টানা তিনবার দাম বাড়ানোর পর অবশেষে দেশের বাজারে স্বর্ণের মূল্য হ্রাস করা হয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) নতুন মূল্য তালিকায় ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ভরিতে ২ হাজার ৭৪১ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২ লাখ ২৬ হাজার ৯২৩ টাকা নির্ধারণ করেছে।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকালে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বাজুস এই মূল্য পরিবর্তনের কথা জানিয়েছে। নতুন এই দাম সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর করা হয়েছে।

নতুন নির্ধারিত মূল্য তালিকা অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ২৬ হাজার ৯২৩ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১৬ হাজার ৭১৭ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৮৬ হাজার ৯৯ টাকা করা হয়েছে। পাশাপাশি সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫২ হাজার ৪০ টাকা।

উল্লেখ্য যে, এর আগে গত ৫ নভেম্বর সকালে তৃতীয়বারের মতো স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন। সেই সময়ে ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৯ হাজার ৬৬৪ টাকা করা হয়েছিল।

স্বর্ণের দাম কমলেও দেশের বাজারে রুপার দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। বর্তমানে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটের রুপার দাম ৩ হাজার ৪৯৯ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৩৮৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ হাজার ৯১৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

স্বর্ণালঙ্কার বিক্রির ক্ষেত্রে অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে বলে জানিয়েছে বাজুস। প্রতিষ্ঠানটি আরও উল্লেখ করেছে যে, স্বর্ণালঙ্কার ও রৌপলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ এবং পারচেজের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে। তবে এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে আলাদাভাবে ভ্যাট বাদ দেওয়া যাবে না। বাজুসের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই বিক্রয়মূল্য কার্যকর থাকবে।