কক্সবাজারের প্রবালসমৃদ্ধ সেন্ট মার্টিন দ্বীপের বাসিন্দাদের বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য আশির দশকে জেনারেটরভিত্তিক একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করেছিল বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। দ্বীপের মধ্যভাগে পশ্চিম উত্তরপাড়ায় বাতিঘরের দক্ষিণ পাশে প্রায় পাঁচ একর জমিতে স্থাপিত ওই কেন্দ্রে ছিল দুটি জেনারেটর। সেখান থেকে তখন প্রায় ৬০০ গ্রাহককে সন্ধ্যায় কয়েক ঘণ্টা বিদ্যুৎ দেওয়া হতো।
তবে ১৯৯৪ সালের মে মাসে এক শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সেই দুর্যোগে ভেঙে পড়ে দেড় শতাধিক খুঁটি এবং ছিঁড়ে যায় বিদ্যুতের তার। এরপর থেকে আর সচল করা হয়নি কেন্দ্রটি। ফলে টানা ৩২ বছর ধরে অচল পড়ে আছে সরকারি এই বিদ্যুৎকেন্দ্র।
সরকারি কেন্দ্রের এই অচল অবস্থার পর ২০১৯ সালের ১ ফেব্রুয়ারি বেসরকারি উদ্যোগে দ্বীপের কোনারপাড়া এলাকায় প্রায় দুই একর জমিতে ২৫০ কিলোওয়াট ক্ষমতার একটি সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপন করা হয়। ব্লু মেরিন এনার্জি লিমিটেড প্রায় ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৯১৫টি সৌর প্যানেল নিয়ে এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এই প্রকল্পের মাধ্যমে বর্তমানে প্রায় এক হাজার গ্রাহককে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। এই গ্রাহকদের তালিকায় রয়েছে ১৪০টি হোটেল, ২০টি রেস্তোরাঁ, ৬০০টি বাসাবাড়ি, ১৫৭টি দোকানপাট, ছয়টি সেচপাম্প ও ১৫টি ইজিবাইক চার্জিং পয়েন্ট।
বর্তমানে দ্বীপের বিদ্যুৎ সরবরাহ মূলত এই বেসরকারি প্রকল্পের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু পর্যটন মৌসুম শুরু হলে বিদ্যুতের চাহিদা বহুগুণ বেড়ে যায়। সেই বাড়তি চাহিদা মেটাতে জেনারেটর চালানোর অতিরিক্ত খরচের কথা বলে ইউনিটপ্রতি ১০ টাকা দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এই সিদ্ধান্তের ফলে স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য সেন্ট মার্টিন দ্বীপ খুলে দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, পর্যটন মৌসুমে দ্বীপে দৈনিক বিদ্যুতের চাহিদা ৪০০ থেকে ৫০০ কিলোওয়াটে পৌঁছাতে পারে। অথচ সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে চাহিদার তুলনায় অনেক কম বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। বাকি চাহিদা মেটাতে জেনারেটর চালাতে হয়। এই পরিস্থিতিতে ইউনিটপ্রতি ১০ টাকা দাম বাড়ানোর ঘোষণায় ক্ষুব্ধ গ্রাহকেরা।
গ্রাহকদের অভিযোগ, বর্তমানে আবাসিক গ্রাহকদের প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের জন্য ৪২ টাকা এবং বাণিজ্যিক গ্রাহকদের ৫২ টাকা দিতে হচ্ছে। ১ নভেম্বর থেকে উভয় শ্রেণির গ্রাহকের জন্য ইউনিটপ্রতি আরও ১০ টাকা বাড়ানোর কথা জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এতে আবাসিক গ্রাহকদের প্রতি ইউনিটের দাম হবে ৫২ টাকা এবং বাণিজ্যিক গ্রাহকদের ৬২ টাকা।
হঠাৎ বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে ২১ অক্টোবর বিকেলে দ্বীপের ইউরো বাংলা রিসোর্টের সামনে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেন দেড় শতাধিক গ্রাহক। এই সমাবেশে বক্তব্য দেন সেন্ট মার্টিন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. নুরুল আলম, টেকনাফ উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক জাবেদ ইকবালসহ স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ।
সেন্ট মার্টিন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নুরুল আলম বলেন, “ব্লু মেরিন এনার্জি বর্তমানে আবাসিক গ্রাহকদের কাছ থেকে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের জন্য ৪২ টাকা এবং বাণিজ্যিক গ্রাহকদের কাছ থেকে ৫২ টাকা আদায় করছে। ১ নভেম্বর থেকে উভয় শ্রেণির গ্রাহকের জন্য আরও ১০ টাকা করে বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এতে আবাসিক গ্রাহকদের প্রতি ইউনিটের দাম ৫২ টাকা এবং বাণিজ্যিক গ্রাহকদের ৬২ টাকা হবে। এমনিতেই বিদ্যুতের দাম বেশি, তার ওপর নতুন করে দাম বাড়ানোর ঘোষণায় গ্রাহকদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।”
