ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা চলছে। আজ শুক্রবার বেলা দেড়টা পর্যন্ত ২৯১টি আসনের বেসরকারি ফলাফল পাওয়া গেছে।

ঢাকার ২০টি আসনের মধ্যে সবগুলোর ফল এসেছে। এর মধ্যে ঢাকায় ১৩টি আসনে বিএনপি ও ৭টি আসনে ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন। এর মধ্যে একটি আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। পড়ুন এখানে

সবাইকে স্বাগত ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট নিয়ে মুক্তকণ্ঠের লাইভে ব্লগে। আজ বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে সারা দেশে ভোটগ্রহণ শুরু হতে যাচ্ছে। বিতর্কিত তিনটি নির্বাচন পেরিয়ে ১৭ বছর পর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ একটি নির্বাচনের প্রত্যাশায় এখন বাংলাদেশ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ শুরু হবে সকাল সাড়ে ৭টায়। মুক্তকণ্ঠের প্রতিবেদকেরা বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে জানিয়েছেন, ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি শেষের পথে। কেন্দ্রগুলোতে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা ও প্রার্থীরা প্রতিনিধিরা উপস্থিত হয়েছেন। সশস্ত্র বাহিনীসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ভোটকেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তা দিচ্ছেন।

জুলাই অভ্যুত্থানের পর প্রথম এই নির্বাচনের ওপর দেশবাসীর সঙ্গে চোখ থাকছে সারা বিশ্বের। গুরুত্বপূর্ণ এই নির্বাচনের প্রতি মুহূর্তের খবর জানতে চোখ রাখুন মুক্তকণ্ঠের লাইভ ব্লগে। সারা দেশে ছড়িয়ে থাকা আমাদের দেড় শতাধিক সংবাদকর্মী ভোটের মাঠ থেকে খবর পাঠাবেন। এই লাইভ ব্লগের পাশাপাশি নির্বাচনের সর্বশেষ সংবাদ পেতে চোখ রাখুন মুক্তকণ্ঠের ফেসবুক পেজ https://www.facebook.com/DailyProthomAlo, ইউটিউব চ্যানেল https://www.youtube.com/ProthomAlo সহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে। এই নির্বাচনে কোনো আসনে কারা প্রার্থীসহ খুঁটিনাটি সব তথ্য এবং আগের নির্বাচনগুলোর তথ্য জানতে দেখুন https://election.prothomalo.com/ এ

গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দেড় বছর পর আজ বৃহস্পতিবার একটি নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ভোট দিচ্ছেন দেশের মানুষ। একই সঙ্গে গণভোটের মাধ্যমে সংবিধানের বেশ কিছু মৌলিক পরিবর্তন আনার প্রস্তাবের পক্ষে-বিপক্ষে ‘হ্যাঁ’-‘না’ ভোট দিয়ে মত জানাবেন তাঁরা।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, এবারের এই নির্বাচন গতানুগতিক জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো নয়। শেষ পর্যন্ত একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হলে এটি হতে পারে গণতান্ত্রিক উত্তরণের প্রথম ধাপ। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে তা হবে সংবিধানের মৌলিক সংস্কার বাস্তবায়নের সূচনা।

আজ সকাল সাড়ে সাতটা থেকে শুরু গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ। চলবে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে।

২৯৯টি আসনে নির্বাচন হচ্ছে আজ। শেরপুর–৩ আসনে একজন প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে ওই আসনটিতে ভোট গ্রহণ স্থগিত রয়েছে।

মুক্তকণ্ঠের প্রতিবেদকেরা বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে জানিয়েছেন, সকাল থেকেই ভোটারেরা লাইনে দাঁড়িয়েছেন ভোট দিতে। কেন্দ্রগুলোতে সশস্ত্র বাহিনীসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ভোটকেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তা দিচ্ছেন।

বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ করা হবে। তবে সাড়ে চারটার সময় লাইনে দাঁড়ানো ভোটারদের ভোট নেওয়া হবে।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১২ কোটি ৭৭ লাখের বেশি ভোটার ভোট দেবেন।

এই নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দল ৫০ (ইসিতে নিবন্ধিত)। মোট প্রার্থী ২ হাজার ২৮ জন। এরমধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী: ২৭৩ জন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোট দিতে আজ বৃহস্পতিবার ভোর থেকে কেন্দ্রে আসতে শুরু করেন ভোটারেরা। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কেন্দ্রের বাইরে বাড়তে থাকে ভোটারদের উপস্থিতি।

রাজধানীর রামপুরা, বাড্ডা, ভাটারা ও হাতিরঝিলের আংশিক এলাকা নিয়ে গঠিত ঢাকা ১১ আসনের কয়েকটি কেন্দ্র ভোর থেকে ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।

এই আসনে বিএনপির প্রার্থী এম এ কাইয়ুম। তিনি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আসনটিতে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য–সমর্থিত প্রার্থী নাহিদ ইসলাম, তাঁর প্রতীক শাপলা কলি। এ আসনের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী শেখ ফজলে বারী মাসউদ।

১৩তম জাতীয় নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি ভোটার গাজীপুর-২ আসনে। এ আসনে মোট ভোটার ৮ লাখ ৪ হাজার ৩৩৩ জন। এ ছাড়া সবচেয়ে কম ভোটার ঝালকাঠি-১ আসনে। এই আসনে ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ২৮ হাজার ৪৩১ জন।

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে চারজনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ ঘটনায় একটি ভোটকেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা আবুল খায়ের শেখকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি ঠাকুরগাঁও-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে সাতটার পর মির্জা ফখরুল ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় প্রাঙ্গণে পৌঁছান। এরপর তিনি ভোটকক্ষে প্রবেশ করেন, তারপর ভোট দেন। পরে গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

ঢাকা-১১ আসনের ১১ দলীয় নির্বাচনী জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ভোট দিয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকাল ৮টা নাগাদ রাজধানীর বেরাইদ এলাকার এ কে এম রহমত উল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ কেন্দ্রে ভোট দেন তিনি।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে বাড্ডা এ. কে. এম রহমত উল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ কেন্দ্রে এ আসেন তিনি।

পশ্চিম শিরোমনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে নিজের ভোটটি দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। ভোটকেন্দ্রে মাকে জড়িয়ে ধরেন মিয়া গোলাম পরওয়ার।

সারা দেশে কড়া নিরাপত্তায় প্রথম ঘণ্টার ভোটগ্রহণ হয়েছে। দেশের কোথায় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এখন পর্যন্ত ঘটেনি। শান্তিপূর্ণভাবেই চলছে ভোট। এরসঙ্গে চলছে গণভোটও।

‎রাজধানীর ‎মিরপুর-২ নম্বর এলাকায় মনিপুর উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে (বালক শাখা) ভোট দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। ঢাকা-১৫ সংসদীয় আসনে নির্বাচন করছেন তিনি। ভোট দিয়ে তিনি বলেছেন, এই ভোটের মাধ্যমে নতুন অধ্যায়ের শুরু হোক বাংলাদেশে।

‎ভোট দেওয়ার পর গণমাধ্যম কর্মীদের শফিকুর রহমান বলেন, ২০১৪ সাল, ২০১৮ সালে, ২০২৪ সালে জেলেই ছিলাম। তিনটা ভোট হারানোর পরে আজকে আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ আমাদের ভোট দেওয়ার সুযোগ দিয়েছেন। এই ভোটের মাধ্যমে বাংলাদেশে একটা নতুন অধ্যায়ের শুরু হোক দোয়া করি। আমি বিশ্বাস করি শুধু আমি না, দেশের যুব সমাজ যারা জীবনে একটা ভোটও দিতে পারে নাই আজকের এই ভোটটার জন্য তাঁরা বড় অপেক্ষায় ছিল। এই ভোটটা শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠ, সংঘাতমুক্ত এবং সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হোক সেটা আমরা দোয়া করি। এই ভোটের মাধ্যমে এমন সরকার গঠন হোক যে কোনো ব্যক্তি, পরিবার, দলের হবে না, হবে ১৮ কোটি মানুষের সরকার। আমরা সেই সরকার গঠনের ব্যাপারে আশা করি। আজকে ভোট দিয়ে শুরু করলাম। অনান্য কেন্দ্রেও যাব।

শফিকুর রহমান ‎বলেন, ‎‘এই দেশটা গড়তে হবে সকলে মিলে। দেশ গড়ার কাজে আমরা গণমাধ্যমকে আমাদের পাশে চাই। মানুষের ভোটের অধিকার হারিয়ে যাক সেটা আমরা কখনোই চাই না। ভোট যখন সুষ্ঠ হবে, নিরপেক্ষ হবে সেটা আমরাও মানব আপনাদেরও মানতে হবে। এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। গণমাধ্যম একই নিউজ ভিন্নভাবে পরিবেশন করে। কেউ যদি অপরাধ করে থাকে, সেটা আমি হলেও আমি অপরাধের বিপক্ষে। কিন্তু অপরাধ নয় সেটাকে আবার জোর করে অপরাধ বানানো সেটা আরেকটা বড় অপরাধ।’

ভোট দেওয়ার পর উচ্ছ্বাসিত এরা। সকাল নয়টার দিকে রাজধানীর কামরুন্নেসা সরকারি বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেন তাঁরা।

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুর মালেক চৌধুরী মেমোরিয়াল উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রের সামনে তখন ভোটারদের ভিড়। ভিড়ের মধ্যেই একটু উত্তেজনা, একটু কৌতূহল আর অনেকটা গর্ব নিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন তরুণ ভোটার রাহাতুল ইসলাম। এবারের জাতীয় নির্বাচনেই প্রথমবারের মতো ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন তিনি।

উপজেলার আন্দারমানিক এলাকার তরুণ ভোটার রাহাতুল ইসলাম বললেন, ‘ভোট দেওয়ার বয়স হওয়ার পর থেকেই অপেক্ষা করছিলাম এই দিনের জন্য। এবারই প্রথম ভোট দিলাম। শুধু প্রার্থীকে ভোট দেওয়া নয়, গণভোটে নিজের মত দেওয়ার সুযোগও পেয়েছি। মনে হচ্ছে দেশের গুরুত্বপূর্ণ একটি সিদ্ধান্তে আমারও অংশ আছে।’

ভোরে ঘুম থেকে উঠে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কেন্দ্রে আসেন রাহাতুল ইসলাম। নতুন ভোটার হিসেবে ভোটকেন্দ্রের পরিবেশ তাঁর কাছে ছিল বেশ অন্যরকম অভিজ্ঞতা। কেন্দ্রে প্রবেশের আগে নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ভোটার তালিকা যাচাই, ব্যালট পেপার হাতে পাওয়া—সবকিছুই তাঁর কাছে ছিল নতুন, কিন্তু আনন্দের।

ভোট দিয়ে বের হয়ে হাসিমুখে রাহাতুল বলেন, ‘আমি নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়েছি। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট দিতে পেরে ভালো লাগছে। তরুণদের আরও বেশি করে ভোট দিতে আসা উচিত। আমাদের ভবিষ্যৎ তো আমাদেরই ঠিক করতে হবে।’

গাজীপুর-১ আসন থেকে বিএনপির দলীয় প্রার্থী মো. মজিবুর রহমান, জামায়াতে ইসলামীর শাহ্‌ আলম বকশীসহ এই আসন থেকে আটজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে তিনি ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। এর আগে সকাল আটটার দিকে তিনি ভোটার সারিতে দাঁড়ান।

ভোট দেওয়া শেষে সালাউদ্দিন আহমদ উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, ‘জনগণ আমাকে বারবার নির্বাচিত করেছে। আমাকে চেনে, জানে। আমাকে তাঁরা ভালোবাসেন। আমি তাঁদের পরীক্ষিত সন্তান। এবারও তাঁরা সঠিক সিদ্ধান্তই নেবেন।’ বিস্তারিত পড়ুন এখানে

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুল আন্ড কলেজের পাঁচটি ভোট কেন্দ্রে প্রথম এক ঘন্টায় ৫ দশমিক ৪২ শতাংশ ভোট পড়েছে। এখানে মোট ভোটার ১৪ হাজার ৭৪ জন।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে পাঁচজন প্রিজাইডিং অফিসারের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।

যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুল আন্ড কলেজের এই কেন্দ্রে চারটি পুরুষ ও একটি নারী কেন্দ্র রয়েছে।

পুরুষ ৩১ নাম্বার ভোটকেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার অধ্যাপক মহসিন আলম মুক্তকণ্ঠকে বলেন, ৩ হাজার ৫১২ জন ভোটার রয়েছে। প্রথম এক ঘন্টায় ভোট পড়েছে ২০৫টি।

সরেজমিনে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে প্রথম আলোর নুরুল আমিন ও রিশাদ মাহমুদ খান দেখেছেন, প্রতিটি ভোটকেন্দ্র সিসি ক্যামেরা রয়েছে। প্রিজাইডিং অফিসাররা তাদের কক্ষে বসে সেটা নজরদারি করছেন। সবগুলো বুথে বিএনপির প্রার্থী মো. নবী উল্লাহ (ধানের শীষ প্রতীক), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ কামাল হোসেন (দাঁড়িপাল্লা) এজেন্ট বা প্রতিনিধি রয়েছেন। তবে কয়েকটি বুথে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. ইবরাহীম (হাতপাখা), বাংলাদেশ লেবার পার্টির মো. গোলাম আজম (আনারস), এজেন্ট দেখা যায়নি। ভোট কেন্দ্রের বাইরে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য রয়েছেন। পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে বডি -ওন ক্যামেরা রয়েছে। সকালের দিকে ভোটারের উপস্থিতি কিছুটা কম থাকলেও এখন ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি বেড়েছে।

অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকরিজীবী আব্দুল মান্নান এবারই প্রথম ভোট দিলেন। তিনি মুক্তকণ্ঠকে বলেন, জীবনে প্রথম ভোট দিয়ে লাগছে। ভোট দিতে কোনো সমস্যা হয়নি।

রাজধানীর মোহাম্মদপুর সরকারি কলেজ কেন্দ্রে অনিয়মের অভিযোগ করেছেন ঢাকা–১৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেন, ইলেকশন কমিশনের ওয়েবসাইটে যে কেন্দ্র দেখাচ্ছে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে দেখা যাচ্ছে তা ভুল। প্রিজাইডিং অফিসাররা বয়স্ক লোকদের অন্য কেন্দ্রে যেতে বলছেন। অন্য কেন্দ্রে তাঁরা কেন যাবেন। তাঁরা তো দেখে শুনে কেন্দ্রে এসেছেন।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমির ও বরিশাল–৫ আসনে দলের প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম বরিশাল নগরের রূপাতলী সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সকালে ভোট দেন।

রাজধানীর ধানমন্ডি সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের একটি নারী কেন্দ্রে ভোটার নম্বরের সঙ্গে নাম ও ছবি না মেলার কারণে ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছে। কয়েকজন ভোটার এমন ভোগান্তির কথা জানিয়েছেন।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া ৮টার মধ্যে এ রকম ভোগান্তিতে পড়ে আটজন কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা প্রিসাইডিং কর্মকর্তার কাছে যান। কিন্তু সমাধান দিতে পারেননি প্রিসাইডিং কর্মকর্তা। বিস্তারিত পড়ুন এখানে

‘প্রথমবার ভোট দিতে এসেছি, খুব ভালো লাগছে। এবার দুটি ভোট। একটি হচ্ছে হ্যাঁ ও না। আরেকটি হচ্ছে সংসদ নির্বাচনের।’

ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে কথাগুলো বললেন প্রথমবার ভোট দিতে আসা ফাতেমা ও তানিয়া। তখন সকাল আটটা ছুঁইছুঁই। বিস্তারিত দেখুন এখানে

পটুয়াখালী-৩ আসনের প্রার্থী ও গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর গলাচিপা সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন।

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী জুবাইদা রহমান ভোট দিয়েছেন। তিনি রাজধানীর গুলশান মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট দেন। ছবিটি সকাল পৌনে ১০টার দিকে তোলা

সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তার কাছে ব্যালট পেপারে স্বাক্ষর দেওয়া থেকে শুরু করে গোপন কক্ষে ভোট দিয়ে তা বক্সে জমা দেওয়া—এই প্রক্রিয়া শেষ করতে একজন ভোটারের সময় লাগছে গড়ে প্রায় পৌনে তিন মিনিট। আর গোপন কক্ষে প্রবেশ থেকে ব্যালট বক্সে ভোট জমা দেওয়া—এই প্রক্রিয়ায় একজন ভোটারের গড়ে দেড় মিনিটের কিছু বেশি সময় লাগছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে আজ বৃহস্পতিবার ভোট গ্রহণ হচ্ছে। সকালে রাজধানীর মিরপুর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের একটি পুরুষ কেন্দ্রের ভোটারদের ভোট দেওয়ার সময় বিশ্লেষণ করে উল্লিখিত তথ্য পাওয়া গেছে।

একই কেন্দ্রে ভোট দিতে আসা কিছু ভোটারের মধ্যে গণভোট নিয়ে বিভ্রান্তি দেখা গেছে। গণভোটের ব্যালটটা কীসের, সেটা দিয়ে কী করবেন, কোথায় ভোট দিতে হবে—এমন প্রশ্নও কিছু ভোটারকে করতে দেখা গেছে। গণভোট নিয়ে এই বিভ্রান্তির প্রভাব ভোটকেন্দ্রে সময় ব্যয়ের ওপর পড়ছে বলে জানালেন কিছু ভোটার।

এদিকে ঢাকা ১৪ আসনে বাংলাদেশ-কোরিয়া টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টারে সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত মোট ৩৪৪টি ভোট পড়েছে। মোট ভোটার ২ হাজার ৭৯৯ জন। শতাংশের হিসেবে এটি ১২ দশমি ২৯।

নিজের দুই কর্মীকে বিনা দোষে আটকের অভিযোগ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িযা-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা। তিনি আরও অভিযোগ করেছেন, নয়টি ভোটকেন্দ্রে তাঁর এজেন্টদের বের করে দেওয়ার হয়েছে।

আজ সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে শাহবাজপুর উত্তর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রুমিন ফারহানা নিজের ভোট দেওয়ার পর সাংবাদিকদের এসব অভিযোগ করেন।

ভোট কেমন হচ্ছে জানতে চাইলে রুমিন ফারহানা বলেন, ভোট শুরু হয়েছে দুই ঘণ্টা হয়েছে। সারা দিনের ভোট বাকি। ফলে এখনই বলা যাবে না। তিনি অভিযোগ করে বলেন, আমার তিনজন কর্মীকে বিনা দোষে আটক করা হয়েছে। এ ছাড়া নয়টি ভোটকেন্দ্রে আমার এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি আমি পুলিশ আর্মি ও প্রশাসনকে জানিয়েছি।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গতকাল রাত ১ টার পর আশুগঞ্জ উপজেলার নোয়াগাঁও পূর্ব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র থেকে আনোয়ার হোসেন মৃধা ও নূর আলমকে আটক করে পুলিশ। আর গত রাতে আশুগঞ্জ উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের সোহাগপুর আছিয়া সফিউদ্দীন আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্র থেকে যুবদলের বহিষ্কৃত নেতা নাছির মুন্সিকে আটক করে পুলিশ। তারা তিনজন রুমিন ফারহানার পক্ষের কর্মী।

জানতে সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মনজুর কাদের ভূইয়া মুক্তকণ্ঠকে বলেন, ভোট কেন্দ্রে নিরাপত্তার স্বার্থে তাদের আটক করা হয়েছে। বিস্তারিত পড়ুন এখানে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোট দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলশান ২ নম্বরের গুলশান মডেল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট দেন তিনি।

