কোরআন কেন নবীজির শ্রেষ্ঠ অলৌকিক নিদর্শন
প্রথমেই কোরআন পুরো গ্রন্থের অনুরূপ কিছু রচনার চ্যালেঞ্জ দেয়। পরে সেই চ্যালেঞ্জকে আরও সহজ করে ১০টি সুরা রচনার আহ্বান জানানো হয়। পরে মাত্র একটি।
প্রথমেই কোরআন পুরো গ্রন্থের অনুরূপ কিছু রচনার চ্যালেঞ্জ দেয়। পরে সেই চ্যালেঞ্জকে আরও সহজ করে ১০টি সুরা রচনার আহ্বান জানানো হয়। পরে মাত্র একটি।
শতাব্দীর পর শতাব্দী পার হয়ে গেলেও এর একটি অক্ষর বা হরকতেও বিন্দুমাত্র পরিবর্তন ঘটেনি। কেয়ামত পর্যন্ত কোরআন এভাবেই সংরক্ষিত থাকবে, ইনশাআল্লাহ।
কোরআনের প্রতিটি শব্দ, প্রতিটি আয়াত হেদায়েত, রহমত ও কল্যাণে পরিপূর্ণ। তাই কোরআন তিলাওয়াত করা যেমন ইবাদত, তেমনি এর আদব রক্ষা করাও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।
কোরআন তেলাওয়াতে সঠিক জায়গায় থামতে ওয়াকফ চিহ্ন চেনা জরুরি, নচেৎ অর্থ বদলে যেতে পারে। এখানে প্রধান ৭টি বিরতি চিহ্ন ও তাদের নিয়ম তুলে ধরা হয়েছে। শুদ্ধ পাঠের জন্য এগুলো আয়ত্ত করুন।
আমরা কোরআন থেকে কীভাবে বরকত গ্রহণ করব এবং কেনই-বা আমরা নিয়মিত কোরআন পড়া সত্ত্বেও এর আলোয় জীবন আলোকিতা করতে পারছি না।
ইসলামের প্রথম যুগ থেকেই আল্লাহর হক ও বান্দার হক রক্ষার বিষয়টি অবিচ্ছেদ্যভাবে মুসলমানদের আচরণে প্রকাশ পেয়েছে। কোরআনে দুটি বিষয়কে আলাদা করা হয়নি।
পৃথিবীতে মানুষের আগমনই ঘটে সফলতার সন্ধানে। কোরআনের দৃষ্টিতে এই সফলতা কেবল বৈষয়িক প্রাপ্তি নয়, বরং এটি একটি সুসংহত ও দ্বিমুখী প্রক্রিয়া।
ইসলাম কেবল পার্থিব চিকিৎসার ওপর গুরুত্ব দেয়নি; বরং আধ্যাত্মিক আরোগ্যের অনন্য পদ্ধতি শিখিয়েছে, যাকে বলা হয় ‘রুক্ইয়া’। এটি কোনো জাদুকরি প্রক্রিয়া নয়; বরং ইবাদত।
রমজানে কোরআন শিক্ষা করা, কোরআন শেখানোর উদ্দেশ্যে জমায়েত হওয়া এবং অধিকহারে কোরআন তেলাওয়াতে মগ্ন থাকা—এসব আমল বিশেষভাবে মুস্তাহাব ও ফজিলতপূর্ণ বিবেচিত হয়েছে।
পবিত্র কোরআন আমাদের সামনে এমন একজন বাবার চিত্র ফুটিয়ে তুলেছে, যাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ সমকালীন সব বাবার জন্য অনুকরণীয়। তিনি হলেন নবী ইয়াকুব (আ.)।
কোরআন মাজিদ বিভিন্ন জায়গায় পিতৃত্বের প্রসঙ্গটি এনেছে এবং বিভিন্ন ধরনের বাবার উদাহরণ দিয়েছে। তার মধ্য থেকে আমরা কয়েকটি অনন্য বৈশিষ্ট্য খুঁজে পাই।
কোরআনে এই পাখির নাম ও ভূমিকা নিয়ে ঐতিহাসিক ঘটনা বর্ণিত হয়েছে। নবী সোলাইমানের রাজত্ব এবং সাবা রাজ্যের রূপান্তরের পেছনে এই ছোট্ট পাখির ভূমিকা আশ্চর্যজনক।