কোটা সংস্কারের কথা তারেক রহমান বলেছিলেন ২০১৪ সালেই: প্রেস সচিব
বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২০১৪ সালেই সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছিলেন বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী।
বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২০১৪ সালেই সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছিলেন বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী।
কোটা কাপড় গরমে বেশ আরামদায়ক। সুতি আর সিল্কের কোটা দিয়ে শাড়ি ছাড়াও বানানো হয় নানা ধরনের পোশাক। দেখুন ছবিতে।
পাকিস্তান-অধীন আজাদ কাশ্মীরে এ সপ্তাহে নির্বাচন শুরু হয়েছে কারফিউতুল্য পরিস্থিতির মধ্যে। কোটা কাঠামো নিয়ে স্থানীয়ভাবে দীর্ঘদিনের অসন্তোষ এখন ভোটপর্বেও সহিংসতায় রূপ নিচ্ছে।
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ১৭০ কেজি নিষিদ্ধ পিরানহা মাছ জব্দ এবং এক আড়তদারকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
নির্যাতন ও রক্তপাতের ফলে কোটা সংস্কার আন্দোলন গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নেয়; ২১ জুলাই আপিল বিভাগের রায় আসলেও হত্যার বিচার দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত থাকে।
২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, যেখানে ৭ শতাংশ কোটা এবং ৯৩ শতাংশ মেধাভিত্তিক আসন রাখা হয়েছে।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধার নামে পোষ্য কোটা ফিরিয়ে আনার প্রতিবাদে চলমান অবস্থান কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছেন শিক্ষার্থীরা।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক (সম্মান) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির ক্ষেত্রে ‘প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা’ নামে আবার পোষ্য কোটা ফেরানোর প্রতিবাদে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন একদল শিক্ষার্থী।
অভ্যন্তরীণ বাজারে কৃত্রিম সংকট ও মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে সুগন্ধি চালের রপ্তানি কোটা পুনর্বিবেচনা করছে সরকার; রপ্তানিকারকদের তিন দিনের মধ্যে প্রকৃত রপ্তানির তথ্য দিতে বলা হয়েছে।
জুলাই আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিন ২১ জুলাই। এদিন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি সংস্কার করে মেধার ভিত্তিতে ৯৩ শতাংশ নিয়োগের রায় দেন। তবে কারফিউ ও ইন্টারনেট বন্ধ থাকার মধ্যেও রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সংঘর্ষ অব্যাহত থাকে। একই
শিক্ষা মন্ত্রণালয় ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ করেছে। ভর্তি পরীক্ষা নয়, এসএসসি ফলাফলের ভিত্তিতে নির্বাচন।
চলতি মৌসুম থেকে বাংলাদেশ ফুটবল লিগে সাফ অঞ্চলের পাঁচজন ফুটবলার ‘স্থানীয় খেলোয়াড়’ হিসেবে খেলার সুযোগ পাচ্ছেন।