তারেক রহমান ঢাকা-১৭ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী। এই আসনেই গুলশান মডেল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রের অবস্থান।

সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তারেক রহমান কেন্দ্রে প্রবেশ করেন। ভোট দিয়ে বেরিয়ে এসে পৌনে ১০টার দিকে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

ইসির তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা-১৭ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ২৭ হাজার ৮৯৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৭০ হাজার ১১৬ জন। আর নারী ভোটার ১ লাখ ৫৭ হাজার ৭৭৪ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৮ জন। মোট ভোটকেন্দ্র ১২৪।

এ আসনে তারেক রহমানের প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর স ম খালিদুজ্জামান (দাঁড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির (জাপা) আতিক আহমেদ (লাঙ্গল), জাতীয় পার্টির (জেপি) তপু রায়হান (বাইসাইকেল), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ উল্যাহ (হাতপাখা), বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির কামরুল হাসান নাসিম (কাঁঠাল) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো.আনিসুজ্জামান খোকন (ময়ূর)।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিজ কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন পঞ্চগড়-১ আসনে ১১–দলীয় ঐক্য জোটের প্রার্থী ও এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার আলোয়াখোয়া ইউনিয়নের বামনকুমার রাখালদেবী হাট উচ্চবিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে তিনি ভোট দেন। ভোট দেওয়ার পরে তিনি বলেন, প্রশাসন ব্যর্থ হলে আমরা কাউকে জয়ী হতে দেব না। বিস্তারিত পড়ুন এখানে

বাগেরহাটের ৫৪৭টি ভোট গ্রহণ শুরুর আগেই বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি দেখা যায়। নারী ও পুরুষ ভোটাররা আলাদা লাইনে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করছেন। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, শুরুতে ভোটদানে বেশি সময় লাগলেও ধীরে ধীরে তা কমছে।

সকাল থেকে বাগেরহাট সদর উপজেলার খানজাহান আলী ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। এ কেন্দ্রে মোট ভোটার ২ হাজার ৫০ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ১ হাজার ৮৪ জন এবং পুরুষ ভোটার ৯৬৬ জন। কেন্দ্রটির প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মো. তরিকুল ইসলাম জানান, এখানে দুটি পুরুষ ও দুটি নারী কক্ষ মিলিয়ে মোট চারটি কক্ষে ভোট গ্রহণ চলছে। প্রতিটি কক্ষে দুটি করে গোপন কক্ষ রাখা হয়েছে, যাতে দ্রুত ভোট গ্রহণ সম্পন্ন করা যায়। বিস্তারিত পড়ুন এখানে

দেশ গণতন্ত্রায়ণের ট্রেনে উঠে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে নয়টায় রাজধানীর ইস্কাটন গার্ডেন উচ্চবিদ্যালয়ে কেন্দ্রে ভোট দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সিইসি বলেন, ‘আমরা জাতির কাছে ওয়াদা করেছিলাম একটি উৎসবমুখর পরিবেশের ভোট জাতিকে উপহার দেব। এই কয় দিনে ঈদের সময়ের মতো মানুষ ট্রেনে, বাসে, লঞ্চে করে উৎসবমুখর পরিবেশে গ্রামেগঞ্জে চলে গেছে ভোট দেওয়ার জন্য। গ্রামেগঞ্জে মানুষ উৎসবের আমেজে ভোট দিচ্ছে। অনেক দিন পর উৎসবমুখর পরিবেশে আনন্দের সঙ্গে ভোট দিতে পেরে তারাও উদ্বেলিত। আমি বিভিন্ন মাধ্যমে খোঁজখবর নিয়ে এখন পর্যন্ত যা জানতে পেরেছি, সারা দেশে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট গ্রহণ চলছে। দু-একটি জায়গায় ভোটকেন্দ্রের বাইরে কিছু গোলমাল হলেও তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলোর সমাধান করা হয়েছে।

রাজধানীর গুলশান মডেল হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। ভোট দেওয়ার পরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আজকে নতুন বাংলাদেশের জন্মদিন। দিনব্যাপী এই জন্মদিন উৎসব পালন করব। এটার মাধ্যমে যে প্রক্রিয়া এখান থেকে শুরু হলো, এর মাধ্যমে আমরা অতীতকে বর্জন করলাম। যেসব দুঃস্বপ্নময় অতীত ছিল, সেগুলো সম্পূর্ণরূপে বর্জন করলাম। আজকে থেকে আমরা প্রতিটি পদে নতুন বাংলাদেশ সৃষ্টি করার সুযোগ পেলাম। আজকে জন্মদিন পালন করি আমরা সারাদিনব্যাপী, সবাই মিলে উৎসব করি এবং এটা আরও নিশ্চিত হবে গণভোটটা দিয়ে। প্রার্থীর জন্য আমরা ভোট দিলাম, সেটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু গণভোটটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সারা বাংলাদেশ পাল্টে যাবে। সবাইকে আহ্বান জানাচ্ছি, গণভোটে অংশ নেওয়ার জন্য যাতে করে আমরা নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারি। খুব ভালো লাগল। আমার জীবনের মহা আনন্দের দিন এবং বাংলাদেশের সবার জন্য মহা আনন্দের দিন। মুক্তির দিন। আমাদের দুঃস্বপ্নের অবসান, নতুন স্বপ্নের শুরু। সেটাই হলো আজকেই এই প্রক্রিয়া। সবাইকে মোবারকবাদ জানাচ্ছি।’

এ সময় পাশে থেকে একজন বলেন, ‘ঈদ মোবারক।’ তখন প্রধান উপদেষ্টাও বলেন, ‘ঈদ মোবারক।’

ভোট দেওয়ার পর বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, বাংলাদেশের মানুষ আজকে সারা দিনে বেরিয়ে এসে যদি তাঁদের অধিকার প্রয়োগ করেন, ভোট দেন, ইনশাআল্লাহ যেকোনো ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়া সম্ভব।’

রাজধানীর গুলশান-২ নম্বরের গুলশান মডেল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে আজ বৃহস্পতিবার সকালে ভোট দেওয়ার পর সাংবাদিকদের তারেক রহমান এসব কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, ‘সারা বাংলাদেশের খবর এখন আমি পাইনি। তবে গত রাতে বিভিন্ন জায়গা থেকে কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত খবর আমরা পেয়েছি, যেটা কাম্য নয়।’

বিস্তারিত পড়ুন এখানে

ঢাকা -৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা নানা অজুহাতে তাঁর পোলিং এজেন্টদের প্রিসাইডিং অফিসার ভোট কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন। এটা তো গ্রহণযোগ্য না বলে তিনি মন্তব্য করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর খিলগাঁও মডেল কলেজ ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এ অভিযোগ এনেছেন।

তাসনিম জারা বলেন, বেশ কিছু জটিলতার মধ্যে আমাদের যেতে হচ্ছে। বিভিন্ন অজুহাতে আমাদের পোলিং এজেন্টদের কেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না বা বের করে দেওয়া হচ্ছে। বানোয়াট কিছু নিয়ম বানিয়ে এসব অজুহাত তৈরি করা হচ্ছে। কাউকে বলা হচ্ছে, ওরা তো এখানকার ভোটার না। এটা তো নিয়ম না। তারপর পুরুষ কেন্দ্রে নারী এজেন্টদের বের করে দেওয়া হচ্ছে। তারপর বলা হচ্ছে ফোন নিয়ে ঢোকা যাবে না। কিম্বা ফোন নিয়ে ঢোকা যাবে, ব্যবহার করা যাবে না।

এনসিপি থেকে বের হয়ে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আলোচিত তাসনিম জারা বলেন, আমার পোলিং এজেন্টদের বের করে দেওয়া হচ্ছে। অথচ মানুষ ভেতরে ভোট দিচ্ছে। এটা তো গ্রহণযোগ্য না।

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার একটি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলাকালে ককটেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই আনসার সদস্যসহ তিনজন আহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার রেশমা ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ভোটকেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বরত উপপরিদর্শক (এসআই) জাহিদুল ইসলাম জানান, সকাল থেকে কেন্দ্রটিতে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ চলছিল। এ সময় দুর্বৃত্তরা কেন্দ্রের বাইরে খালের ওপার থেকে ককটেল নিক্ষেপ করে। বিস্ফোরণে দায়িত্বরত দুই আনসার সদস্য এবং একজন ভোটারের সঙ্গে আসা শিশু আহত হয়। বিস্ফোরণের শব্দে ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

আহতেরা হলেন আনসার সদস্য সুকন্ঠ মজুমদার ও জামাল হোসেন এবং পৌরসভার আরামবাগ এলাকার আসশাফ আলির মেয়ে আমেনা খানম (১৪)। তাদের স্থানীয় ক্লিনিক প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ জানায়, ঘটনায় ভোটকেন্দ্রের মূল ফটক আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছে। ঘটনার পর কেন্দ্রটিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোট গ্রহণ চলছে। অনেক স্থানে ভোট শুরুর আগেই বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটারের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। কোথাও আবার বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিতি বেড়েছে। এ পর্যন্ত কোথাও থেকে বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি বলে রিটার্নিং কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। বিস্তারিত পড়ুন এখানে

রাজধানীর মান্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুপুর সাড়ে ১২টায় নারী ভোটারদের তীব্র রোদ উপেক্ষা করে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। এর মধ্যে ভোটার জহুরা আক্তার বলেন, আধা ঘন্টা ধরে রোদের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছি, এখনো ভোট দিতে পারিনি। তবে জীবনে প্রথম ভোট দিতে এসেছি, এই জন্য তেমন কষ্ট হচ্ছে না। তিনি মুক্তকণ্ঠকে বলেন, ‘ভেবেছি দুপুরের দিকে আসলে ভীড় কম থাকবে, তাই সকালে আসিনি। এখন এসে দেখি দীর্ঘ লাইন। আধা ঘণ্টা ধরে দাঁড়িয়ে আছি, এখনো ভোট দিতে পারিনি।’

তবে দীর্ঘ সময়ে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকলেও কোন বিরক্তি নেই বলে উল্লেখ করে জহুরা আক্তার বলেন, 'প্রথম ভোট দিচ্ছি। তাই রোদে একটু কষ্ট হলেও বিরক্তি নেই। আমরা চাই যাকে ভোট দিবো সে যেন বিজয়ী হয়।'

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, ‘সবাইকে অনুরোধ করব, সম্মানিত ভোটারদের অনুরোধ করব, আপনারা নির্ভয়ে বাসা থেকে বের হয়ে পোলিং স্টেশনে যাবেন এবং ভোট দেবেন।’

আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার পরে রাজধানীর আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ কেন্দ্রে ভোট দেন সেনাপ্রধান। পরে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।

সিলেটের ছয়টি সংসদীয় আসনে ভোট গ্রহণ শুরুর প্রথম চার ঘণ্টায় প্রায় ২০ শতাংশ ভোট পড়েছে। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম মুক্তকণ্ঠকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

রাজধানী ঢাকার পাঁচটি আসনের আটটি কেন্দ্রের তথ্য নিয়ে দেখা গেছে, প্রথম দুই ঘণ্টায় ভোট পড়ার হার ৬ থেকে ১৩ শতাংশ। ঢাকা ৬,১২, ১৩,১৪ ও ১৫ এই পাঁচটি আসনের আটটি কেন্দ্রের তথ্য এটি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে সারা দেশে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে। ভোট দিতে সকাল থেকেই কেন্দ্রে যাওয়া শুরু করেন ভোটাররা। তবে অন্তত চারটি কেন্দ্রের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, একেকটি ভোট পড়তে সময় লাগছে দুই থেকে তিন মিনিট। তবে এটা সামগ্রিক চিত্র নয়। বিস্তারিত দেখুন এখানে

চট্টগ্রামে ভোট দিতে গিয়ে কেন্দ্রে অসুস্থ হয়ে এক ভোটারের মৃত্যু হয়েছে। তাঁর নাম মো. মনু মিয়া (৫৭)। বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা ৩৫ মিনিটে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। পুরো খবরটি পড়ুন এখানে

ঢাকা-৮ আসনে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যের প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, ‘শাপলা কলিতে বেশি সিল পড়ার কারণে অনেকে ভয় পাচ্ছে। এ জন্য ভোট থেকে বের হয়ে যাওয়ার চেষ্টা করবে। আমরা তাঁদের বলব ৯০ মিনিট খেলায় (ভোটকেন্দ্রে) থাকুন৷ ভয় পাবেন না, মাথায় হাত দেবেন না।’ বিস্তারিত পড়তে এখানে ক্লিক করুন

দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৩২ হাজার ৭৮৯ কেন্দ্রে ভোট পড়ার হার ৩২ দশমিক ৮৮ শতাংশ।নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ আজ দুপুরে সংবাদিকদের জানিয়েছেন এ কথা।

অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ রাজধানীর গুলশান মডেল হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন। ভোট দিয়ে বেরিয়ে তিনি বলেন, ‘কেন্দ্রে নারীদের উপস্থিতি বেশ ভালো। এটা খুবই আশাব্যঞ্জক। প্রত্যন্ত অঞ্চলের কিছু ঝামেলা ছাড়া শান্তিপূর্ণভাবে ভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে।’

সালেহউদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, ‘১৭ বছর পর আমি এখানে ভোট দিতে এসেছি। এটা অনেকটা রোমাঞ্চকর অনুভূতি।’

ঢাকা-৮ আসনের বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস বলেছেন, কোনো ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ফলাফল মেনে নেওয়া হবে না। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে মির্জা আব্বাস মহিলা ডিগ্রি কলেজে ভোট দেওয়ার পর সাংবাদিকদের এ কথা বলেছেন তিনি।

মির্জা আব্বাস বলেন, ‘এখন ১২টা ২৫ মিনিট। এখন পর্যন্ত নির্বাচনের পরিবেশ শান্ত এবং ভালো আছে। তবে ভোটারের টার্ন আউট কম। আরও বেশি হওয়া উচিত ছিল।’

জয়ের ব্যাপারে কতটুকু আশাবাদী- এমন প্রশ্নের উত্তরে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘ইনশাআল্লাহ আমি ১০০ ভাগ আশাবাদী। তবে কোনো ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ফলাফল মেনে নেওয়া হবে না। ইঞ্জিনিয়ারিং যদি হয়, মানা হবে না। আমি ভোট কারচুপির, ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সমস্যা– বরাবরই আশঙ্কা করেছি, এখনও করছি।’

বিএনপির জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ও দলটির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, দীর্ঘদিন পর মানুষ ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার সুযোগ পেয়েছে। জনগণের এই ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনে বিএনপির বিজয় সুনিশ্চিত হতে চলেছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর গুলশানে দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন মাহদী আমিন।

পরাজয়ের শঙ্কায় প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দল গতকাল রাত থেকে অনেক জায়গায় অনাকাঙ্ক্ষিত ও সহিংস বেশ কিছু ঘটনার জন্ম দিয়েছে বলেও উল্লেখ করেন মাহদী আমিন। তিনি বলেন, 'সংগঠিত ঘটনাগুলো নির্বাচনি আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।'

নোয়াখালীর হাতিয়া এবং কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামসহ দেশব্যাপী বেশ কিছু জায়গায় কিছু অসংগতি, কারচুপি এবং সহিংসতা ঘটেছে উল্লেখ করে মাহদী আমিন অভিযোগ করেন, 'হাতিয়ায় ইতিমধ্যে আমাদের এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ এসেছে। বিষয়টি আমরা কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিতে এনেছি। সেখানে অনেক ধরনের সহিংসতা করছে আমাদের প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দল।'

ঢাকা-৮ সংসদীয় আসনে জামায়াতে ইসলামী নেত়ত্বাধীন ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে ঘিরে 'ভুয়া’ ‘ভুয়া' স্লোগান দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে৷ উত্তেজনা চলে ১০ থেকে ১৫ মিনিট৷ পরে সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আসে৷ পাটওয়ারী গাড়িতে করে চলে যান৷

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা-৮ আসনভুক্ত শাহজাহানপুরে রেলওয়ে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে নাসীরুদ্দীন ঢুকতে গেলে এ ঘটনা ঘটে৷ তাঁকে ঘিরে ‘ভুয়া’ ‘ভুয়া’ স্লোগান দেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাসের একদল নেতা-কর্মী৷

পাটওয়ারীকে ঘিরে উত্তেজনা তৈরি হলে সেনাবাহিনীর পাহারায় ওই এলাকা ছাড়েন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী৷

অবশ্য এ ঘটনায় পাটওয়ারী ও মির্জা আব্বাসের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা সম্ভব হয়নি৷

খুলনায় ভোটকেন্দ্রে গিয়ে মহানগর বিএনপি নেতা মহিবুজ্জামান কচি (৬০) মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে খুলনা আলিয়া মাদ্রাসার ভোটকেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটেছে। মহিবুজ্জামান কচি খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক ছিলেন।

বিএনপির অভিযোগ, মহিবুজ্জামান কচি সকালেই খুলনা আলিয়া মাদ্রাসার ভোটকেন্দ্রে ভোট দিতে গিয়েছিলেন। কেন্দ্রের ভেতরে ভোট চাওয়ার বিরোধিতা করলে প্রতিপক্ষ জামায়াতের লোকজন তাঁকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন। এতে তিনি পড়ে গিয়ে মাথায় আঘাত পান। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। বিস্তারিত পড়তে এখানে ক্লিক করুন

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তাড়া খেয়ে রাজ্জাক মিয়া (৫৫) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার আগানগর ইউনিয়নের আগানগর দক্ষিণপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

রাজ্জাক আগানগর দক্ষিণপাড়ার আলাল উদ্দিন মিয়ার ছেলে। তাঁর পরিবারের সদস্যরা বলেন, সকালে নাশতা খেয়ে ভোট দিতে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান রাজ্জাক মিয়া। বেলা ১১টার দিকে ভোট দিয়ে কেন্দ্র থেকে বের হয়ে আসেন। পরে কেন্দ্র লাগোয়া আগানগর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য খায়রুল ইসলামের বাড়িতে বসে ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি গাড়ি আসে। গাড়ি থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা নেমেই কেন্দ্রের বাইরে অবস্থান করা লোকজনকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। কয়েকজনকে লাঠিপেটা করেন। এ সময় দৌড়ে কেন্দ্র এলাকা থেকে চলে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন রাজ্জাক মিয়া। হঠাৎ মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে তাঁকে উদ্ধার করে ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা কিশোর কুমার ধর বলেন, রাজ্জাক মিয়াকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। তাঁর শরীরে আঘাতের আলামত পাওয়া যায়নি। হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন বলে প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে।

এ বিষয়ে কথা বলতে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কে এম মামুনুর রশীদের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

ঢাকা–১১ আসনের এ কে এম রহমতউল্লাহ কলেজ কেন্দ্রে ভোটারদের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। কেন্দ্রে ভোট দিতে আসা ভোটাররা বলেছেন, তাঁরা আধা ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। কিন্তু এখনো ভোট দিতে পারেননি।

বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সরেজমিনে দেখা গেছে, পুরুষদের সারি তিনতলা সিঁড়ি ছাড়িয়ে দোতলা পর্যন্ত নেমে এসেছে। বেশি ভিড় ঠেকাতে নিচে মাঠে একটি সারি করা হয়। অপেক্ষারত ভোটার আব্বাস উদ্দিন বলেন, তিনি ৩০ মিনিট ধরে অপেক্ষা করছেন।

মো. জাহিদ নামে আরেক ভোটার বলেন, ভোট দেওয়ার অপেক্ষায় তিনিও ৩০ মিনিট ধরে সারিতে দাঁড়িয়ে আছেন। আরও কত সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে, বুঝতে পারছেন না। কারণ ভোটারদের সারি তিনতলা থেকে দোতলা পর্যন্ত নেমে গেছে।

