গাজীপুরে পোশাক শ্রমিকদের মজুরি বাড়ানোর দাবিতে পরিচালিত আন্দোলনের সময় হামলায় প্রাণ হারানো তৌফিক হোসেনের শোকসন্তপ্ত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নিহতের পরিবারের জন্য এক লাখ টাকার আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন তিনি।

বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কোচাশহর ইউনিয়নের ছয়ঘরিয়া গ্রামে তৌফিকের বাড়িতে যান স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দা ইয়াসমিন সুলতানা। সেখানে তিনি তৌফিকের স্ত্রী সেতু মনি, ভাই হারুন উর রশিদ এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সাথে কথা বলেন। শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান ইউএনও। এরপর প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে বরাদ্দকৃত এক লাখ টাকা পরিবারের সদস্যদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেন তিনি।

অন্যদিকে, ভিডিও কলের মাধ্যমে নিহতের পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলেন শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং এই কঠিন সময়ে সব সময় তাদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।

মন্ত্রী বলেন, “সরকারের পক্ষ থেকে নিহতের পরিবারকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।”

এই শোকবার্তায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তামশিদ ইরাম খান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুর রহিম, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা এনামুল হক, কোচাশহর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জহুরুল হক জাহিদ এবং ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফরিদুল ইসলামসহ আরও অনেকে।

উল্লেখ্য যে, মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাতে অ্যাম্বুলেন্সে করে তৌফিকের মরদেহ গাজীপুর থেকে তার গ্রামের বাড়িতে আনা হয়। বুধবার সকাল ১০টার দিকে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কোচাশহর ইউনিয়নের ছয়ঘরিয়া গ্রামে তৌফিকের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। নিহত তৌফিক মিয়া ওই গ্রামেরই প্রয়াত তবি খাঁর ছেলে ছিলেন।