বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগের পরিধি আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, দেশে বিনিয়োগের জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রধানমন্ত্রীর মতে, ২০৩০ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বর্তমান সরকার।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে বাগেরহাটের মোংলায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন।
সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি মোংলা বন্দরের হেলিপ্যাডে অবতরণ করার মাধ্যমে তার সফর শুরু হয়।
মোংলায় পৌঁছানোর পর তাকে উষ্ণ অভ্যয়ন জানান আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান; বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত; পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম; নৌপরিবহন ও সেতু প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান, খুলনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য আলী আসগর লবি এবং খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এস কে আজিজুল বারী হেলাল।
মোংলায় প্রধানমন্ত্রীর মোট দুটি কর্মসূচি নির্ধারিত ছিল। এই কর্মসূচিগুলো সম্পন্ন করার পর তিনি বাগেরহাট জেলা সদরে গিয়ে হযরত খান জাহান আলী (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করবেন। এরপর সড়কপথে তিনি খুলনার উদ্দেশ্যে রওনা হবেন।
খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২)-এর উদ্বোধন করার পর বিকেল সাড়ে ৪টায় হেলিকপ্টারে করে ঢাকার পথে যাত্রা করবেন প্রধানমন্ত্রী। পরিকল্পনা অনুযায়ী, বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে তার ঢাকার তেজগাঁও বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকাজে তার সঙ্গে সফর করছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, বিএনপির বিশেষ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন মৃধা, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুস সামাদ চৌধুরী, প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) কমান্ড্যান্ট ব্রিগেডিয়ার জেনারেল গোলাম অরিকুল আলম, প্রটোকল অফিসার কামরুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর এডিসি স্কোয়াড্রন লিডার সৈয়দ নাজমুল হোসেন।