৪০ থেকে ৪৫ মিনিট ধরে অপেক্ষায় থাকা ভোটার রাহাজউদ্দিন বলেন, তিনি শুনেছেন ব্যালট পেপার কীভাবে ভাঁজ করতে হবে, সেটা অনেকে বুঝতে পারছেন না, এ কারণে দেরি হচ্ছে।

কেন্দ্রটিতে নারী ভোটারদের সারিও ছিল দীর্ঘ। দোতলার বুথের সামনে ভোটাদের সারি দু ভাগ হয়ে গিয়েছিল। নিচতলায় ভোটারদের সারি মাঠ পর্যন্ত চলে এসেছিল।

ভোটের গতি ধীর কিনা জানতে চাইলে কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা আবদুর রহমান মুক্তকণ্ঠকে বলেন, ভোটার অনেক বেশি। এ কারণে ভোটের সারি দীর্ঘ। অনেকে কীভাবে ব্যালট পেপার ভাঁজ করতে হবে তা বুঝতে পারছেন না, তাঁদের বুঝিয়ে দিতে হচ্ছে। এ কারণে সময় কিছুটা বেশি লেগেছে।

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার আব্দুল জাব্বার কলেজ কেন্দ্র থেকে আব্দুল হালিম নামের একজন সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তাকে আটক করা হয়েছে। আজ বেলা ১১টার দিকে কলেজটির পুরুষ কেন্দ্রের ১ নম্বর বুথ থেকে তাঁকে আটক করা হয়।

কেন্দ্রটির প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মো. জুয়েল রানা বলেন, সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা আব্দুল হালিম এক ভোটারকে একসঙ্গে দুটি ব্যালট পেপার প্রদান করেন। বিষয়টি নজরে আসার পর তাঁকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ছাড়া একই কেন্দ্রে ভোটকক্ষে মুঠোফোন নিয়ে প্রবেশ করে ছবি তোলার সময় এক ভোটারকে আটক করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

ভোলা-২ আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও বোরহানউদ্দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনোরঞ্জন বর্মণ বলেন, ভোটারদের অভিযোগের ভিত্তিতে আব্দুল হালিমকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তাঁর পরিবর্তে অন্য একজন কর্মকর্তাকে সেখানে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

দেশের ভেতর থেকে ৬ লাখ ৪৮ হাজার পোস্টাল ব্যালট রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে এসেছে বলে জানিয়েছেন জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ। আজ নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

মা সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানুকে ভোট দেওয়ার জন্য ঢাকা–১০ আসনের সিটি কলেজ কেন্দ্রে নিয়ে এসেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী জুবাইদা রহমান। তাঁর মা এই কেন্দ্রের ভোটার।

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় জাল ভোট দিতে গিয়ে দুই কিশোর আটক হয়েছে। কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বিষয়টি মুক্তকণ্ঠকে নিশ্চিত করেছেন।

ওসি বলেন, আজ বৃহস্পতিবার বেলা দুইটার দিকে উপজেলার বর্ণি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে অপ্রাপ্তবয়স্ক দুই কিশোর জাল ভোট দিতে যায়। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের আটক করে।

পুলিশ জানিয়েছে, আটক কিশোরেরা কোনো ভোট দিতে পারেনি। তারা বর্তমানে পুলিশের হেফাজতে আছে।

পাকিস্তান নির্বাচন কমিশনের ডিজি নিঘাত সিদ্দিক বলেছেন, ‘সকাল থেকে রাজধানীর পাঁচটা কেন্দ্র তিনি দেখেছেন। নারী–পুরুষের বুথ দেখেছেন। বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন চমৎকার ব‍্যবস্থাপনা করেছে। ভোট অনেক পড়ছে। অনেক তরুণ, অনেক নারী আর প্রবীণ ভোটারেরা ভোট দিচ্ছেন। তরুণেরা খুব আগ্রহ করে ভোট দিচ্ছেন। খুব ভালো পরিবেশ। খুব সৌহার্পূর্ণ। মানুষ খুব খুশি। পরিবর্তনের জন‍্য (হ‍্যাঁ-না) ভোটে খুব উৎসুক। মানুষ শান্তিতে ভোট দিচ্ছেন। বিপুল মানুষ অংশ নিচ্ছে।’

রাজধানীর মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ বালক শাখায় নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বিদেশি পর্যবেক্ষকদের দলে ছিলেন নিঘাত সিদ্দিক। দুপুর ১২টার দিকে তিনি মুক্তকণ্ঠকে এসব কথা বলেন।

রাজধানীর ডেমরার বাওয়ানী বিদ্যালয়ের দুটি ভোটকেন্দ্রে বেলা তিনটা পর্যন্ত ৪৩ দশমিক ৬৮ শতাংশ ভোটগ্রহণ হয়েছে। দুই কেন্দ্রে মোট ভোটার ৭ হাজার ১৯৫ জন। এর মধ্যে ভোট দিয়েছেন ৩ হাজার ১৪৩ জন।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে সাতটায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বেলা তিনটা পর্যন্ত কোনো ধরনের ঝামেলা ছাড়াই ভোট গ্রহণ চলছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, দুটি কেন্দ্রের একটি পুরুষ ও অন্যটি নারী ভোটকেন্দ্র। বিকেলের দিকে নারী ভোটারদের উপস্থিতি তুলনামূলক বেশি ছিল।

নারী ভোটকেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা গোলাম মাওলা মুক্তকণ্ঠকে বলেন, তাঁর কেন্দ্রে মোট নারী ভোটার ৩ হাজার ৫০৭ জন। বেলা তিনটা পর্যন্ত ভোট দিয়েছেন ১ হাজার ৪৬৩ জন।

পুরুষ ভোটকেন্দ্রে মোট ভোটার ৩ হাজার ৬৮৮ জন। বেলা তিনটা পর্যন্ত সেখানে ভোট পড়েছে ১ হাজার ৬৮০টি বলে জানিয়েছেন প্রিজাইডিং কর্মকর্তা সাইদুর রহমান।

সকাল সাড়ে সাতটায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে একটানা বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত চলবে। ককটেল বিস্ফোরণ ও কিছু অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়া মোটামুটি শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ চলছে। আর ৩০ মিনিট ভোটগ্রহণ চলবে।

তবে যদি কোনো কেন্দ্রে অপেক্ষমাণ ভোটারের দীর্ঘ সারি থাকে, তাহলে বিকেল সাড়ে চারটার পরও তাঁদের ভোট নেওয়া হবে।

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার জগন্নাথদীঘি ইউনিয়নের আতাকরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ চলছিল। কুমিল্লা-১১ আসনের এই কেন্দ্রে সকাল থেকেই ভোটারদের দীর্ঘ লাইন ছিল। তবে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে কেন্দ্রটিতে একের পর এক ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এতে ভোটাররা প্রাণভয়ে দিগ্বিদিক ছোটাছুটি শুরু করেন। বিস্তারিত পড়ুন এখানে

দুপুর পর্যন্ত ঢাকার ৪টি আসনের ১০টি কেন্দ্র কত ভোট পড়ল, আসুন জেনে নেই—

ঢাকা–১৭

রাজধানীর কড়াইল বস্তিসংলগ্ন বিটিসিএল আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭৮ নম্বর কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মো. মুনতাসির মামুন জানান, তাঁর এখানে পাঁচটি কেন্দ্র। সবাই নারী ভোটার। দুপুর ১টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত তাঁর কেন্দ্রে ৩৫ শতাংশ ভোট পড়েছে। এখানে ২ হাজার ৪৩৭ জন ভোটার। এর মধ্যে ৮২৬ জন ভোট দিয়েছেন।

একই বিদ্যালয়ের ৭৬ নম্বর কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা সুশান্ত কুমার সরকার বলেন, দুপুর ১টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত তাঁর কেন্দ্রে ২ হাজার ৬৭৩ জন ভোটারের মধ্যে ১ হাজার ৭৬ জন ভোট দিয়েছেন। ভোট পড়ার হার ৪০ দশমিক ২৫ শতাংশ।

এদিকে গুলশান মডেল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৬৫ নম্বর কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা গাজী মিজানুর রহমান বলেন, সেখানে ১৪টি বুথ। এখানে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান, অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ ভোট দিয়েছেন। আজ দুপুর ১২টা পর্যন্ত এখানে ১৫ শতাংশ ভোট পড়েছে।

একই প্রতিষ্ঠানের ৬৭ নম্বর কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা আবু দাউদ বলেন, তাঁর কেন্দ্রে ৬টি বুথ। সবগুলো নারীদের জন্য। বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ২০ শতাংশ ভোট পড়েছে।

৬৩ নম্বর কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মো. মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, তাঁর কেন্দ্রের ৫টি বুথের সবগুলো পুরুষদের। বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ২০ শতাংশ ভোট পড়েছে।

ঢাকা–১৬

মিরপুর–১১ নম্বর সেকশনের মিরপুর বাংলা স্কুল অ্যান্ড কলেজের দুই কেন্দ্রে মোট ভোটের সংখ্যা ছয় হাজার ৯৬৮টি। বেলা একটা পর্যন্ত এ দুই কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ২ হাজার ৩৯৫টি। ভোট পড়ার হার ৩৮ শতাংশ।

এখানকার নারী ও পুরুষ কেন্দ্রের দুই প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন ও মশিউর রহমান জানান, ভোটার উপস্থিতি আশাব্যঞ্জক। বেলা ১২ টার পর ভোটার উপস্থিতি বেড়েছে। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট হচ্ছে।

ঢাকা–০৪

শনির আখড়ার বর্ণমালা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের ৮৬ নম্বর কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা আবুল কাশেম গাজী জানান, ওই কেন্দ্রে সব নারী ভোটার। মোট ভোটার সংখ্যা ২ হাজার ৮৬৯ জন। বেলা ১২টা পর্যন্ত ৬৯৮ জন ভোট দিয়েছেন। ২৫ শতাংশ ভোট পড়েছে।

আসকর আলী ও কোব্বাত মিঞা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১০২ নম্বর কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা রাজু আহমেদ বলেন, কেন্দ্রটিতে ভোটার সংখ্যা দুই হাজার ১৭৫ জন। বেলা ১২টা পর্যন্ত ৪৯০ জন ভোট দিয়েছেন। ২২ শতাংশ ভোট পড়েছে।

ঢাকা–০৬

কবি নজরুল সরকারি কলেজের ৫৫ নম্বর কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মো. সফিকুল ইসলাম জানান, ভোটগ্রহণ শুরুর প্রথম চার ঘণ্টায় ৪ হাজার ১৪৩ জন ভোটারের মধ্যে ৯৮০ জন ভেটা দিয়েছেন। ভোট প্রদানের হার ২৪ শতাংশ। তিনি বলেন, কেন্দ্রের সার্বিক পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রয়েছে।

রাজধানীর পুরান ঢাকার জনাকীর্ণ এলাকা বংশাল। ব্যস্ত সড়কের পাশে একটি বিদ্যালয়। নাম বংশাল বালিকা উচ্চবিদ্যালয়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আর গণভোটের ভোটকেন্দ্র এটি। আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই ভোটারদের পদচারণে মুখর কেন্দ্রটি। পুরো খবরটি পড়ুন এখানে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলা সদরের কাচারি পাড়া এলাকায় সৈয়দ সিরাজুল ইসলাম মিলনায়তন ভোটকেন্দ্রে সকাল আটটার দিকে জ্ঞান হারিয়ে হেলে পড়েন ২ নম্বর বুথের পোলিং কর্মকর্তা মো. মুজাহিদুল ইসলাম (৪৮)। পরে লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি সরাইল উপজেলার পানিশ্বর ইসলামী ফাউন্ডেশনের শিক্ষক ছিলেন।

কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা শামীম আল মামুন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মুক্তকণ্ঠকে বলেন, মুজাহিদুল ইসলাম ভোটকেন্দ্রে কর্মরত অবস্থায় মাটিতে হেলে পড়েন। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে মারা যান।

সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. নাজিম উদ্দীন মুক্তকণ্ঠকে বলেন, সম্ভবত তিনি হৃদ্‌যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা গেছেন। লাশ আমাদের জিম্মায় রাখা হয়েছে।

বেলা ২টা পর্যন্ত ৩৬ হাজার ৩১টি কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ৪৭.৯১ শতাংশ বলে জানিয়েছেন ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ।

আজ বিকেল সোয়া চারটার দিকে ইসি সচিব আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, সহিংসতা ও অনিয়মের কিছু অভিযোগ এসেছে। এগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৩২ হাজার ৭৮৯ কেন্দ্রে ভোটের হার ৩২ দশমিক ৮৮ শতাংশ বলে জানিয়েছিলেন ইসি সচিব।

শেষ সময়ে রাজধানীর বনানীর বিদ্যানিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোটারের উপস্থিতি কমে গেছে। ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের অলস সময় কাটাতে দেখা গেছে।

এখানে ৬৯ নম্বর কেন্দ্রে মোট ভোটার ২ হাজার ৪২৪ জন। বেলা সাড়ে তিনটা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৯১১টি, যা প্রায় ৩৭ শতাংশ।

সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেন বলেন, অনেক ভোটার অবসরের গ্রহণের পর গ্রামে চলে যাওয়ায় ভোটের হার কিছুটা কম।

একই প্রতিষ্ঠানের ৭২ নম্বর কেন্দ্রে মোট ভোটার ২ হাজার ৭৩৪ জন। শেষ ঘণ্টার আগে পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৯৬২টি, যা প্রায় ৩৫ শতাংশ। শেষ সময়ে নতুন করে ভোটার উপস্থিতিও কম দেখা যাচ্ছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬-এর ভোটগ্রহণের নির্ধারিত সময় শেষ হলো। সারা দেশে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট সম্পন্ন হয়েছে।

দুটি জেলায় ককটেল বিস্ফোরণসহ বিচ্ছিন্ন কয়েকটি ঘটনা ছাড়া সার্বিকভাবে ভোট ছিল শান্তিপূর্ণ। নির্বাচন চলাকালে পৃথক ঘটনায় অসুস্থ হয়ে চার ব্যক্তির মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর দিক থেকে কিছু অভিযোগ এসেছে।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টায় দেশের ২৯৯টি সংসদীয় আসনে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলে।

তবে যদি কোনো কেন্দ্রে অপেক্ষমাণ ভোটারের দীর্ঘ সারি থাকে, তাহলে বিকেল সাড়ে চারটার পরও তাঁদের ভোট নেওয়া হবে। ভোটগ্রহণ শেষে শুরু হবে ভোট গণনা। এখন ফলাফলের অপেক্ষা।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দেড় বছর পর একটি নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আজ ভোট দিলেন দেশের ভোটারেরা।

একই সঙ্গে ভোটারেরা গণভোটের মাধ্যমে সংবিধানের বেশ কিছু মৌলিক পরিবর্তন আনার প্রস্তাবের পক্ষে-বিপক্ষে ‘হ্যাঁ’-‘না’ ভোট দিয়ে নিজেদের মত জানালেন। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে তা হবে সংবিধানের মৌলিক সংস্কার বাস্তবায়ন হবে।

ঢাকা-৬ আসনে কামরাঙ্গীরচরে ক্যামব্রিজ স্কুলের নারী কেন্দ্রে বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত ২ হাজার ১৩টি বা ৪২ দশমিক ৩৭ শতাংশ ভোট পড়েছে। এ কেন্দ্রে মোট ভোটার ৪ হাজার ৭৫১ জন। পুরুষ কেন্দ্রে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৫৩ শতাংশ, ২ হাজার ৪৬৭টি। এ কেন্দ্রে মোট ভোটার ৪ হাজার ৬৪৯ জন। প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন এ তথ্য জানান।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের ওপর অনুষ্ঠিত গণভোট শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হওয়ায় সমগ্র জাতিকে আন্তরিক অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। আজ এক বিবৃতিতে তিনি এ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বলে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছেন।

নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষে প্রধান উপদেেষ্টা বলেন, ‘ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্বশীল আচরণ, প্রার্থীদের সংযম ও নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের পেশাদারত্ব—এই সম্মিলিত প্রচেষ্টাই প্রমাণ করেছে যে গণতন্ত্রের প্রতি আমাদের অঙ্গীকার অটুট। জনগণ তাদের সাংবিধানিক অধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারনে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন।’

অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘আমি নির্বাচন কমিশন, সশস্ত্র বাহিনী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রশাসন, পর্যবেক্ষক দল, গণমাধ্যমকর্মী এবং ভোটগ্রহণে সম্পৃক্ত সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর প্রতি বিশেষ ধন্যবাদ জানাই। তাঁদের নিষ্ঠা ও পরিশ্রমের ফলেই এই বিশাল গণতান্ত্রিক আয়োজন সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।’

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমি রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের প্রতি আহ্বান জানাই—চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণার পরও যেন গণতান্ত্রিক শালীনতা, সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ অটুট থাকে। মতের ভিন্নতা থাকবে, কিন্তু জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ আজ আবারও প্রমাণ করেছে—জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস। এই নির্বাচন আমাদের জন‍্য মহা আনন্দের ও উৎসবের। এর মধ‍্য দিয়ে নতুন বাংলাদেশের এক অভূতপূর্ব যাত্রা শুরু হলো।’

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এই নির্বাচন দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর। এই ধারা ধরে রাখা সম্ভব হলে গণতন্ত্র উৎকর্ষের শিখরে যাবে। তিনি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার এই অভিযাত্রায় একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬-এর ভোটগ্রহণ শেষে শুরু হয়েছে গণনা।

দুটি জেলায় ককটেল বিস্ফোরণসহ বিচ্ছিন্ন কয়েকটি ঘটনা ছাড়া সার্বিকভাবে ভোট ছিল শান্তিপূর্ণ। নির্বাচন চলাকালে পৃথক ঘটনায় অসুস্থ হয়ে চার ব্যক্তির মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর দিক থেকে কিছু অভিযোগ এসেছে।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টায় দেশের ২৯৯টি সংসদীয় আসনে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলে।

তবে যদি কোনো কেন্দ্রে অপেক্ষমাণ ভোটারের দীর্ঘ সারি থাকে, তাহলে বিকেল সাড়ে চারটার পরও তাঁদের ভোট নেওয়া হবে। ভোটগ্রহণ শেষে শুরু হবে ভোট গণনা। এখন ফলাফলের অপেক্ষা।

বিকেল সাড়ে ৪টায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যারা কেন্দ্রে উপস্থিত বিকেল তাদের ভোট নেওয়া হয়েছে। ৫টার পরও রাজধানীর বছিলা পুরাতন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোটগ্রহন চলতে দেখা গেছে।

বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা ১০ মিনিটের দিকে ওই ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নারীদের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। তখন ৫০ জনের বেশি নারী ভোটারকে লাইনে ভোটের জন্যে অপেক্ষায় থাকতে দেখা গেছে।

‎এই কেন্দ্রে নারীরা ভোট দিয়েছেন। মোট ভোটার ৩ হাজার ৮৩২ জন। দুপুর ৩টা পর্যন্ত ভোট পড়েছিল ১ হাজার ৭৫০ জন। ভোটের হার ৪৫.৬%।

‎‎বিকেল ৫ টা ৭ মিনিটে বছিলা পুরাতন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়টির দ্বিতীয় তলায় নারীরা ভোট দিতে দীর্ঘ লাইন ধরে আছে। এ কেন্দ্রটি নারীদের জন্য নির্ধারিত হওয়ায় শুধু নারীরাই এ কেন্দ্রে ভোট দিচ্ছেন।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমরা চাই, সরকারটা হোক জনগণের, কোনো দলের নয়, ব্যক্তির নয়, পরিবারের নয়। দল, ব্যক্তি ও পরিবারের গণ্ডি অতিক্রম করে ১৮ কোটি মানুষের সরকার কায়েম হবে আগামীকাল থেকে—সেটাই আমরা আশা করি।’

