কক্সবাজারের টেকনাফ সংলগ্ন সেন্টমার্টিন দ্বীপের উত্তর-পশ্চিমে গভীর সমুদ্রে এক বিশেষ অভিযানে মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে নেওয়া ৭৫০ বস্তা সিমেন্ট জব্দ করেছে কোস্টগার্ড। এই অভিযানে নৌকাটিতে থাকা ১২ জন ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।
গত সোমবার (২ নভেম্বর) কোস্টগার্ডের জাহাজ এবং সেন্টমার্টিন স্টেশনের যৌথ সমন্বয়ে এই চোরাচালানবিরোধী অভিযানটি পরিচালিত হয়।
আটককৃত ব্যক্তিদের পরিচয় শনাক্ত করে জানা গেছে, তাদের মধ্যে সাতক্ষীরার বাসিন্দা মো. বাপ্পি (৩১), মো. অলি উল্লাহ (৪৫), মো. আসাদুজ্জামান (২৬), মো. জাহান আলী (২৩), মো. বায়েজিদ (৩৬), মিরাজুল ইসলাম (৩০), মো. হাসান (৩৪), মিলন (৩১), রবিউল ইসলাম (৪৫) এবং নোয়াখালীর মো. আসিফ (২৩), মো. রাজিব (২৪) ও মো. বাবুল হোসেন (৩৬)।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেন্টমার্টিন দ্বীপের উত্তর-পশ্চিমে গভীর সমুদ্রে চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযান চালানো হয়। এ সময় সন্দেহজনক একটি নৌকাকে থামার সংকেত দেওয়া হলে সেটি তা অমান্য করে পালানোর চেষ্টা করে। পরে কোস্টগার্ডের আভিযানিক দল ধাওয়া করে নৌকাটি আটক করে।
তিনি আরও জানান, নৌকাটিতে তল্লাশি চালিয়ে মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে নেওয়া ৩৭ হাজার ৫০০ কেজি বা ৭৫০ বস্তা সিমেন্ট পাওয়া যায়। জব্দ করা সিমেন্টের আনুমানিক বাজারমূল্য ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। এ ছাড়া পাচারকাজে ব্যবহৃত নৌকাটিও জব্দ করা হয়েছে।
জব্দ করা সিমেন্ট, নৌকা ও আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান কোস্টগার্ডের এই কর্মকর্তা।