খেলাপি ঋণ কমাতে আরও ছাড়
এখন থেকে এককালীন ১ শতাংশ টাকা জমা দিয়েই ঋণ পুনঃ তফসিলকরণের সুবিধা নেওয়া যাবে।
এখন থেকে এককালীন ১ শতাংশ টাকা জমা দিয়েই ঋণ পুনঃ তফসিলকরণের সুবিধা নেওয়া যাবে।
বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের দীর্ঘমেয়াদী খেলাপি ঋণ সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশ ব্যাংকের ১৮ মাসের এক্সিট প্ল্যান এবং এর চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে বিশ্লেষণ।
রপ্তানিমুখী ও স্থানীয় জাহাজনির্মাণ শিল্পের ঋণ পুনঃ তফসিল ও পুনর্গঠনে বিশেষ নীতিমালা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে মাত্র দেড় শতাংশ অর্থ জমা দিয়ে ঋণ নবায়ন করতে পারবেন এ খাতের উদ্যোক্তারা।
বাংলাদেশ ব্যাংক ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য খেলাপি ঋণ নবায়নে ২% জমা দিয়ে সুযোগ দিয়েছে। নতুন মেয়াদ সর্বোচ্চ ১০ বছর, প্রথম দুই বছর পরিশোধে বিরতি। গত ৩১ মার্চ পর্যন্ত খেলাপি ঋণের জন্য ৩০ জুনের মধ্যে আবেদন করতে হবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, যেসব ঋণগ্রহীতা বিভিন্ন কারণে আর্থিক সংকটে পড়লেও ব্যবসা পরিচালনার সক্ষমতা রাখেন এবং ঋণ পরিশোধের আন্তরিকতা রয়েছে, তাঁদের এই এককালীন বিশেষ এক্সিট সুবিধা দেওয়া হবে।
অর্থমন্ত্রী সংসদে প্রশ্নের জবাবে জানান, ব্যাংক খাতের সমস্যা সমাধানে নানা পদক্ষেপ নিয়েছেন, অর্থ পাচারের মামলা পরিচালনায় টাস্কফোর্স গঠিত।
দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের অর্থনীতির আলোচনায় একটি মৌলিক প্রশ্ন ঘুরেফিরে আসছে—আর কোনো দিন কি খেলাপি ঋণের লাগাম টানা যাবে?
বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল স্ট্যাবিলিটি রিপোর্ট ২০২৫ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শেষে দেশের মোট ঋণের পরিমাণ ছিল ১৮ দশমিক ২১ লাখ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৫ দশমিক ৫৭ লাখ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৩০ দশমিক ৬০ শতাংশ।
খেলাপি ঋণের বোঝা কমাতে বিশেষ ‘এক্সিট’ বা নিষ্ক্রমণ–সুবিধা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
আওয়ামী লীগ সরকারের সাড়ে ১৫ বছরে ব্যাংক খাতে অনিয়ম, জালিয়াতি, প্রতারণা ও দুর্নীতির উচ্চমাত্রার প্রভাব পড়ে খেলাপি ঋণে।
বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশনের (বিএইচবিএফসি) ব্যবস্থাপক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিবছরের মতো এবারের সম্মেলনেও বিএইচবিএফসির মাঠপর্যায়ের অফিসপ্রধানদের অংশগ্রহণ করেন।