আজ বৃহস্পতিবার বেলা ২টায় ঢাকা-১৫ আসনে তাঁর প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন তিনি।

গাজীপুর- ৪ আসনের ভাওয়াল চাঁদপুর কেন্দ্র সংলগ্ন এলাকায় পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনায় চার জনকে ২ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে দুজন বিএনপির ও দুজন জামায়াতের কর্মী।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার বিকালে গাজীপুর- ৪ আসনের চাঁদপুর ইউনিয়নের ভাওয়াল চাঁদপুর কেন্দ্র সংলগ্ন এলাকায় বিএনপি এবং জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পরে ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়া শুরু হয়। এ সময় সেনাবাহিনী ও বিজিবি সদস্যরা ৪ জনকে আটক করে। পরে দায়িত্বপ্রাপ্ত জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাঁদের প্রত্যেককে ২ বছর করে জেল এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ১ মাসের কারাদণ্ডাদেশ দেয়।

গাজীপুরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্র্যট মো. আলমগীর হোসেন চারজনকে দণ্ড দেওয়ার বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন।

দণ্ডাদেশ পাওয়া বিএনপির কর্মীরা হলেন, কাপাসিয়া উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের মো. ইলিয়াস, একই উপজেলার সোনারুয়া গ্রামের মো. তারেক। অপরদিকে জামায়াতের দুজন হলেন ঝিনাইদহ জেলার সদর উপজেলার শিকারপুর গ্রামের মো. মেজবাহ ও গাজীপুরের কাপাসিয়ার মো. ইফতেখার।

নির্বাচনের আগের দিন রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে দেশের একটি চিহ্নিত রাজনৈতিক দল ভোটারদের মনে ভীতি ছড়ানোর চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন দলটির জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ও বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

মাহদী আমিন বলেন, চিহ্নিত রাজনৈতিক দলটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে এমনভাবে ব্যবহার করেছে যাতে ভোটারদের মনে ভোট বিষয়ে এক ধরনের ভীতি তৈরি হয়। তবে বাস্তবতা হচ্ছে বিএনপির বিজয় অনিবার্য ও নিরঙ্কুশ। সেটি স্তিমিত করার কোন অপচেষ্টা সফল হবে না বলেই বিএনপি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে।

ভোটগ্রহণ শেষ হলেও ভোট গণনা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার আহ্বান জানান মাহদী আমিন। তিনি বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনে নেতাকর্মীদের ভোটের ফলাফল না হওয়া পর্যন্ত কেন্দ্রে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানান।

কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনে ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপি সমর্থিত ও গণ অধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী মো. আ. জসিম উদ্দিন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণের শেষ সময়ে বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

আসনটিতে ১১-দলীয় জোটের প্রার্থী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ।

বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন

বিএনপির প্রার্থী হাবিবুর রশিদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫৬৬ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা ফুটবল প্রতীকে পেয়েছেন ৩৬৮ ভোট। আর এনসিপির জাবেদ রাসিন শাপলা কলি প্রতীকে ৩৬১ পেয়েছেন।

এই কেন্দ্রে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়ে ১০৬১; আর ‘না’ ভোট পড়ে ২৫৬।

হাবিবুর রশিদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছন ৫৫৬ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা ফুটবল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১০৯ ভোট এবং এনসিপির জাবেদ রাসিন শাপলা কলি প্রতীকে পেয়েছেন ১৫৭ ভোট।

এই কেন্দ্রে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৫৪৭ এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ২৬৭।

রংপুর-৩ (সিটি কর্পোরেশনে ও সদর) আসনে ৫টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলে ২ হাজার ৭০৬ ভোটে পিছিয়ে আছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের। তিনি পেয়েছেন ১ হাজার ৫৪ ভোট। এসব কেন্দ্রে জামায়াতে ইসলামীর মাহবুবুর রহমান ৩ হাজার ৭৬০ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন। ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির সামসুজ্জামান সামু পেয়েছেন ২ হাজার ২০৪ ভোট।

রংপুর-৩ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ২ হাজার ৯৯২। মোট কেন্দ্র ১৬৯। ফল পাওয়া কেন্দ্রগুলো হলো ধাপ সাত গড়া মাদ্রাসা, দি মিলেনিয়াম স্কুল, মেডিকেল কলেজ হাইস্কুল, মরিয়ম নেসা সরকারি বালিকা বিদ্যালয় ও শাহাবাজপুর সরকারি বিদ্যালয়।

নওগাঁ-১ (পোরশা, সাপাহার এবং নিয়ামতপুর উপজেলা) আসনের ৪৪টি কেন্দ্রে ৪৭ হাজার ৪২৮ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো. মোস্তাফিজুর রহমান। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৩০ হাজার ৮১৯ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছেন জামায়াতে ইসলামীর মোহা. মাহবুবুল আলম।

শেরপুর-১ (সদর) আসনের ১৪৫টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৩২টি কেন্দ্রের ভোটে এগিয়ে আছেন জামায়াতের প্রার্থী রাশেদুল ইসলাম। তিনি পেয়েছেন ২৯ হাজার ৬২৭ ভোট। বিএনপির প্রার্থী সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা ধানের শীষ প্রতীকে ১৫ হাজার ১৮৩ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী শফিকুর ইসলাম (মাসুদ) মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ১৩ হাজার ৪৭২ ভোট।

এদিকে শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনে দুই প্রার্থীর মধ্যে হাড্ডাহা্ড্ডি লড়াই চলছে। আসনটির ১৫৪টি কেন্দ্রের মধ্যে ৫১টি কেন্দ্রের ফল পাওয়া গেছে। এতে জামায়াতের মু. গোলাম কিবরিয়া ৪০ হাজার ১৭ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন। বিএনপির ফাহিম চৌধুরী ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৩৮ হাজার ৮৪৫।

খুলনা-১ (দাকোপ-বটিয়াঘাটা) আসনের চারটি কেন্দ্রের ভোটে বিএনপির প্রার্থী আমীর এজাজ খান ধানের শীষ প্রতীকে ৫ হাজার ৪৫ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন। আসনটিতে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী ১ হাজার ৪৮০ ভোট পেয়েছেন।

ঘোষিত কেন্দ্রগুলোর মধ্যে কৈলাশগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আমীর এজাজ খান ধানের শীষে ৭৭৯ ভোট পেয়েছেন। কৃষ্ণ নন্দী দাঁড়িপাল্লায় পেয়েছেন ১৯৫ ভোট। বাজুয়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ে ধানের শীষ ১ হাজার ১৯৮ ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১৯০ ভোট পড়েছে। কালাবগী সালেহা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ধানের শীষ ১ হাজার ৭১৪ ও দাঁড়িপাল্লা ৯৯২ ভোট পেয়েছে। দাকোপ থানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে আমীর এজাজ খান ধানের শীষে ১ হাজার ৩৫৪ ভোট ও কৃষ্ণ নন্দী দাঁড়িপাল্লায় ১০৩ ভোট পেয়েছেন।

রংপুর–৪ (পীরগাছা–কাউনিয়া) আসনের ১৬৩ কেন্দ্রের মধ্যে ৫৭টির ভোটে এগিয়ে আছেন এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন। তিনি শাপলা কলি প্রতীকে পেয়েছেন ৭২ হাজার ৮৯৭ ভোট। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী এমদাদুল হক ভরসা ধানের শীষে পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৪৩৯ এবং জাতীয় পার্টির আবু নাসের শাহ মো. মাহবুবার রহমান পেয়েছেন ১৭ হাজার ৮৯৫ ভোট।

ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া) আসনের ১৪৩টি কেন্দ্রের মধ্যে ৫৩টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলে এগিয়ে আছেন বিএনপির ‘বিদ্রোহী প্রার্থী’ সালমান ওমর। ঘোড়া প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৪০ হাজার ৯৪০ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৩১ হাজার ২৪২ ভোট।

রংপুর-১ (গঙ্গাচড়া ও সিটি করপোরেশন ১ থেকে ৯ নম্বর ওয়ার্ড) আসনে ১৬৯ টি কেন্দ্রের মধ্যে ২৫টির ভোটে এগিয়ে আছেন জামায়াতের প্রার্থী মো. রায়হান সিরাজী। তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ২৫ হাজার ৪০১ ভোট পেয়েছেন। আর বিএনপির মোকাররম হোসেন ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১২ হাজার ৫৮৫।

রংপুর-২ (বদরগঞ্জ-তারাগঞ্জ) আসনের ১৩৭টি কেন্দ্রের মধ্যে ৫ কেন্দ্রের প্রাপ্ত ভোটে এগিয়ে আছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এটিএম আজহারুল ইসলাম। তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৪ হাজার ৫৩৪ ভোট। ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির মোহাম্মদ আলী সরকার পেয়েছেন ২ হাজার ৫০৯ ভোট। জাতীয় পার্টির আনিছুল ইসলাম মন্ডল লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ৩৬৮ ভোট।

ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসনের বেসরকারি ফলে বিএনপির প্রার্থী মো. আসাদুজ্জামানকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৭১ হাজার ৫৯৮ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী আবু ছালেহ মো. মতিউর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৫৫ হাজার ৫৭৭ ভোট পেয়েছেন।

আজ বৃহস্পতিবার রাত ৮টার কিছু আগে সহকারী রিটানিং কর্মকর্তা ও শৈলকূপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান বেসরকারি এই ফলাফল ঘোষণা করেন। আসনটিতে মোট ভোটার ৩ লাখ ২৫ হাজার ২৭৮ জন।

বান্দরবান আসনে বিএনপির প্রার্থী সাচিংপ্রু জেরী এগিয়ে রয়েছেন। রাত সোয়া ৮টা পর্যন্ত ১৮৬ কেন্দ্রের মধ্যে ৪৬ কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সাচিংপ্রু জেরী পেয়েছেন ৩২ হাজার ৮১৭ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির আবু সাঈদ মো. সুজাউদ্দিন পেয়েছেন ৫ হাজার ১০৪ ভোট। জাতীয় পার্টির (কাদের) আবু জাফর মো. ওয়ালিউল্লাহ ৫৭৮ ভোট ও ইসলামী আন্দোলনের মাওলা আবুল কালাম আজাদ ৯৩২ ভোট পেয়েছেন।

চট্টগ্রাম-১০ আসনের ১০টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. জিয়াউদ্দীন। এই ১০টি কেন্দ্রে বিএনপির প্রার্থী সাঈদ আল নোামান পেয়েছেন ৭ হাজার ১১৮ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ শামসুজ্জামান হেলালী পেয়েছেন ৪ হাজার ৪৭০ ভোট।

চট্টগ্রাম-১০ (খুলশি–পাহাড়তলী–ডবলমুরিং) আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৯২ হাজার ৪৪৪ জন। মোট প্রার্থী ৯ জন। কেন্দ্র রয়েছে ১৩৯টি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগর আংশিক) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা এগিয়ে আছেন। রাত ৮ টা ২৪ মিনিট পর্যন্ত ১২ টি কেন্দ্রে রুমিন ফারহানা ভোট পেয়েছেন ৯ হাজার ৬৪৮। তাঁর নিকটবর্তী প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোটের প্রার্থী জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব পেয়েছেন ৬ হাজার ৭৪৫ ভোট।

এই আসনের মোট ভোটকেন্দ্র ১৫১।

কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের ২০টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করেছেন চকরিয়া ও পেকুয়ার সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তারা। এই ২০টি কেন্দ্রে বিএনপির প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমদ পেয়েছেন ২৮ হাজার ৬৯ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর আব্দুল্লাহ আল ফারুক পেয়েছেন ১২ হাজার ৫৪১ ভোট।

কক্সবাজার-১ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ৩৩ হাজার ৮৯ জন। মোট প্রার্থী ৩ জন। কেন্দ্র রয়েছে ১৭৭টি।

ঠাকুরগাঁও -১ (সদর) আসনের ৩৫টি কেন্দ্রে ৩৯ হাজার ১০১ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (ধানের শীষ)। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ২৫ হাজার ৯৭৬ ভোট পেয়েছেন। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী খাদিমুল ইসলাম পেয়েছেন ৭০৫ ভোট। আসনটির মোট কেন্দ্র ১৮৫টি।

ফুলতলা, ডুমুরিয়া উপজেলা এবং গিলাতলা ক্যান্টনমেন্ট এলাকা নিয়ে গঠিত খুলনা–৫ আসন। এই আসনের ৩১টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ভোটে এগিয়ে আছেন বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ আলি আসগার (লবি)। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ২৯ হাজার ৩৭১ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ২৪ হাজার ৭৩৯ ভোট পেয়েছেন।

আসনটিতে মোট কেন্দ্র রয়েছে ১৫০টি। ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ২ হাজার ৭৯৮।

জামালপুর জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনের সবকটিতে আংশিক ফলে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরা এগিয়ে আছেন।

জামালপুর-১ (দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জ) আসনের ১২৮টি কেন্দ্রের মধ্যে ৫৩টি কেন্দ্রের ফলে ধানের শীষের প্রার্থী এম রশিদুজ্জামান (মিল্লাত) ৬৪ হাজার ৬২৫ ভোট এবং দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মো.নাজমুল হক (সাঈদী) ৪২ হাজার ৬৪৪ ভোট পেয়েছেন। আসনটিতে ধানের শীষ ২১ হাজার ৯৮১ ভোটে এগিয়ে আছে।

জামালপুর-২ (ইসলামপুর) আসনে ৯২টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৬৫টি কেন্দ্রের ফলে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সুলতান মাহমুদ (বাবু) ৬৫ হাজার ৬৪৩ এবং দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মো.ছামিউল হক ৪১ হাজার ৯৬৫ ভোট পেয়েছেন। দুই প্রার্থীর ভোটের ব্যবধান ২৩ হাজার ৬৭৮টি।

জামালপুর-৩ (মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ) আসনে ১৫৪টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ১২টি কেন্দ্রের ফল পাওয়া গেছে। ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো.মোস্তাফিজুর রহমান (বাবুল) ১৬ হাজার ৭০ এবং দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মো.মজিবুর রহমান (আজাদী) ৫ হাজার ১২৮ ভোট পেয়েছেন।

জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ী) আসনে ৮৮টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ১২টি কেন্দ্রের ফলে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো. ফরিদুল কবীর তালুকদার (শামীম) ১৭ হাজার ৯৫৩ এবং দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুল আওয়াল ৫ হাজার ২৯৮ ভোট পেয়েছেন।

জামালপুর-৫ (সদর) আসনে ১৬১টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৯টি কেন্দ্রের ফলে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী শাহ্ মো. ওয়ারেছ আলী (মামুন) ২২ হাজার ৯২৭ ভোট এবং দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মুহাম্মদ আব্দুস সাত্তার ১২ হাজার ৮০৮ ভোট পেয়েছেন। এতে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী শাহ্ মো.ওয়ারেছ আলী ১২ হাজার ৮০৮ ভোটে এগিয়ে আছেন।

কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য মনোনীত প্রার্থী জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ ১৫টি কেন্দ্রের ফলে এগিয়ে আছেন। শাপলা কলি প্রতীকে তিনি ১৭ হাজার ৯৮৬ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত গণঅধিকার পরিষদের জসিম উদ্দিন ট্রাক প্রতীকে ৭ হাজার ৭৮ ভোট পেয়েছেন।

এই আসনে মোট কেন্দ্র ১১৬।

পাবনা–৫ (সদর) আসনে ৮২ কেন্দ্রের ভোটে এগিয়ে আছেন বিএনপির প্রার্থী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৯২ হাজার ৩৭০ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মো. ইকবাল হোসাইন দঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৮৬ হাজার ৪৯০ ভোট।

এই আসনে মোট কেন্দ্র ১৬৩।

ফেনী-২ আসনের ২৪টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মনিরা হক। এই ২৪টি কেন্দ্রে বিএনপির প্রার্থী জয়নাল আবদীন ওরফে ভিপি জয়নাল ১৯ হাজার ৫৪২ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এবি পার্টির মোহাম্মদ মজিবুর রহমান ভূঁইয়া মঞ্জু পেয়েছেন ১১ হাজার ৬৮৩ ভোট।

ফেনী-০২ (সদর) আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৩৭ হাজার ৭৮ জন। মোট প্রার্থী ১১ জন। কেন্দ্র রয়েছে ১৪৬টি।

লক্ষ্মীপুর-১ আসনের ৯৩টি কেন্দ্রের মধ্যে ৫৫টির ফলাফল ঘোষণা করেছেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ফারাশিদ বিন এনাম। এই ৫৫টি কেন্দ্রে বিএনপির প্রার্থী শাহাদাত হোসেন সেলিম ৪৮ হাজার ৭১১ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির মাহবুব আলম পেয়েছেন ৩৪ হাজার ৫৯৬ ভোট।

ফেনী-৩ আসনের ৭৪টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মনিরা হক। এতে এগিয়ে রয়েছেন বিএনপির প্রার্থী আব্দুল আউয়াল মিন্টু। ৭৪টি কেন্দ্রে বিএনপির প্রার্থী পেয়েছেন ১ লাখ ৪১ হাজার ২৩০ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন ওরফে মানিক পেয়েছেন ৮৪ হাজার ৮১২ ভোট।

এ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ৮ হাজার ১৯২ জন। মোট প্রার্থী ৯ জন। কেন্দ্র রয়েছে ১৬১টি।

চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসনে ১৪৩টি কেন্দ্রের মধ্যে ৩১ টির ফলাফল ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন চৌধুরী।

এতে বিএনপির প্রার্থী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী পেয়েছেন ২১ হাজার ৮৮১ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ শফিউল আলম পেয়েছেন ১৫ হাজর ৩৩ ভোট।

এ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৯৫ হাজার ২৭৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৫২ হাজার ৩৩৩ জন, নারী ২ লাখ ৪২ হাজার ৯৪২ জন এবং হিজড়া ৩ জন।

লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের ৪৮টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করেছেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ক্যাথোয়াইপ্রু মারমা। এই ৪৮টি কেন্দ্রে বিএনপির প্রার্থী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি ৪৯ হাজার ৪৬০ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর রেজাউল করিম পেয়েছেন ৪১ হাজার ৭০৭ ভোট।

এ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র রয়েছে ১৩০ টি।

বগুড়া পৌরসভার ২১টি ওয়ার্ড ও সদর উপজেলা নিয়ে গঠিত বগুড়া-৬ আসনের ২১টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে দ্বিগুণের বেশি ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৩৮ হাজার ৪২৮ ভোট। জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবিদুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১৭ হাজার ৪২৮ ভোট।

আসনটিতে মোট ভোট কেন্দ্র ১৫০টি। এখানে মোট ভোটার ৪ লাখ ৫৪ হাজার ৪৩ জন। ভোট পড়েছে ৭১ দশমিক ১৫ শতাংশ।

কুড়িগ্রাম-২ (সদর, রাজারহাট, ফুলবাড়ী) আসনে ১৩৪টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলে এগিয়ে আছেন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য মনোনীত প্রার্থী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আতিকুর রহমান মোজাহিদ। শাপলা কলি প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ২২ হাজার ৪৯৮ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ১৬ হাজার ২৭২ ভোট পেয়েছেন।

আসনটিতে মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ২০৫টি। মোট ভোটার রয়েছে ৬ লাখ ৪ হাজার ৭৩৬ জন।

