এস আলম গ্রুপ পাচার করেছে সোয়া ২ লাখ কোটি টাকা, বিএফআইইউর প্রতিবেদন
বাংলাদেশ ফিন্যানশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজনৈতিক প্রভাব ও গোয়েন্দা সংস্থা ব্যবহার করে ৭টি ব্যাংক ও ১টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিল গ্রুপটি।
বাংলাদেশ ফিন্যানশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজনৈতিক প্রভাব ও গোয়েন্দা সংস্থা ব্যবহার করে ৭টি ব্যাংক ও ১টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিল গ্রুপটি।
আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ধার্য করা হয়েছে।
বিএফআইইউ-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ৭টি ব্যাংক ও ১টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সোয়া ২ লাখ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচার করেছে এস আলম গ্রুপ।
সরকারের সঙ্গে এস আলম গ্রুপের সমঝোতার সম্ভাবনা নাকচ করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ব্যাংক রেজোল্যুশন আইন সংশোধনও এই কারণে হয়নি।
বাংলাদেশের কয়েকটি ব্যাংক থেকে এস আলম গ্রুপের বড় অঙ্কের টাকা লুট ও পাচার প্রমাণিত। তাদের শাস্তি দিয়ে সকলের শিক্ষা দিতে হবে এবং সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে টাকা আদায় করতে হবে। নতুন সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করা জরুরি।
ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ ও এলসি খুলতে না পারায় এস আলম গ্রুপের ১১টি কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এতে ১০ হাজারেরও বেশি শ্রমিক ও কর্মকর্তা বেকার হয়ে পড়েছেন।
এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যানের নামে জমি ও স্থাপনা দেখভালে রিসিভার নিয়োগের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
ব্যাংক রেজোল্যুশন আইনের সংশোধনী নিয়ে সংসদে সমালোচনা করেছেন সাইফুল আলম খান।
এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলম মাসুদ, তাঁর ভাই আবদুল্লাহ হাসানসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের অর্থঋণ আদালত–১–এর বিচারক মো. হেলাল উদ্দিন এ আদেশ দেন।
এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম ও তাঁর স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে থাকা ৪৩১ দশমিক ৬৯ শতাংশ জমি জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, এস আলম তাঁর ব্যবসায়িক সাম্রাজ্যের বেশির ভাগটাই গড়ে তুলেছেন পাচারের টাকা দিয়ে।
ইসলামী ব্যাংক দখলের ভেতরের গল্প মুক্তকণ্ঠকে বলেছেন এই ব্যাংকের তৎকালীন দুজন পরিচালক, দুজন শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা এবং পরে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাওয়া এক ব্যক্তি। তবে তাঁরা কেউই নাম প্রকাশ করতে চাননি।