহন ও ভোক্তাপণ্যের দাম বাড়বে বলে মনে করছে এডিবি। ২০২৬–২৭ অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৮ শতাংশ হতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।