নোয়াখালী-১ আসনে ১৪২টি কেন্দ্রের মধ্যে ৪০ টির ঘোষিত ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন পেয়েছেন ৩৪ হাজার ৪২৬ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. ছাইফ উল্যাহ পেয়েছেন ২৪ হাজার ৯৩৭ ভোট।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম ৪০ কেন্দ্রের এ ফল ঘোষণা দিয়েছেন।

পিরোজপুর-২ (ভাণ্ডারিয়া, কাউখালী ও নেছারাবাদ) আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে জামায়াতে ইসলামীর শামীম সাঈদী ২৩টি কেন্দ্রে পেয়েছেন ১২ হাজার ২৯৮ ভোট। বিএনপির আহম্মদ সোহেল মনজুর ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১২ হাজার ৫১ ভোট। এ আসনে মোট কেন্দ্র ১৬৬ টি।

ঘোষিত ২৩ কেন্দ্রে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১৮ হাজার ৪ টি, ‘না’ পড়েছে ৯ হাজার ৮৫৫ টি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া–৬ আসনে (বাঞ্ছারামপুর) আসনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি এগিয়ে আছেন। রাত ১০টা পর্যন্ত মোট ৯৮টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৯টির ফল পাওয়া গেছে। সেখানে তিনি মাথাল প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ১৬ হাজার ৪০৭টি। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. মহসীন পেয়েছেন ৫ হাজার ৯৫৮ ভোট।

এই আসনে মোট ভোটার ২ লাখ ৮৯ হাজার ৬৭৪। রিটার্নিং কর্মকর্তা শারমিন আক্তার জানান, এই আসনে ভোট পড়েছে ৫২ দশমিক ২৪ শতাংশ। তিনি রাত ১০টার দিকে ১৯টি কেন্দ্রের ফল ঘোষণা করেছেন।

পিরোজপুর -৩ (মঠবাড়িয়া উপজেলা) আসনে ৫৭টি কেন্দ্রে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো. রুহুল আমীন দুলাল পেয়েছেন ৪১ হাজার ৬৬৪ ভোট।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. রুস্তম আলী ফরাজী হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছেন ২৩ হাজার ৭৩৪ ভোট।

এ আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ৮৫টি।

ফেনী-২ আসনের ৫০টি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মনিরা হক। এসব কেন্দ্রে বিএনপির প্রার্থী জয়নাল আবদীন (ভিপি জয়নাল) ৪৩ হাজার ৫২১ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য মনোনীত এবি পার্টির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মজিবুর রহমান ভূঁইয়া (মঞ্জু) পেয়েছেন ২৪ হাজার ১২৪ ভোট।

আসনটিতে মোট ভোটার ৪ লাখ ৩৭ হাজার ৭৮ জন। মোট কেন্দ্র রয়েছে ১৪৬টি।

খাগড়াছড়ি আসনে ১১০টি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফলে এগিয়ে আছেন বিএনপির প্রার্থী আবদুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া। তিনি পেয়েছেন ৭৬ হাজার ২৮৬ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ধর্মজ্যোতি চাকমা পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৩১৩ ভোট। জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে প্রাথমিক ফলাফল সংগ্রহ ও পরিবেশন কেন্দ্রে এই ফলাফল ঘোষণা করেন জেলা প্রশাসক আনোয়ার সাদাত।

খাগড়াছড়ি সংসদীয় আসনে ভোট কেন্দ্র ২০৩টি। ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৫৪ হাজার ১১৪ জন। মোট প্রার্থী ১১জন।

ঠাকুরগাঁও-১ (সদর) আসনে ১৮৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৭৬টির ফল ঘোষণা হয়েছে। এর মধ্যে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ৯৫ হাজারের বেশি ভোটে এগিয়ে আছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মির্জা ফখরুল ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ২ লাখ ২৮ হাজার ৭৫ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৩২ হাজার ৫৮৪ ভোট পেয়েছেন। অপর প্রার্থী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের খাদেমুল ইসলাম পেয়েছেন ৩ হাজার ৮৩৩ ভোট।

সুনামগঞ্জ–১ (ধর্মপাশা ও তাহিরপুর) আসনে বিএনপির কামরুজ্জামান কামরুল ৩৪, ৯৪১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের তোফায়েল আহমদ পেয়েছেন ২০ হাজার ৪০ ভোট।

সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা জনি রায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বরিশাল-৫ (সদর-সিটি করপোরেশন) আসনের ১৭৬ কেন্দ্রের মধ্যে ১২২ কেন্দ্রের ফলাফলে বিএনপি প্রার্থী মো. মজিবর রহমান সরওয়ার এগিয়ে আছেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৮৭ হাজার ৪৮৩ ভোট। ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী দলের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করিম ১৮ হাজার ১৬২ ভোট পেয়েছেন। বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) প্রার্থী মনীষা চক্রবর্তী পেয়েছেন ১৪ হাজার ৬১০ ভোট।

কুড়িগ্রাম-৪ (চিলমারী, রৌমারী ও রাজিবপুর) আসনে বেসরকারি ফলাফলে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. মোস্তাফিজুর রহমান বিজয়ী হয়েছেন। তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৯১ হাজার ৪১৪ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. আজিজুর রহমান (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৭১ হাজার ৩৩৫ ভোট।

রিটার্নিং কর্মকর্তা ও কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ এই ফলাফল ঘোষণা করেন। এই আসনে ১৩০টি ভোটকেন্দ্রে মোট ভোটার ছিলেন ৩ লাখ ৬২ হাজার ৭৫৩ জন।

চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনে বেসরকারি ফলে বিএনপির মোস্তফা কামাল পাশাকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ৭২ হাজার ৩৫৩ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মুহাম্মদ আলা উদ্দীন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৩৭ হাজার ১৫৭ ভোট পেয়েছেন। এই আসনে পোস্টাল ভোট পড়েছে ৪ হাজার ৭৮৪টি। এর মধ্যে ২ হাজার ৫০৫ ভোট দাঁড়িপাল্লা এবং ধানের শীষ পেয়েছে ৬৮৪ ভোট।

রাত সাড়ে ১১টায় সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সন্দ্বীপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মংচিংনু মারমা বেসরকারি এই ফলাফল ঘোষণা করেন। আসনটিতে মোট ভোটার ২ লাখ ৬০ হাজার ৪৮৫ জন।

রংপুর-২ (তারাগঞ্জ এবং বদরগঞ্জ) আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এ টি এম আজহারুল ইসলাম। আসনটির ১৩৭টি কেন্দ্রে তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মোট ১ লাখ ৩৯ হাজার ৬৮০ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মোহাম্মদ আলী সরকার ৭৯ হাজার ৯১০ ভোট পেয়েছেন। তারাগঞ্জ এবং বদরগঞ্জ উপজেলায় দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের দপ্তর থেকে এই ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

বরিশাল-৫ (সদর-সিটি করপোরেশন) আসনে বিএনপির প্রার্থী মজিবর রহমান সরওয়ার বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে মজিবর রহমান ১ লাখ ৩৩ হাজার ৬ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী ও দলটির কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম পেয়েছেন ৯৩ হাজার ২১৬ ভোট।

এই আসনে ভোট পড়েছে দুই লাখ ৫৭ হাজার ৫১৯ ভোট। এর মধ্যে বাতিল হয়েছে সাত হাজার ৭০৬ ভোট। বৈধ ভোট ছিল দুই লাখ ৯৮ হাজার ১৩টি।

নরসিংদী-৩ (শিবপুর) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনজুর এলাহী ৮১ হাজার ৪১৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আরিফ উল ইসলাম মৃধা পেয়েছেন ৪৫ হাজার ৪০১ ভোট।

১০২টি কেন্দ্রের মধ্যে সবকটি কেন্দ্রের ভোট গণনা শেষে এ ফলাফল ঘোষণা করেন শিবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার ফারজানা ইয়াসমিন।

ঢাকা-২০ (ধামরাই) আসনে বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী মো. তমিজ উদ্দিন নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি আসনটির ১৪৭টি কেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৬০ হাজার ৪২৮ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী এনসিপির নাবিলা তাসনিদ পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৩৪৩ ভোট।

এই আসনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৫৮ হাজার ৪১২টি। ‘না’ ভোট দিয়েছেন ৫০ হাজার ১১৪ জন। ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা খান সালমান হাবীব রাতে এই ফলাফল ঘোষণা করেন।

কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনে বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ১৯ হাজার ৭৫৮ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল ফারুক পেয়েছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ৩১১ ভোট।

পেকুয়া উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মাহবুব আলম ৪৭টি কেন্দ্রের ও চকরিয়া উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ১৩০টি কেন্দ্রের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেন।

কক্সবাজার-১ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ৩৩ হাজার ৮৯ জন। মোট প্রার্থী ৩ জন। কেন্দ্র রয়েছে ১৭৭ টি।

চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনে বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরী। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭২ হাজার ৬১ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নাজমুল মোস্তফা আমিন পেয়েছেন ১ লাখ ২৭ হাজার ২৫ ভোট। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শরীফুল আলম চৌধুরী ২ হাজার ৮৭৩ ভোট পেয়েছেন।

রাত সাড়ে ১১টায় চট্টগ্রাম-১৩ আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম ও খোন্দকার মাহমুদুল হাসান এই ফলাফল ঘোষণা করেন।

চট্টগ্রাম-১৫ আসনটিতে মোট ভোটার ৫ লাখ ৬ হাজার ৫৯। ২০টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে বিস্তৃত এই আসনে ভোটকেন্দ্র রয়েছে ১৫৭টি। এর মধ্যে সাতকানিয়ায় ৯০টি ও লোহাগাড়ায় ৬৭টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি ৯৫ হাজার ৩৪২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. মহসীন পেয়েছেন ৩৯ হাজার ৯৬৭ ভোট। জোনায়েদ সাকি ৫৫ হাজার ৩৭৫ ভোট বেশি পেয়েছেন।

রাত সাড়ে ১২টায় রিটার্নিং কর্মকর্তা শারমিন আক্তার এই ফলাফল ঘোষণা করেন। এই আসনের ৯৮টি কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ১ লাখ ৪৯ হাজার ৬০৩টি ভোট। আসনটির মোট ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৮৯ হাজার ৬৭৪। রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, এই আসনে ভোট পড়েছে ৫২ দশমিক ৫৮ শতাংশ।

সিলেট-২ (বিশ্বনাথ ও ওসমানীনগর) আসনে বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী তাহসিনা রুশদীর (লুনা)। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৯৭ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্য মনোনীত খেলাফত মজলিসের মুহাম্মদ মুনতাছির আলী পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৪৪৬ ভোট।

বৃহস্পতিবার রাত সোয়া ১২টার দিকে সিলেটের জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম এ ফলাফল ঘোষণা করেন। এ সময় তিনি জানান, এসব ভোটের সঙ্গে পোস্টাল ব্যালটের প্রাপ্ত ভোট যুক্ত হবে।

সিলেট-৩ (দক্ষিণ সুরমা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জ) আসনে বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী এম এ মালিক। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ১৪ হাজার ২৫৫ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্য মনোনীত প্রার্থী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মুসলেহ উদ্দীন রাজু পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৬১৪ ভোট।

বৃহস্পতিবার রাত সোয়া ১২টার দিকে সিলেটের জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম এ ফলাফল ঘোষণা করেন। এ সময় তিনি জানান, এসব ভোটের সঙ্গে পোস্টাল ব্যালটের প্রাপ্ত ভোট যুক্ত হবে।

আসনটির মোট ভোটার ৪ লাখ ১৬ হাজার জন। এখানে ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

সিলেট-৬ (বিয়ানীবাজার ও গোলাপগঞ্জ) আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী এমরান আহমদ চৌধুরী। তিনি পেয়েছেন ৭০ হাজার ৭৯৪ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৯২৩ ভোট।

বৃহস্পতিবার রাত সোয়া ১২টার দিকে সিলেটের জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম এ ফলাফল ঘোষণা করেন। এ সময় তিনি জানান, এসব ভোটের সঙ্গে পোস্টাল ব্যালটের প্রাপ্ত ভোট যুক্ত হবে।

সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই ও শাল্লা) আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. নাছির চৌধুরী বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৯৯ হাজার ৫২২ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ শিশির মনির দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৬৩ হাজার ২২০ ভোট। নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসন থেকে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী শাহাদাত হোসেন সেলিম। রাত ১২টার দিকে এ ফলাফল ঘোষণা করেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও রামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারাশিদ বিন এনাম।

শাহাদাত হোসেন সেলিম পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৪৫৭ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. মাহবুব আলম পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৪৩৬ ভোট।

লক্ষ্মীপুর-১ আসনে মোট ভোটার ২ লাখ ৮১ হাজার ৩০২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৪৪ হাজার ৬৫৮ জন। নারী ভোটার ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬৪৪ জন। ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৯৩টি।

চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ এনামুল হক। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৩৪ হাজার ৮০ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বৃহত্তর সুন্নি জোটের বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী ছৈয়দ এয়ার মোহাম্মদ পেয়ারু পেয়েছেন ২৮ হাজার ৭৭৭ ভোট। এ ছাড়া ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ ফরিদুল আলম পেয়েছেন ২০ হাজার ৯৪২ ভোট। রাত ১টায় আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ফারহানুর রহমান এই ফলাফল ঘোষণা করেন।

এ আসনে মোট প্রার্থী ছিলেন ৮ জন। এ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৫১হাজার ৬১৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ৮৪ হাজার ২৫৪ জন, নারী ১ লাখ ৬৮ হাজার ৪৪০ জন এবং হিজড়া ১ জন। আসনের ১১৩টি ভোট কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন তাঁরা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগর আংশিক) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা (হাঁস প্রতীক) বড় ব্যবধানে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ৩৭ হাজার ৫৬৮ ভোট বেশি পেয়েছেন।

১৫১ কেন্দ্রে সব কটিতে হাঁস প্রতীকে রুমিন পেয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ৪৯৫ ভোট। তাঁর নিকটবর্তী প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোটের প্রার্থী জমিয়তে উলামায়ের মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব খেজুরগাছ প্রতীকে পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৯২৭ ভোট।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আবু বকর সরকার বেসরকারিভাবে রুমিন ফারহানাকে বিজয়ী ঘোষণা করেন।

লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসন থেকে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করেছেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ক্যাথোয়াইপ্রু মারমা।

শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ৭৬৫। এ আসনে তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী মো. রেজাউল করিম পেয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ৭৯ ভোট।

লক্ষ্মীপুর-৩ আসন মোট ভোটার ৪ লাখ ৪৪ হাজার ৪৭২ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ, ২৯ হাজার ৭০৯ জন। নারী ভোটার ২ লাখ ১৪ হাজার ৭৫৮জন। ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১৩০টি।

বাগেরহাট-৩ (মোংলা-রামপাল) আসনে বিএনপির প্রার্থী শেখ ফরিদুল ইসলাম বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৩ হাজার ৭১১ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. আব্দুল ওয়াদুদ শেখ পেয়েছেন ৮৩ হাজার ৭০৫ ভোট। মোংলা ও রামপাল উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা এবং সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা এই ফলাফল নিশ্চিত করেছেন।

নরসিংদী-২ (পলাশ ও সদরের একাংশ) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আব্দুল মঈন খান ৯২ হাজার ৩৫২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের বিদ্রোহী প্রার্থী আমজাদ হোসাইন পেয়েছেন ৫১ হাজার ১৬১ ভোট। এ ছাড়া ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী এনসিপির সারোয়ার তুষার পেয়েছেন ১৯ হাজার ২৩৬ ভোট।

পলাশের ৬১টি ও সদরের ৩০টি কেন্দ্রসহ মোট ৯১টি কেন্দ্রের ভোট গণনা শেষে বেসরকারি এ ফলাফল ঘোষণা করেন পলাশ ও সদরের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা যথাক্রমে ইশতিয়াক আহমেদ ও আসমা জাহান সরকার।

মৌলভীবাজার–৩ (সদর ও রাজনগর) আসনে বিএনপির প্রার্থী নাসের রহমান ১ লাখ ৫৬ হাজার ৭৫৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. আব্দুল মান্নান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৭৭ হাজার ৬৩৬ ভোট। আসনটিতে হ্যাঁ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৩৩ হাজার ৯১৬টি। না ভোটের সংখ্যা ৭৮ হাজার ৬৭১।

নরসিংদী-৪ (মনোহরদী-বেলাব) আসনে বিএনপির প্রার্থী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৬১ হাজার ৯১২ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মো. জাহাঙ্গীর আলম পেয়েছেন ৭৬ হাজার ৪৪৫ ভোট।

আসনটির মনোহরদী উপজেলায় ১০০ ও বেলাব উপজেলার ৬২ ভোটকেন্দ্র রয়েছে। এই ১৬২টি কেন্দ্রের ভোট গণনা শেষে বেসরকারি এ ফলাফল ঘোষণা করেন দুই উপজেলার দায়িত্বে থাকা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তারা।

নরসিংদী-১ (সদর) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন ১ লাখ ৬০ হাজার ৬৭৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মো. ইব্রাহীম ভূঞা পেয়েছেন ৯২ হাজার ৯৩০ ভোট।

১৪২টি কেন্দ্রের মধ্যে সবকটি কেন্দ্রের ভোট গণনা শেষে বেসরকারি এ ফলাফল ঘোষণা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আসমা জাহান সরকার।

পঞ্চগড় -১ আসনে বিএনপির নওশাদ জমির ও পঞ্চগড় -২ আসনে বিএনপির ফরহাদ হোসেন বেসরকারিভাবে নির্বাচিত

পঞ্চগড় -১ আসনে বিএনপির মুহম্মদ নওশাদ জমির ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৭৬ হাজার ১৬৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম শাপলাকলি প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৬৮ হাজার ৪৯ ভোট।

পঞ্চগড় -২ আসন

পঞ্চগড়-২ আসনে বিনপির ফরহাদ হোসেন আজাদ ১ লাখ ৭৪ হাজার ৬৫০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. সফিউল আলম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ২৮ হাজার ৮৬২ ভোট।

কুড়িগ্রাম-৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. মোস্তাফিজুর রহমান ১ লাখ ৬ হাজার ৩৪৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. আজিজুর রহমান পেয়েছেন ৮৩ হাজার ৭৬২ ভোট পেয়েছেন।

ঢাকা-২ আসনে ১ লাখ ৬৩ হাজার ২০ ভোট পেয়ে জিতেছেন বিএনপির আমান উল্লাহ আমান। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের কর্নেল (অব) আব্দুল হক পেয়েছেন ৭৮ হাজার ৬৫৫।

সুনামগঞ্জ-৪ আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী নূরুল ইসলাম। তিনি পেয়েছেন ৯৮ হাজার ৯২ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ শামস উদদীন পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৭৩৫ ভোট।

নীলফামারী-১ আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা আব্দুস সাত্তার। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৪৯ হাজার ২১৪ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জমিয়তের মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দি পেয়েছেন ১ লাখ ১৮ হাজার ১৬০ ভোট।

চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনের বেসরকারি ফলে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ জহিরুল ইসলামকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৯৬০ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পেয়েছেন ৮২ হাজার ২৩৭ ভোট। এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ লেয়াকত আলী পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৭১ ভোট।

রাত সোয়া একটার সময় চট্টগ্রাম-১৬ আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাই মোহাম্মদ জামশেদুল আলম এই ফলাফল ঘোষণা করেন।

এ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৪ হাজার ৫৬০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ১৩ হাজার ৮১৯ জন, নারী ভোটার ১ লাখ ৯০ হাজার ৭৩৭ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৪ জন।

পাবনা-১ (সাঁথিয়া) আসনে জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী নাজিবুর রহমান মোমেন ১ লাখ ২৯ হাজার ৯৭৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শামসুর রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ৪ হাজার ২৪৫ ভোট। রাত ১ টা ১৫ মিনিটে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও পাবনা জেলা প্রশাসক শাহেদ মোস্তফা আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফল ঘোষণা করেন।

চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসন বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী নুরুল আমিন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ২৭ হাজার ৬৪৫ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর সাইফুর রহমান পেয়েছেন ৮১ হাজার ২২৭ ভোট। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী ফেরদৌস আহমেদ চৌধুরী হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছেন ২ হাজার ৬৪ ভোট।

রাত ১২ টায় চট্টগ্রাম-১ আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা সোমাইয়া আক্তার এই ফলাফল ঘোষণা করেন। চট্টগ্রাম-১ আসনে ১৬টি ইউনিয়ন মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৮০ হাজার ২০২ জন। উপজেলার ১৬টি ইউনিয়নের ১০৬টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ করা হয়েছে।

এসব কেন্দ্রে ‘হ্যাঁ’ ভোটের সংখ্যা ১ লাখ ১৪ হাজার ৪৪০ আর ‘না’ ভোট পড়েছে ৮৭ ৬৩৫ টি।

নীলফামারী-২ (সদর উপজেলা) আসনে জামায়াতের আল ফারুক আব্দুল লতিফ ১ লাখ ৪৫ হাজার ২০২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শাহরিন ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ ৩৪ হাজার ৫৭৯ ভোট।

নীলফামারী-৩

নীলফামারী-৩ (জলঢাকা উপজেলা) আসনে জামায়াতের ওবায়দুল্লাহ সালাফী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৮ হাজার ৫৬০ ভোট পেয়েছে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সৈয়দ আলী পেয়েছেন ৮৯ হাজার ১০২ ভোট।

নীলফামারী-৪

নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর ও কিশোরগঞ্জ উপজেলা) আসনে জামায়াতের আব্দুল মুনতাকিম ১ লাখ ২৪ হাজার ৮৬৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আব্দুল গফুর সরকার পেয়েছেন ৮১ হাজার ৫২৬ ভোট।

খুলনা-৫ (ফুলতলা, ডুমুরিয়া ও গিলাতলা ক্যান্টনমেন্ট এলাকা) আসনে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারকে হারিয়ে বিএনপির আলি আসগার (লবি) বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। আলী আসগার ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৮৫৪ ভোট পেয়েছেন।

দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মিয়া গোলাম পরওয়ার পেয়েছেন ১ লাখ ৪৬ হাজার ২৪৬ ভোট। রাতে রিটার্নিং কর্মকর্তা আ স ম জামশেদ খোন্দকার এই ফলাফল ঘোষণা করেন।

সিলেট-৪ (কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইনঘাট ও জৈন্তাপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৮৬ হাজার ৮৪৬ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. জয়নাল আবেদীন পেয়েছেন ৭১ হাজার ৩৯১ ভোট। রাতে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম বেসরকারিভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

মুন্সিগঞ্জ-১ (শ্রীনগর এবং সিরাজদিখান) আসেন ১ লাখ ৬৭ হাজার ৫৬২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী ও সিরাজদিখান উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো.আব্দুল্লাহ। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এ কে এম ফখরুদ্দিন রাজী পেয়েছেন ১ লাখ ১ হাজার ৫৬৮ ভোট।

মুন্সিগঞ্জ-২

মুন্সিগঞ্জ-২ (টঙ্গিবাড়ী-লৌহজং) আসনে ১ লাখ ২৪ হাজার ১৫৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব আব্দুস সালাম আজাদ। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির প্রার্থী মাজেদুল ইসলাম পেয়েছেন ৫৮ হাজার ৫৭৩ ভোট।

মুন্সিগঞ্জ-৩

মুন্সিগঞ্জ-৩ (সদর ও গজারিয়া) বিএনপির প্রার্থী মো.কামরুজ্জামান ১ লাখ ২৪ হাজার ৬৯১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দলটির বিদ্রোহী মো.মহিউদ্দিন পেয়েছেন ৮৮ হাজার ৯৩৬ ভোট।

কুড়িগ্রাম-৩  (উলিপুরা) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাহবুবুল আলম সালেহী ১ লাখ ৬ হাজার ৯২৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী আক্কাছ আলী সরকার পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৩৮০ ভোট।

খুলনা-৪ আসনে বিএনপির এস কে আজিজুল বারী হেলাল ১ লাখ ২৩ হাজার ১৬২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খেলাফত মজলিসের এস এম সাখাওয়াত হোসাইন পেয়েছেন ১ লাখ ৯ হাজার ৫৩০ ভোট।

বগুড়া-১ আসনে বিএনপির কাজী রফিকুল ইসলাম ১ লাখ ৭১ হাজার ৪৪০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. শাহাবুদ্দিন পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৯৫৯ ভোট।

বগুড়া-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী মীর শাহে আলম ১ লাখ ৪৫ হাজার ২৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আবুল আজাদ মোহাম্মদ শাহাদুজ্জামান পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৫৪৮ ভোট।

বগুড়া-৩ আসনে বিএনপির আবদুল মহিত তালুকদার ১ লাখ ২৭ হাজার ৪০৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর নূর মোহাম্মদ আবু তাহের পেয়েছেন ১ লাখ ১১ হাজার ২৬ ভোট।

বগুড়া-৫ আসনে বিএনপির গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ ২ লাখ ৪৮ হাজার ৮৪৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর দবিবুর রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ৪৩ হাজার ৩২৯ ভোট।

বগুড়া-৬ আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ১৫০টি কেন্দ্রের ফলাফলে তারেক রহমান পেয়েছেন ২ লাখ ১৬ হাজার ২৮৪ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবিদুর রহমান সোহেল দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৯৭ হাজার ৬২৬ ভোট পেয়েছেন।

মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ) আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী ১ লাখ ৭০ হাজার ৮৭৭ ভোট পেয়ে বেসকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের শেখ নূরে আলম সিদ্দিকী পেয়েছেন ৫০ হাজার ২০৪ ভোট।

হ‌বিগঞ্জ-৩ (সদর, লাখাই ও শায়েস্তাগঞ্জে) আস‌নে বিএন‌পির প্রার্থী জি কে গউছ ১ লাখ ৪২ হাজার ৪৫৬ ভোটর পেয়ে বেসরকা‌রি ফলাফ‌লে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী কাজী মহসিন আহমদ পেয়েছেন ৪৫ হাজার ৫৬৮ ভোট।

সুনামগঞ্জ -৫ (ছাতক ও দোয়ারাবাজার) আসনে বিএনপির কলিম উদ্দিন আহমদ ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৫১ হাজার ৯১৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আব্দুস সালাম আল মাদানী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন এক লাখ ২ হাজার ১২১ ভোট।

খুলনা-১ (বটিয়াঘাটা ও দাকোপ) আসনে বিএনপির প্রার্থী আমীর এজাজ খান বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। আসনটির ১২০ কেন্দ্রে তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ২১ হাজার ৩৫২ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৭০ হাজার ৩৪৬ ভোট পেয়েছেন।

খুলনা-৬ আসন

খুলনা-৬ (কয়রা-পাইকগাছা) আসনে ১ লাখ ৫০ হাজার ৭২৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এস এম মনিরুল হাসান ১ লাখ ২৪ হাজার ৭১০ ভোট পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে রিটার্নিং কর্মকর্তা আ স ম জামশেদ খোন্দকার এই ফলাফল ঘোষণা করেন।

পিরোজপুর–২ (ভাণ্ডারিয়া–কাউখালী–নেছারাবাদ) আসনে বিএনপির প্রার্থী আহম্মদ সোহেল মনজুর বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। এই আসনের ১৬৭টি ভোটকেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতীকে তিনি ১ লাখ ৫ হাজার ১৮৫ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর শামীম সাঈদী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৯৬ হাজার ৮৯৭ ভোট। রিটার্নিং কর্মকর্তা ও পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ বেসরকারি এই ফল ঘোষণা করেন।

ঠাকুরগাঁও-১ (সদর) আসনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮৩৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন পেয়েছেন ১ লাখ ৪১ হাজার ১৭ ভোট।

ঠাকুরগাঁও -২ (বালিয়াডাঙ্গী, হরিপুর এবং রাণীশংকৈলের একাংশ) আসনে বিএনপির প্রার্থী আব্দুস সালাম ১ লাখ ২১ হাজার ১৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী আব্দুল হাকিম পেয়েছেন ১ লাখ ১৫ হাজার ৭০৭ ভোট।

ঠাকুরগাঁও -৩ (পীরগঞ্জ ও রাণীশংকৈলের একাংশ) আসনে বিএনপির প্রার্থী জাহিদুর রহমান ১ লাখ ৩২ হাজার ৭৯৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মিজানুর রহমান পেয়েছেন ৯১ হাজার ৯৩৪ ভোট।

বিএনপির প্রার্থী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন পেয়েছেন ২ লাখ ৩ হাজার ৮৮৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। আর তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে আনোয়ারুল ইসলাম এক লাখ ৮৮ হাজার ৭১৯ ভোট পেয়েছেন।

ঢাকা-৮ আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ। তিনি তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে ৫ হাজারের বেশি ভোটে হারিয়েছেন।

ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার (রিটার্নিং কর্মকর্তা) শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী শুক্রবার ভোর রাত পৌনে চারটায় ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার (রিটার্নিং কর্মকর্তা) শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী এ ফল ঘোষণা করেন।

শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী জানান, এই আসনের ১০৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ১০৮টিতে সরাসরি ভোট গ্রহণ হয়। এতে বিএনপির মির্জা আব্বাস ৫৬ হাজার ৫৫২ ভোট পান। এর সঙ্গে তিনি ২ হাজার ৮১৪টি পোস্টাল ভোট পেয়েছেন। তাতে মোট ভোট পড়ে ৫৯ হাজার ৩৬৬।

অন্যদিকে, ঢাকা-৮ আসনে এনসিপির মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী ১০৮টি কেন্দ্রে পেয়েছেন ৫১ হাজার ৫৭২ ভোট। এর সঙ্গে তিনি পোস্টাল ভোট পেয়েছেন ২ হাজার ৫৫৫টি। তাতে তাঁর পক্ষে মোট ভোট পড়ে ৫৪ হাজার ১২৭টি।

অর্থাৎ বিএনপি প্রার্থী মির্জা আব্বাস ৫ হাজার ২৩৯ ভোটের ব্যবধানী জয়ী হয়েছেন।

গাজীপুর-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী এস এম রফিকুল ইসলাম ১ লাখ ৬১ হাজার ২৫৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মুহাম্মদ এহসানুল হক পেয়েছেন ৯৯ হাজার ৩৫৪ ভোট।

গাজীপুর-৪ আসনে জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী সালাহউদ্দীন আইয়ুবী ৯৬ হাজার ৯১১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শাহ্ রিয়াজুল হান্নান পেয়েছেন ৮৭ হাজার ৫০৫ ভোট।

সিরাজগঞ্জ–১ আসনে বিএনপির প্রার্থী সেলিম রেজা ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ১৫ হাজার ১৩২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা শাহীনুর আলম পেয়েছেন ১ লাখ ৬ হাজার ৭৩২ ভোট।

হবিগঞ্জ–১ আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএন‌পির প্রার্থী রেজা কিবরিয়া। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ১১ হাজার ৯৯৯ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলা‌দেশ খেলাফত মজ‌লিস প্রার্থী মাওলানা মো. সিরাজুল ইসলাম পেয়েছেন ৫৬ হাজার ১৩২ ভোট।

হ‌বিগঞ্জ–২ আস‌নে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএন‌পির প্রার্থী আবু মনসুর সাখাওয়াত হাসান। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ২৬ হাজার ৫৮৩ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খেলাফত মজ‌লিসের প্রার্থী মাওলানা আবদুল বাছিত আজাদ পে‌য়ে‌ছেন ৬৫ হাজার ৭৬২ ভোট।

হবিগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী জি কে গউছ ১ লাখ ৪২ হাজার ৪৫৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী কাজী মহসিন আহমদ পেয়েছেন ৪৫ হাজার ৫৬৮ ভোট।

হবিগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী এস এম ফয়সল ১ লাখ ৮৮ হাজার ৭২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামিক ফ্রন্টের প্রার্থী মাওলানা গিয়াস উদ্দিন তাহেরী পেয়েছেন ৮৪ হাজার ৩২৩‌ ভোট।

ঢাকা-১৭ আসনের প্রাথমিক ফলাফলে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এই আসনে তারেক রহমান ৭২ হাজার ৬৯৯ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী স ম খালিদুজ্জামান পেয়েছেন ৬৮ হাজার ৩০০ ভোট।

শুক্রবার ভোর চারটায় ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার (রিটার্নিং কর্মকর্তা) শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী এ ফলাফল ঘোষণা করেন। তিনি জানান, ঢাকা-১৭ আসনে পোস্টাল ভোটসহ ১২৫টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ হয়। সব মিলিয়ে এই আসনে তারেক রহমান তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে ৪ হাজার ৩৯৯ ভোটের ব্যবধানী জয়ী হয়েছেন।

ফেনী-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী মুন্সি রফিকুল আলম ওরফে মজনু ১ লাখ ১৯ হাজার ৯০৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর এস এম কামাল উদ্দিন পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৬১৫ ভোট।

সিলেট-১ (নগর ও সদর) আসনে চূড়ান্ত বেসরকারি ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে। ধানের শীষ প্রতীকে তি‌নি পেয়েছেন ১ লাখ ৭৬ হাজার ৯৩৬ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা হাবিবুর রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ৩৪ হাজার ৯৮৩ ভোট।

সিলেট-৫ (জ‌কিগঞ্জ ও কানাইঘাট) আসনের চূড়ান্ত বেসরকারি ফলাফলে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য মনোনীত খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মোহাম্মদ আবুল হাসান নির্বাচিত হয়েছেন। তি‌নি দেওয়াল ঘড়ি প্রতীকে পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৩৫৫ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত জ‌মিয়তে উলামায়ে ইস‌লাম বাংলাদেশের প্রার্থী উবায়দুল্লাহ ফারুক পেয়েছেন ৬৯ হাজা‌র ৭৭৪ ভোট।

মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা এবং জুড়ী) আসনে বিএনপির প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমেদ বেসরকারি ফলাফলে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি আসনের ১১৪টি ভোটকেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতীকে ৯৮ হাজার ২৮২ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৮৩ হাজার ১৩ ভোট পেয়েছেন।

আসনটিতে হ্যাঁ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৪৬৯টি। না ভোটের সংখ্যা ৭৯ হাজার ৫২৭টি।

চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ) আসনে প্রাথমিক ফলাফলে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী জসীম উদ্দীন আহমেদ। তিনি ৭৬ হাজার ৪৯৩ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির ওমর ফারুক। তিনি পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৪৬৭ ভোট।

আজ রাত ২ টার দিকে এ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সই করা চূড়ান্ত বার্তা থেকে এ তথ্য জানা গেছে৷

চট্টগ্রাম-১৪ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ১৩ হাজার ৫১৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ৬৫ হাজার ৮৪৭ জন, নারী ১ লাখ ৪৭ হাজার ৬৬৫ জন এবং হিজড়া ১ জন। আসনের ১০০টি ভোট কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন তাঁরা।

রাঙামাটি আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী দীপেন দেওয়ান। তিনি ভোট পেয়েছেন ২ লাখ ১ হাজার ৫৪৪। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমা পেয়েছেন ৩১ হাজার ২২২ ভোট। রাত আড়াইটায় জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে প্রাথমিক ফলাফল সংগ্রহ ও পরিবেশন কেন্দ্রে এই ফল ঘোষণা করেন জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী ।

রাঙামাটি সংসদীয় আসনে ভোট কেন্দ্র ২১৩টি। পোষ্টাল ভোট কেন্দ্র ১টিসহ মোট ২১৪টি ভোটকেন্দ্র। ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৯ হাজার ২৬৭ জন। মোট প্রার্থী ৭ জন।

বরগুনা-১ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন অলি উল্লাহ বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন এক লাখ ৩৮ হাজার ৫১০ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মোল্লা পেয়েছেন এক লাখ ৩৪ হাজার ৩৩৭ ভোট।

বরগুনা-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী নূরুল ইসলাম মণি ৮৯ হাজার ৪২৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী সুলতান আহমদ পেয়েছেন ৮৩ হাজার ১৫ ভোট।

মৌলভীবাজার-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. শওকতুল ইসলাম ৮৮ হাজার ৩৮১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মো. সায়েদ আলী পেয়েছেন ৫৩৪৫৮ ভোট।

জামালপুর-১ আসনে বিএনপির এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত ১ লাখ ৭২ হাজার ১১৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মো.নাজমুল হক পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৬৬১ ২ ভোট।

জামালপুর-২ আসনে বিএনপির সুলতান মাহমুদ (বাবু) ৯৫ হাজার ৩৭৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর ছামিউল হক ফারুকি পেয়েছেন ৬১ হাজার ৬৫৫ ভোট।

জামালপুর-৩ আসনে বিএনপির মো.মোস্তাফিজুর রহমান (বাবুল) ২ লাখ ৬ হাজার ২১৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মো.মজিবুর রহমান পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৬০৭ ভোট।

জামালপুর-৪ আসনে বিএনপির মো.ফরিদুল কবীর তালুকদার ১ লাখ ৪৬ হাজার ৫৪৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ আব্দুল আওয়াল পেয়েছেন ৪৪ হাজার ১৬১ ভোট।

জামালপুর-৫ আসনে বিএনপির শাহ্ মো.ওয়ারেছ আলী (মামুন) ১ লাখ ৯৮ হাজার ২৯২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ আব্দুস সাত্তার পেয়েছেন ১ লাখ ১১ হাজার ৬৯৫ ভোট।

ফেনী-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী জয়নাল আবদীন ১ লাখ ৩১ হাজার ২১০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এবি পার্টির মোহাম্মদ মজিবুর রহমান ভূঁইয়া ওরফে মঞ্জু পেয়েছেন ৮০ হাজার ৫৮ ভোট।

চাঁদপুর -১ আসনে বিএনপির আ ন ম এহসানুল হক মিলন ১ লাখ ৩৩ হাজার ৩২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর আবু নসর মো. মকবুল আহমদ পেয়েছেন ৭০ হাজার ৩৬৮ ভোট।

চাঁদপুর -২ আসনে বিএনপির মো. জালাল উদ্দিন ১ লাখ ৭২ হাজার ৫০৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এলডিপির মো. বিল্লাল হোসেন পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৪০৬ ভোট।

চাঁদপুর -৩ আসনে বিএনপির শেখ ফরিদ আহমেদ ১ লাখ ৬৫ হাজার ৪০৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মো. শাহজাহান মিয়া পেয়েছেন ১ লাখ ৮৬৫ ভোট।

চাঁদপুর -৫ আসনে ১ লাখ ২৩ হাজার ৭৮৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির মো. মমিনুল হক। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এলডিপির মো. নেয়ামুল বশির পেয়েছেন ৫০ হাজার ৫৮৫।

এ দিকে, চাঁদপুর -৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল হান্নান ৭৩ হাজার ৫৯৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো.হারুনুর রশিদ পেয়েছেন ৬৭ হাজার ৮৩৩।

রাঙামাটি আসনে বিএনপির প্রার্থী দীপেন দেওয়ান ২ লাখ ১ হাজার ৫৪৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমা পেয়েছেন ৩১ হাজার ২২২ ভোট।

নড়াইল-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী বিশ্বাস জাহাঙ্গীর ৯৯ হাজার ৯৭৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের ওবায়দুল্লাহ পেয়েছেন ৭৫ হাজার ২২৫ ভোট।

নড়াইল-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর আতাউর রহমান ১ লাখ ১৮ হাজার ১৪২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মনিরুল ইসলাম পেয়েছেন ৭৮ হাজার ৪৫৭ ভোট।

কুড়িগ্রাম-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আতিকুর রহমান ১ লাখ ৭৮ হাজার ৮৬৯টি ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ পেয়েছেন ১ লাখ ৭০ হাজার ৩৩৫ ভোট।

কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনে ১ লাখ ২৪ হাজার ৬৬০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী হামিদুর রহমান আজাদ পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৮১৭ ভোট। দুজনের ভোটের ব্যবধান ৩৪ হাজার ৮৪৩ ভোট।

আজ রাতে মহেশখালী ও কুতুবদিয়া উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা স্ব স্ব উপজেলা কার্যালয়ে এ ফলাফল ঘোষণা করেন। এ আসনে মোট ভোটকেন্দ্র আছে ১২৪টি। ভোটার রয়েছেন তিন লাখ ৮৩ হাজার ৬৪১ জন। ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন দুই লাখ ২৯ হাজার ৬২৪ জন ভোটার।

বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে বিএনপির প্রার্থী হয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। অন্য দিকে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আজাদ ২০০৮ সালে বিএনপি-জামায়াত জোটের প্রার্থী হিসেবে অংশ নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনে ১ লাখ ৫৬ হাজার ৩৫৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া (দিপু)। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী আনোয়ার হোসেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৯১ হাজার ৬৯০ ভোট পেয়েছেন।

আসনটির ১৩০টি কেন্দ্রে মোট ভোটার ৪ লাখ ৮ হাজার ৮২৯ জন। এর মধ্যে ৬৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) আসনের বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির নজরুল ইসলাম (আজাদ)। আসনের ১১৯টি কেন্দ্রে তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ২৫ হাজার ৬৩ ভোট পেয়েছেন। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ইলিয়াস মোল্লা পেয়েছেন ৮২ হাজার ৯৮৭ ভোট। আসনটির মোট ভোটার ৩ লাখ ৬৪ হাজার ৯৮ জন। ভোট পড়েছে ৬৫ শতাংশ।

নারায়ণগঞ্জ-৫ (শহর-বন্দর) আসনে বিএনপির প্রার্থী আবুল কালাম বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ১৪ হাজার ৭৯৯ ভোট পেয়েছেন। আসনটিতে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য মনোনীত খেলাফত মজলিসের প্রার্থী এ বি এম সিরাজুল মামুন পেয়েছেন ১ লাখ ১ হাজার ১৯৬ ভোট। আসনটির ১৬৪ কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ৫৬ দশমিক ৫১ শতাংশ।

গাইবান্ধা-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মাজেদুর রহমান ১ লাখ ৪০ হাজার ৭২৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির জিয়াউল ইসলাম পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৯৯৭ ভোট।

গাইবান্ধা-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মো. আবদুল করিম ১ লাখ ২২ হাজার ৬৩০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আনিসুজ্জামান খান পেয়েছেন ৯২ হাজার ৮৯০ ভোট।

গাইবান্ধা-৩ আসনে জামায়াতের ইসলামীর মাওলানা নজরুল ইসলাম ১ লাখ ৬২ হাজার ৪৫৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি'র মইনুল হাসান সাদিক পেয়েছেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৮৬৪ ভোট।

গাইবান্ধা-৫ আসনে ৮৯ হাজার ২৭৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল ওয়ারেছ। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ফারুক আলম সরকার পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৪৮৩ ভোট।

এদিকে গাইবান্ধা-৪ আসনে বিএনপির শামীম কায়সার ১ লাখ ৪২ হাজার ৭৭২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আবদুর রহিম পেয়েছেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৭৩৮ ভোট।

রাজশাহী-২ আসনে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মো. মিজানুর রহমান মিনু ১ লাখ ২৮ হাজার ৫৪৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর পেয়েছেন ১ লাখ ৩৭০ ভোট।

রাজশাহী-৩ আসনে ১ লাখ ৭৬ হাজার ৩১৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ পেয়েছেন ১ লাখ ৩৭ হাজার ৯২৭ ভোট।

রাজশাহী-৫ আসনে জেলা বিএনপির সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম ১ লাখ ৫৩ হাজার ৪২৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মনজুর রহমান ৭৩ হাজার ৪৪৫ ভোট পেয়েছেন।

রাজশাহী-৬ আসনে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. আবু সাইদ চাঁদ ১ লাখ ৪৮ হাজার ৬৭২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী নাজমুল হক ৯২ হাজার ৯৬৫ ভোট পেয়েছেন।

এদিকে, রাজশাহী-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মো. মুজিবুর রহমান বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭১ হাজার ৭৮৬ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মো. শরীফ উদ্দীন পেয়েছেন ১ লাখ ৬৯ হাজার ৯০২ ভোট।

রাজশাহী-৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আব্দুল বারী সরদার ১ লাখ ১৫ হাজার ২২৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী ডিএমডি জিয়াউর রহমান ১ লাখ ৯ হাজার ৪৬১ ভোট পেয়েছেন।

বিএনপির প্রার্থী দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন ১ লাখ ৯০ হাজার ৯৭৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির প্রার্থী দিলশানা পারুল পেয়েছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ২৮৩ ভোট।

নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে বেসরকারিভাবে বড় জয় পেয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৫৫ হাজার ৪২১ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের শুরা সদস্য আনোয়ার হোসেন পেয়েছেন মোল্লা পেয়েছেন ৯০ হাজার ২৮৯ ভোট।

মানিকগঞ্জ-১ (ঘিওর, দৌলতপুর ও শিবালয়) আসনে বিএনপির প্রার্থী এস এ জিন্নাহ কবীর ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৭৭৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছে।

তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মো. তোজাম্মেল হক ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৭৭ হাজার ৮১৮ ভোট।

মানিকগঞ্জ-২ (সিঙ্গাইর, হরিরামপুর ও সদরের দুটি ইউনিউন) আসনে বিএনপির প্রার্থী মঈনুল ইসলাম খান শান্ত ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৭৫ হাজার ৭৭৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছে। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. সালাহ উদ্দিন দেওয়াল ঘড়ি প্রতীকে পেয়েছেন ৮১ হাজার ৫৩১ ভোট।

মানিকগগঞ্জ-৩ (সাটুরিয়া, মানিকগঞ্জ পৌর ও জেলা সদরের ৮ ইউনিয়ন) আসনে বিএনপির প্রার্থী আফরোজা খানম ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৬৭ হাজার ৩৪৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছে। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মুহাম্মদ সাইদ নূর (রিকশা) পেয়েছেন ৬৪ হাজার ২৪২ ভোট।

চুয়াডাঙ্গা–১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মো. মাসুদ পারভেজ ২ লাখ ১১ হাজার ৪১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মো. শরীফুজ্জামান ১ লাখ ৫৩ হাজার ১৯৩ ভোট পেয়েছেন।

চুয়াডাঙ্গা–২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মো. রুহুর আমিন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ২ লাখ ৮ হাজার ১১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মাহমুদ হাসান খান ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৬৩ হাজার ৮৭৭ ভোট পেয়েছেন। এই আসনে মোট ভোট পড়েছে ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৪৪৭টি। যা মোট ভোটের ৭৮ দশমিক ২৭ শতাংশ।

ঢাকা-১১ আসনের প্রাথমিক ফলাফলে জয়ী হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাহিদ ইসলাম। এই আসন থেকে শাপলা কলি প্রতীকে তিনি মোট ৯৩ হাজার ৮৭২ ভোট পেয়েছেন৷

নাহিদ ইসলামের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী এম এ কাইয়ুম পেয়েছেন ৯১ হাজার ৮৩৩ ভোট। নাহিদ ইসলাম ২ হাজার ৩৯ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।

আজ শুক্রবার সকাল পৌনে সাতটার দিকে ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার (রিটার্নিং কর্মকর্তা) শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী এ ফল ঘোষণা করে জানান, ঢাকা-১১ আসনে পোস্টাল ভোটসহ ১৬৩টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ হয়। ভোটের হার ছিল ৪৫ শতাংশ।

ঢাকা-১১ আসনে মোট ভোটার ছিলেন ৪ লাখ ৩৯ হাজার ৭৫ জন। এর মধ্যে ভোট দিয়েছেন ১ লাখ ৯৬ হাজার ৩৭০ জন। ভোট বাতিল হয়েছে ৩ হাজার ৫১৭টি। সে হিসেবে বৈধ ভোট ছিল ১ লাখ ৯২ হাজার ৮৫৩টি।

এ আসনে অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী শেখ ফজলে বারী মাসউদ হাত পাখা প্রতীকে ৪ হাজার ৩৭৫ ভোট, লাঙ্গল প্রতীকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী শামীম আহমেদ ১ হাজার ৪৮ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী কহিনূর আক্তর ফুটবল প্রতীক নিয়ে ৭৯৪ ভোট পেয়েছেন।

ঢাকা-১৩ আসনের ফলাফলে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী ববি হাজ্জাজ বিজয়ী হয়েছেন।

নির্বাচন কমিশনের ফলাফল সংগ্রহ ও পরিবেশন কেন্দ্র থেকে ঢাকা-১৩ আসনের ফলাফলে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী ববি হাজ্জাজকে জয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। ববি হাজ্জাজ ২ হাজার ৩২০ ভোট বেশি পেয়েছেন ১১ দলের প্রার্থী মামুনুল হকের চেয়ে।

ববি হাজ্জাজ মোট ভোট পেয়েছেন ৮৮ হাজার ৩৮৭ টি। অন্যদিকে মামুনুল হক পেয়েছেন ৮৬ হাজার ৬৭টি।

যশোর-১ (শার্শা) আসনে জামায়াতের প্রার্থী মোহাম্মদ আজীজুর রহমান ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ১৯ হাজার ৯৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী নুরুজ্জামান লিটন পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৫৪২ ভোট।

যশোর-২ (ঝিকরগাছা- চৌগাছা) আসনে জামায়াতের প্রার্থী মোসলেহউদ্দিন ফরিদ বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৮০ হাজার ৯৬৫ ভোট পেয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিএনপির প্রার্থী সাবিরা সুলতানা ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৪৬ হাজার ৬৪৭ ভোট পেয়েছেন।

যশোর-৩ (সদর) আসনে বিএনপির প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ২ লাখ ১ হাজার ৩৩৯ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর আব্দুল কাদের পেয়েছেন ১ লাখ ৮৭ হাজার ৪৬৩ ভোট।

যশোর-৫ (মনিরামপুর) আসনে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী গাজী এনামুল হক। তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৩২ হাজার ৮৭৬ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী শহীদ ইকবাল হোসেন কলস প্রতীকে ৮৫ হাজার ৪৫ ভোট পেয়েছেন।

যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে বিজয়ী জামায়াতে ইসলামীর মো. মোক্তার আলী। ভোট পেয়েছে ৯১ হাজার ১৮। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আবুল হোসেন আজাদ ৭৯ হাজার ৩২১ ভোট পেয়েছেন।

সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী মো. ইজ্জত উল্লাহ। তিনি ১৬৯টি কেন্দ্রে ১ লাখ ৯৩ হাজার ৭৭২ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা হাবিবুল ইসলাম হাবিব (ধানের শীষ) পেয়েছেন ১ লাখ ৬৯ হাজার ৯৯৫ ভোট।

এ আসনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ২ লাখ ২৮ হাজার ৪০৪টি এবং 'না' ভোট ১ লাখ ২১ হাজার ২৫৬টি। এই আসনে মোট ভোট পড়েছে ৭৫ দশমিক ৬৪ শতাংশ।

সাতক্ষীরা-২ (সদর-দেবহাটা) আসনে বড় ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী আব্দুল খালেক। তিনি ১৮১টি কেন্দ্রে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ২ লাখ ৬৬ হাজার ৯৫৯ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মো. আব্দুর রউফ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ১৬ হাজার ২২৯ ভোট।

এ আসনে গণভোটে 'হ্যাঁ' ভোট পড়েছে ২ লাখ ৯২ হাজার ৮২৮টি এবং 'না' ভোট ৮৬ হাজার ৬১৯টি। মোট ভোট পড়েছে ৭৩ দশমিক ৭৯ শতাংশ।

সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি-কালীগঞ্জ) আসনে জয় পেয়েছেন জামায়াতের মুহা. রবিউল বাসার। ১৬৬টি কেন্দ্রে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৮৪ হাজার ২৩৩ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী শহিদুল আলম (ফুটবল প্রতীক) পেয়েছেন ১ লাখ ৫ হাজার ৩৮৯ ভোট। আসনটিত বিএনপির প্রার্থী কাজী আলাউদ্দিন ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৮১৯ ভোট।

এ আসনে গণভোটে 'হ্যাঁ' ভোট পড়েছে ২ লাখ ৩২ হাজার ৯২৫টি এবং 'না' ভোট ১ লাখ ৪ হাজার ৮৮৩টি। মোট ভোট পড়েছে ৭০ দশমিক ৯৯ শতাংশ।

সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর) আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী গাজী নজরুল ইসলাম। ৯৭টি কেন্দ্রে তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৬ হাজার ৯১৩ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. মনিরুজ্জামান পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৪২৬ ভোট।

এ আসনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ২৯ হাজার ৭৪১টি এবং 'না' ভোট ৬০ হাজার ৭৭৯টি। মোট ভোট পড়েছে ৬৭ দশমিক ৭৬ শতাংশ।

ঢাকা-১৫ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয় পেয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির মো. শফিকুর রহমান। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থির চেয়ে ২১ হাজার ৬১৪ ভোট বেশি পেয়েছেন তিনি।

আজ শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) ভোরে নির্বাচন কমিশনের ফলাফল সংগ্রহ ও পরিবেশন কেন্দ্র থেকে এ ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

জামায়াতের আমির মোট ভোট পেয়েছেন ৮৫ হাজার ১৩১টি। তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মো. শফিকুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৬৩ হাজার ৫১৭ ভোট।

বৃহস্পিতবার সন্ধ্যার পর থেকে জামায়াতের পক্ষ থেকে ঢাকা-১৫ আসনের নির্বাচন ফলাফল নিয়ে কারসাজির অভিযোগ তোলা হয়। ঢাকার অন্য আসনের ফলাফল নির্বাচন কমিশনে আসলেও দীর্ঘ সময় আটকে ছিল এ আসনের ফল ঘোষণা।

শরীয়তপুর-১ আসন: ১৩৯টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলে ধানের শীষ প্রতীকের সাঈদ আহমেদ পেয়েছেন ৭৭ হাজার ৩৯৮ ভোট। খেলাফতে মজলিসের রিকশা প্রতীকের প্রার্থী জালালুদ্দীন আহমদ পেয়েছেন ৬২ হাজার ৭১৭ ভোট। ধানের শীষের প্রার্থী- ১৪ হাজার ৬৮১ ভোটে জয়ী।

শরীয়তপুর-২ আসন: ১৩৬টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফল। ধানের শীষ প্রতীকের সফিকুর রহমান কিরন পেয়েছেন ১ লাখ ২৯ হাজার ৮১৪। জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মাহমুদ হোসেন পেয়েছেন ৭০ হাজার ৮৯২ ভোট। ধানের শীষ প্রার্থী ৫৮ হাজার ৯২২ ভোটে বেসরকারিভাবে বিজয়ী।

ভোলা-১ (সদর) : বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিএনপি জোটের প্রার্থী গরুর গাড়ী প্রতীকে আন্দালিব রহমান পার্থ পেয়েছেন ১ লাখ ৫ হাজার ৫৪৩ ভোট। তাঁর নিটকতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৩৩৭ ভোট।

ভোলা-২ (দৌলতখান বোরহানউদ্দিন): বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী হাফিজ ইব্রাহিম পেয়েছেন ১ লাখ ১৯ হাজার ৮৫ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মাওলানা মুফতি ফজলুল করিম পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৭০৩ ভোট।

ভোলা-৩ (লালমোহন-তজুমদ্দিন) : ধানের শীষের প্রার্থী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব:) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম পেয়েছেন ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯৯০ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির ও জামায়াতে ইসলামী জোটের প্রার্থী মুহা. নিজামুল হক ফুলকপি প্রতীকে পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৩৫১ ভোট।

ভোলা-৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা): বিএনপি ধানের শীষের প্রার্থী ও যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ৮৯ হাজার ৩৫১টি। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোস্তফা কামাল ভোট পেয়েছেন ৮১ হাজার ৪৩৭ ভোট।

ঝালকাঠি-২ (ঝালকাঠি সদর-নলছিটি) আসনের ১৪৭ কেন্দ্রে পোস্টাল ভোটসহ বিএনপি জোটের প্রার্থী ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো ধানের শীষ প্রতীক পেয়েছেন ১ লাখ ১৩ হাজার ১০০ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী এস এম নেয়ামুল করিম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৮০৫ ভোট।

রংপুর-১ আসন: দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মোহাম্মদ রায়হান সিরাজী পেয়েছেন ১ লাখ ৪৭ হাজার ২৪৫ ভোট ধানের শীষ প্রতীকে মোকাররম হোসেন সুজন পেয়েছেন ৬৯ হাজার ১৩১ ভোট

বিএনপির জোটে প্রার্থী ও বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থীকে হারিয়ে ঢাকা-১২ আসনে জিতেছেন জামায়াতের প্রার্থী মো. সাইফুল আলম। এ আসনে তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে তিনি মোট ৫৩ হাজার ৭৭৩ ভোট পেয়েছেন।

সাইফুল আলমের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির কোদাল প্রতীকের প্রার্থী সাইফুল হক। তিনি বিএনপি জোটের প্রার্থী। তিনি পেয়েছেন ৩০ হাজার ৯৬৩ ভোট।

তৃতীয় অবস্থানে থাকা ফুটবল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব পেয়েছেন ২৯ হাজার ৮৬৯ ভোট। তিনি ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ছিলেন। বিএনপি থেকে মনোনয়ন না পেয়ে তিনি স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচন করেছেন।

জামায়াতের প্রার্থী মো. সাইফুল আলম বিএনপি জোট প্রার্থীর চেয়ে ২২ হাজার ৮১০ ভোট ও স্বতন্ত্র সাইফুল আলমের চেয়ে ২৩ হাজার ৯০৪ ভোট বেশি পেয়েছেন। অবশ্য সাইফুল হক ও সাইফুল আলমের (স্বতন্ত্র) যৌথ ভোট জামায়াত প্রার্থীর চেয়ে বেশি, ৬০ হাজার ৮৩২টি।

আজ শুক্রবার সকাল সোয়া আটটার দিকে ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার (রিটার্নিং কর্মকর্তা) শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী এ ফল ঘোষণা করেন।

শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী জানান, ঢাকা-৯ আসনে পোস্টাল ভোটসহ ১৩১টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ হয়। ভোটের হার ছিল ৩৭ শতাংশ।

ঢাকা-১২ আসনে মোট ভোটার ছিলেন ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৩১৮ জন। এর মধ্যে ভোট দিয়েছেন ১ লাখ ২৪ হাজার ৭১২ জন। ভোট বাতিল হয়েছে ২ হাজার ৪৪৪টি। বৈধ ভোট ছিল ১ লাখ ২২ হাজার ২৬৮টি।

এ আসনে মোট ১৫ জন প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন। অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মাহমুদুল হাসান হাত পাখা প্রতীকে ২ হাজার ৫৮ ভোট, লাঙ্গল প্রতীকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী সরকার মোহাম্মদ সালাউদ্দিন ১ হাজার ৭৭০ ভোট, গণসংহতি আন্দোলনের মাথাল প্রতীকের প্রার্থী তাসলিমা আক্তার ১ হাজার ৫১১ ভোট, আমজনতার দলের প্রজাপতি প্রতীকের তারেক রহমান ১ হাজার ৪৪ ভোট, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির কাস্তে প্রতীকের প্রার্থী কল্লোল বনিক ৪৫৩ ভোট পেয়েছেন।

ঢাকা-১৬ আসনের ভোটে বেসরকারি ফলে জয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আব্দুল বাতেন। তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মো. আমিনুল হকের চেয়ে ৩ হাজার ৩৬১ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন৷

নির্বাচনে আব্দুল বাতেন মোট ৮৮ হাজার ৮২৮ ভোট পেয়েছেন। আর আমিনুল হক পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৪৬৭ ভোট।

আজ শুক্রবার সকাল সোয়া আটটার দিকে ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার (রিটার্নিং কর্মকর্তা) শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী ফলাফল ঘোষণা করে জানান, ঢাকা-১৬ আসনে পোস্টাল ভোটসহ ১৩৮টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ হয়। ভোটের হার ছিল ৪৬ শতাংশ।

ঢাকা-১৬ আসনে মোট ভোটার ছিলেন ৪ লাখ ৪৯৯ জন। এর মধ্যে ভোট দিয়েছেন ১ লাখ ৮৪ হাজার ৫৬৩ জন। ভোট বাতিল হয়েছে ৩ হাজার ৭৬৪টি। সে হিসেবে বৈধ ভোট ছিল ১ লাখ ৮০ হাজার ৭৯৯টি।

এ আসনে মোট ১১ জন প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন। অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. সাইফুল ইসলাম হাত পাখা প্রতীকে ৩ হাজার ৬৭৯ ভোট ও লাঙ্গল প্রতীকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. সুলতান আহম্মেদ সেলিম ১ হাজার ৪৬৪ ভোট পেয়েছেন।

ঢাকা-১০ আসনের ভোটে বেসরকারিভাবে পাওয়া ফলে জয়ী হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী শেখ রবিউল আলম। তিনি নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের ইসলামীর প্রার্থী মো. জসীম উদ্দীন সরকারের তুলনায় ৩ হাজার ৩০০ ভোট বেশি পেয়েছেন।

নির্বাচনে শেখ রবিউল আলম মোট ৮০ হাজার ৪৩৬ ভোট পেয়েছেন। আর জসিম উদ্দীন পেয়েছেন ৭৭ হাজার ১৩৬ ভোট।

আজ শুক্রবার সকাল সোয়া নয়টায় দিকে ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার (রিটার্নিং কর্মকর্তা) শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী এ ফল ঘোষণা করেন।

শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী জানান, ঢাকা-১০ আসনে পোস্টাল ভোটসহ ১৩৭টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ হয়। ভোটের হার ছিল ৪৩ শতাংশ।

ঢাকা-১০ আসনে মোট ভোটার ছিলেন ৩ লাখ ৮৮ হাজার ৬৫৪ জন। এর মধ্যে ভোট দিয়েছেন ১ লাখ ৬৮ হাজার ৬৫১ জন। ভোট বাতিল হয়েছে ২ হাজার ৬৮৪টি। সে হিসেবে বৈধ ভোট ছিল ১ লাখ ৬৫ হাজার ৯৬৭টি।

এ আসনে মোট ১০ জন প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন। অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. আ. আউয়াল হাতপাখা প্রতীকে ৩ হাজার ৪৪৬ ভোট, লাঙ্গল প্রতীকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী বহ্নি বেপারি ১ হাজার ৫৮০ ভোট, এবিপার্টির ঈগল প্রতিকের প্রার্থী নাসরীন সুলতানা ১ হাজার ৫০৫ ভোট, জনতার দলের কলম প্রতীকের প্রার্থী মো. জাকির হোসেন ১ হাজার ৫৯ ভোট পেয়েছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির সুস্পষ্ট বিজয়ের জন্য দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।আজ শুক্রবার সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে নরেন্দ্র মোদি তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এই অভিনন্দন জানান। মোদি তাঁর পোস্টে তারেক রহমান ও বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজকে ট্যাগ করে দিয়েছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আজ শুক্রবার সকাল ১০টা ৪০ মিনিট নাগাদ পাওয়া তথ্যে বেসরকারি ফলাফলে বিএনপি ও তার মিত্ররা ১৮২টি আসনে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছে। জামায়াত ও তার মিত্ররা জয়ী ৬৯টি আসনে।

ফেসবুক পোস্টে মোদি বলেন, বাংলাদেশের সংসদীয় নির্বাচনে বিএনপিকে সুস্পষ্ট জয়ে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য তিনি তারেক রহমানকে উষ্ণ অভিনন্দন জানাচ্ছেন। তারেক রহমানের উদ্দেশে মোদি লিখেছেন, ‘এই জয় আপনার নেতৃত্বের প্রতি বাংলাদেশের জনগণের আস্থার পরিচায়ক।’

ভারত একটি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখবে বলে পোস্টে উল্লেখ করেন মোদি।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, ‘আমাদের বহুমুখী সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে এবং আমাদের অভিন্ন উন্নয়ন লক্ষ্য এগিয়ে নিতে আমি আপনার সঙ্গে কাজ করার প্রত্যাশা রাখছি।’

পাবনা-২: বিএনপির সেলিম রেজা হাবিব ২ লাখ ১৩ হাজার ৯৫০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম জামায়াতের দাড়িপাল্লার হেসাব উদ্দিন পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৩৮৭ জন।

পাবনা- ৩: জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী আলি আসগর ১ লাখ ৪৭ হাজার ৪৭৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শেখ তুহিন পেয়েছেন ১ লাখ ৪৪ হাজার ২০৬ ভোট। রাত ৩ টা ১৫ মিনিটে জেলা রিটার্নিং অফিসার জেলা প্রশাসক শাহেদ মোস্তফা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা।

পাবনা-৪: জামায়াতের আবু তালেব মন্ডলকে রাত ৩.২০ মিনিটে আনুষ্ঠানিক বিজয়ী ঘোষণা করেন জেলা প্রশাসক শাহেদ মোস্তফা। তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পান ১ লাখ ৩৭ হাজার ৬৭৫ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিএনপির হাবিবুর রহমান হাবিব পান ১ লাখ ৩৩ হাজার ৮৭৪ ভোট।

পাবনা-৫: বিএনপি প্রার্থী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস ১ লাখ ৮১ হাজার ৯২৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের ইকবাল হুসাইন পেয়েছেন ১ লাখ ৬৪ হাজার ৯৯৪ ভোট। রাত ৪ টা ১৫ মিনিটে জেলা রিটার্নিং অফিসার জেলা প্রশাসক শাহেদ মোস্তফা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন।

ঢাকা-৩ আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ৯৮ হাজার ৭৮৫ ভোট। বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে শাহীনুল ইসলাম ৮২ হাজার ২৩২ ভোট।

পটুয়াখালী-১ (সদর-মির্জাগঞ্জ-দুমকী) আসন, আলতাফ হোসেন চৌধুরী (বিএনপি)- ১ লাখ ৫২ হাজার ৮৭ ভোট, এবি পার্টির আব্দুল ওহাব (ইসলামী জোট- ঈগল) ৪৬ হাজার ৩১০ ভোট।

পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসন: শফিকুল ইসলাম (দাড়িপাল্লা)-১০০৭৫০ ভোট, সহিদুল আলম তালুকদার (বিএনপি)-৭২৬৭৬ ভোট।

পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসন, নুরুল হক নূর (ট্রাক)-৯৭৩২৩ ভোট, হাসান মামুন (বিএনপির স্বতন্ত্র)- ৮১৩৬১ ভোট।

পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসন, এবিএম মোশাররফ হোসেন (বিএনপি)- ১২৪০১৩ ভোট, মোস্তাফিজুর রহমান (হাতপাখা)- ৭০১২৭ ভোট।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় বিএনপি ও দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি। বিবিসির অনলাইন লাইভে প্রকাশিত খবর থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

আসিফ আলী জারদারি বলেন, পাকিস্তান বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে সমর্থন করে এবং বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময় জোরদার করতে নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করার প্রত্যাশা রাখে।

তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে শাহবাজ শরিফ লেখেন, ‘বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচনে বড় ধরনের বিজয় অর্জন করায় আমি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। নির্বাচন সফল করায় বাংলাদেশের জনগণকেও অভিনন্দন জানাই।’

শাহবাজ আরও লেখেন, ‘আমি বাংলাদেশের নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে চাই যেন আমাদের ঐতিহাসিক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয় এবং দক্ষিণ এশিয়া ও এর বাইরে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে আমাদের অভিন্ন লক্ষ্য এগিয়ে নেওয়া যায়।’ বিস্তারিত পড়ুন এখানে

বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী জহির উদ্দিন স্বপন ১ লাখ ৫৫২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী কামরুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৪৬ হাজার ২৬৩ ভোট।

বরিশাল-২ (বানারীপাড়া-উজিরপুর) আসনে ১ লাখ ৪১ হাজার ৬২২ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী সরদার সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর আবদুল মন্নান পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৮২ ভোট।

বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে ৮০ হাজার ৯৩০ ভোট পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থী জয়নুল আবেদীন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী জোটের প্রার্থী আমার বাংলাদেশ পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান ভুইয়া পেয়েছেন ৬১ হাজার ১৯২ ভোট।

বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দীগঞ্জ) বিএনপির প্র‍ার্থী রাজীব আহসান পেয়েছেন ১ লাখ ২৮ হাজার ৩২২ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ আব্দুল জব্বার পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৬৮৪ ভোট।

বরিশাল-৫ (মহানগরী ও সদর) আসনে বিএনপির প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার ১ লাখ ৩৫ হাজার ১৪৬ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির মুফতি ফয়জুল করীম ৯৫ হাজার ৪৪ ভোট পেয়েছেন।

বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) ৮২ হাজার ২১৭ ভোট পেয়েছেন বিএনপির আবুল হোসেন খান।তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাহমুদুন্নবী ৫৫ হাজার ৯৮৮ ভোট পেয়েছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোট পড়ার হার ৫৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ। গতকাল বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট হয়।

আজ শুক্রবার সকালে ফলাফল ঘোষণা কার্যক্রম শেষ করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এরপর আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ইসির জনসংযোগ পরিচালক রুহুল আমিন মল্লিক সাংবাদিকদের জানান, ‘প্রদত্ত ভোটের শতকরা হার  ৫৯.৪৪।’

ঢাকা-১ আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী খোন্দকার আবু আশফাক। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭৩ হাজার ৭৮১ ভোট। আর তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ ১২ হাজার ৬২২ ভোট।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরে গঠিত হয় রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটির কয়েকজন নেতা নির্বাচন করলেও ছয়জন নেতা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। এই ছয়জন এবারের জাতীয় সংসদে দলটির প্রতিনিধিত্ব করবেন।

এনসিপির নেতাদের মধ্যে ঢাকা-১১ আসনে জয়ী হয়েছেন দলের আহবায়ক নাহিদ ইসলাম। রংপুর-৪ আসন থেকে জয়ী হয়েছেন দলটির সদস্য সচিব আখতার হোসাইন। কুমিল্লা-৪ আসন থেকে দলটির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ ও জয়ী হয়েছেন।

নোয়াখালী-৬ আসনে জয়ী হয়েছেন এনসিপির যুগ্ম সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ। কুড়িগ্রাম-২ থেকে যুগ্ম আহবায়ক আতিকুর রহমান মুজাহিদ এবং নারায়ণগঞ্জ-৪ থেকে এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল আমিন জয়ী হয়েছেন।

এবার মোট ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব কেন্দ্রে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২টি ভোটকক্ষ ছিল। এই নির্বাচনে মোট ৫০টি রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করেছে। প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ২ হাজার ২৮ জন প্রার্থী।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর দলটির গুলশান কার্যালয়ের সামনে নেতাকর্মীদের ভিড় বাড়ছে। দলের চেয়ারম্যানকে শুভেচ্ছা জানাতে কেউ কেউ এনেছেন ফুল।

আজ শুক্রবার সকাল থেকে বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত কার্যালয়ের সামনে অবস্থান করে এমন দৃশ্য চোখে পড়ে।

সকাল থেকে কার্যালয়ের সামনে নেতা–কর্মীদের তেমন তৎপরতা না থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভীড় বাড়ছে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে নেতাকর্মীরা কার্যালয়ের সামনে আসছেন। জয় পাওয়ায় দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানাতে অপেক্ষা করছেন তারা। কেউ কেউ কার্যালয়ের সামনে ছবিও তুলছেন।

নরসিংদীর বেলাবো উপজেলা থেকে গুলশান কার্যালয়ের সামনে এসেছেন দিদার আলম (২৫)। একগুচ্ছ লাল গোলাপ হাতে সকাল থেকেই কার্যালয়ের সামনে অপেক্ষা করছেন তিনি। দিদার আলম পেশায় একজন বৈদ্যুতিক মিস্ত্রী। জয়ের খবর পেয়ে গতকালই ঢাকায় এসেছেন তিনি।

দিদার আলম বলেন, ‘আমার কোন পদবি নেই। বিএনপির একজন কর্মী। বিপুল ভোটে জয়ের খবর পেয়ে তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানাতে এসেছি। আমার এক বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে সকাল ৭টা থেকে এসে অপেক্ষা করছি। জানিনা ফুলটা দিতে পারবো কিনা। তবে অপেক্ষা করছি।’

কয়েকজন নেতা–কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে কার্যালয়ের সামনে জয়ের চিহ্ন দেখি ছবি তুলছিলেন গুলশান থানার যুবদল নেতা নিপুন চন্দ্র পাল। তিনি মুক্তকণ্ঠকে বলেন, ‘গত এক মাসের বেশি সময় ধরে দিনরাত পরিশ্রমের পর জয় এসেছে। আমরা হাল ছেড়ে দিই নি। জয়ের পর মনে হচ্ছে নতুন করে জন্ম হয়েছে আমাদের। নিজেকে মুক্ত লাগছে।’

গোপালগঞ্জের তিনটি সংসদীয় আসনে জয় পেয়েছেন বিএনপির তিন নেতা। এর আগে ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে গোপালগঞ্জ-১ আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী এফ ই শরফুজ্জামান জাহাঙ্গীর জয়ী হয়েছিলেন। এরপর এবারই প্রথম এই জেলার সব আসনে জয় পেল সরকার গঠনের অপেক্ষায় থাকা দলটি।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) দিবাগত রাতে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. আরিফ-উজ-জামান বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেন।

গোপালগঞ্জ-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী সেলিমুজ্জামান মোল্যা ৬৮ হাজার ৮৬৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী গণঅধিকার পরিষদের মো. কাবির মিয়া পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৯৬১ ভোট।

গোপালগঞ্জ-২ আসনে বিএনপির কে এম বাবর ৪০ হাজার ৪৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী এম এইচ খান মঞ্জু পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৩৯ ভোট।

গোপালগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত এস এম জিলানী ৬০ হাজার ১৬৬ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৮৬৭ ভোট।

২৯৭ আসনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। আজ শুক্রবার এই ফলাফল ঘোষণা করা হয়। চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের ফলাফল ঘোষণা স্থগিত রাখা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এই দুটি আসনের ফলাফল পরে ঘোষণা করা হবে। একটি আসনের ফলাফল আগেই স্থগিত করা হয়।

আজ শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) আগারগাঁও নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে ফলাফল ঘোষণার সমাপনী বক্তব্যে ইসি সচিব আখতার আহমেদ এসব তথ্য জানান।

ঘোষিত ২৯৭ আসনের মধ্যে বিএনপি ও তার মিত্ররা পেয়েছে ২১২ আসন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য পেয়েছে ৭৭ আসন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ১টি, স্বতন্ত্ররা পেয়েছে ৭টি আসন।

বিএনপি একক দল হিসেবে পেয়েছে ২০৯টি আসন, জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসন, জাতীয় নাগরিক পার্টি ৬টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২টি, খেলাফত মজলিস ১টি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি–বিজেপি ১টি, গণসংহতি আন্দোলন ১টি, গণঅধিকার পরিষদ ১টি আসন পেয়েছে।

এ ফলাফলে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগহীন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে দীর্ঘ দুই দশক পর ক্ষমতায় ফিরছে দলটি।

এবারের নির্বাচনে গণভোট পড়েছে ৬০ দশমিক ২৬ শতাংশ। ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯টি। আর ‘না’ ভোট পড়েছে ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭ টি।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ আজ এসব তথ্য জানান।

বিপুল ব্যবধানে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট জিতেছে। এর মধ্যে দিয়ে রাষ্ট্র সংস্কারের প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নের পথ খুলল।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন গতকাল বৃহস্পতিবার জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান-সম্পর্কিত প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নে গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে মোট ভোটার ছিলেন ১২ কোটি ৭৭ লাখের কিছু বেশি। বিস্তারিত দেখুন এখানে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয়ে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ফোন করে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আজ শুক্রবার দুপুরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী তাঁর এক্স হ্যান্ডলারে এ তথ্য জানান।

নরেন্দ্র মোদি লিখেছেন, তারেক রহমানের সঙ্গে কথা বলতে পেরে আনন্দিত। বাংলাদেশের নির্বাচনে তাঁর উল্লেখযোগ্য বিজয়ের জন্য আমি তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছি। বাংলাদেশের জনগণের প্রত্যাশা পূরণে তাঁর প্রচেষ্টার জন্য আমি শুভকামনা ও সমর্থন জানিয়েছি।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, গভীর ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক বন্ধনে আবদ্ধ দুই ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী হিসেবে, আমাদের দুই দেশের জনগণের শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যে ভারতের অব্যাহত অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছি।

এর আগে তারেক রহমানকে টুইট বার্তায় অভিনন্দনও জানান নরেন্দ্র মোদি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতটি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। তাঁরা সবাই বিএনপির নেতা ছিলেন। দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে তাঁরা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেন। এ কারণে তাঁরা নিজ নিজ এলাকায় বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হিসেবে পরিচিত। বিস্তারিত পড়ুন এখানে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রুমিন ফারহানা ৩৮ হাজার ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি বিএনপি থেকে মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হন। পরে দল থেকে তাঁকে বহিষ্কার করা হয়। তাঁর বিপরীতে বিএনপি সমর্থন দিয়েছিল মিত্র দলের এক প্রার্থীকে। আজ শুক্রবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর গ্রামে নিজ বাসায় প্রথম আলোর সঙ্গে কথা বলেন আলোচিত এই প্রার্থী।

বিস্তারিত পড়ুন

এইচ এম এরশাদের প্রতিষ্ঠিত জাতীয় পার্টির (জাপা) পুরোপুরি ভরাডুবি হয়েছে। সংসদীয় গণতন্ত্র চালুর পর এই প্রথম দলটির কোনো প্রার্থী নির্বাচনে জয়ী হতে পারেননি। এমনকি গতকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলটির কোনো প্রার্থী মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আসতে পারেননি। এর মধ্যে দলটির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত রংপুরেও বিপর্যস্ত হয়েছে দলটি। এটিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের কেউ কেউ জাতীয় পার্টির রাজনীতির শেষ হিসেবে দেখছেন।

বিস্তারিত পড়ুন

বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনে জয়ী হওয়ায় বিএনপি ও দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছে ভারতের বিরোধী দল কংগ্রেস।

আজ শুক্রবার কংগ্রেসের সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’–এ (সাবেক টুইটার) এক পোস্টে এই অভিনন্দন জানান।

বিস্তারিত পড়ুন

মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার চরাঞ্চলে আজ শুক্রবার বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীর এক সমর্থক হামলায় নিহত হয়েছেন। তাঁর পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেছেন, ধানের শীষের সমর্থক স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতার নেতৃত্বে তাঁকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

বিস্তারিত পড়ুন