হোটেলমালিক আবদুর রহিম ও রহিম উল্লাহ বলেন, “বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর পাশাপাশি প্রিপেইড মিটারে রিচার্জের টাকা থেকে বিভিন্ন খাতে অর্থ কেটে নেওয়া এবং মিটার চার্জ আদায় নিয়েও গ্রাহকদের অসন্তোষ রয়েছে। অথচ সাশ্রয়ী মূল্যে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২০১৯ সালের ১ ফেব্রুয়ারি সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পটি চালু করা হয়েছিল।”
আরও কয়েকজন গ্রাহক জানান, দ্বীপের বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুতের উচ্চ মূল্যের কারণে ভোগান্তিতে রয়েছেন। একদিকে নিয়মিত বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে না, অন্যদিকে দামও বাড়ছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী ও পর্যটননির্ভর প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ তৈরি হচ্ছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ব্লু মেরিন এনার্জি লিমিটেড ও ব্লু মেরিন রিসোর্টের মালিক জাফর আহমদ পাটোয়ারী মুক্তকণ্ঠকে বলেন, “২৫০ কিলোওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে সিস্টেম লস বাদ দিয়ে বর্তমানে দৈনিক প্রায় ১৩৮ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। এই বিদ্যুৎ দিয়ে এক হাজারের বেশি গ্রাহকের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না।”
জাফর আহমদ পাটোয়ারী আরও বলেন, দ্বীপে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক বা টমটমের সংখ্যা পাঁচ শতাধিক। এসব যানবাহনের ব্যাটারি চার্জ দেওয়ার জন্য সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে তাঁর অভিযোগ, টমটমের ব্যাটারি চার্জের তিন ভাগের দুই ভাগই চোরাই সংযোগের মাধ্যমে নেওয়া হয়। এ ছাড়া প্রায় ৬০০টি বাসাবাড়ির মিটার থেকে কয়েক শ বাসাবাড়িতে অবৈধ সংযোগ দেওয়া হয়েছে। এসব সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে কর্মীরা বাসাবাড়ি কিংবা ব্যাটারি চার্জের গ্যারেজে গেলে তাঁদের মারধর করা হয়।
প্রকল্পের ব্যাটারির অবস্থাও খারাপ বলে জানান জাফর আহমদ পাটোয়ারী। তিনি বলেন, প্রকল্পের অধিকাংশ ব্যাটারি নষ্ট হয়ে গেছে। ১০ বছর মেয়াদের ব্যাটারিগুলো সাড়ে পাঁচ বছরের মধ্যেই অচল হয়ে পড়েছে। নতুন ব্যাটারি চীন থেকে আনার জন্য ঋণপত্র (এলসি) খোলা হয়েছে। ব্যাটারি আসতে আরও দেড় মাসের মতো সময় লাগতে পারে।
ইউনিটপ্রতি ১০ টাকা দাম বাড়ানোর কারণ ব্যাখ্যা করে জাফর আহমদ পাটোয়ারী বলেন, সম্প্রতি টানা সাত দিনের বৃষ্টিতে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন অনেক কমে যায়। কখনো সফটওয়্যার বা সার্ভারের যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেও উৎপাদন সাময়িকভাবে বন্ধ থাকে। তখন উচ্চক্ষমতার দুটি জেনারেটর চালিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে হয়।
তিনি আরও বলেন, “পর্যটন মৌসুমে দ্বীপে পর্যটক আসবেন। তখন ২৩০টির বেশি হোটেল-রিসোর্ট, ২০০টির বেশি রেস্তোরাঁ ও দোকানপাট চালু হবে। এতে দৈনিক বিদ্যুতের চাহিদা ৫০০ থেকে ৬০০ কিলোওয়াটে পৌঁছাতে পারে। সৌরবিদ্যুৎ থেকে পাওয়া যাবে প্রায় ১৮০ কিলোওয়াট। বাকি বিদ্যুৎ জেনারেটর চালিয়ে সরবরাহ করতে হবে। বর্তমানে প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১৩৫ টাকা। টেকনাফ থেকে দ্বীপে ডিজেল আনতে লিটারে আরও ৪০ টাকা খরচ হয়। এসব ব্যয় বিবেচনায় নিয়েই ইউনিটপ্রতি ১০ টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”
জাফর আহমদ পাটোয়ারীর দাবি, প্রকল্পে প্রায় ২০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেও এখন পর্যন্ত লাভের মুখ দেখেননি তিনি। সরকারি-বেসরকারি বা ব্যক্তি উদ্যোগে দ্বীপে আরও সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপন করা হলে বিদ্যুৎ সরবরাহের চাপ কমত, তাঁরাও লোকসানের মুখে পড়তেন না।
এদিকে জেনারেটরের শব্দে কাছিমের প্রজননে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে। বঙ্গোপসাগরের মধ্যে প্রায় আট বর্গকিলোমিটার আয়তনের সেন্ট মার্টিন দ্বীপ নানা কারণে পরিবেশগত সংকটে রয়েছে। ১৯৯৯ সালে দ্বীপের জীববৈচিত্র্য, সামুদ্রিক প্রবাল ও কাছিমের প্রজননক্ষেত্র রক্ষায় পুরো এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ঘোষণা করে সরকার। পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ অনুযায়ী, এ এলাকায় পরিবেশের ক্ষতি করে—এমন কার্যক্রম নিষিদ্ধ।
তবে দ্বীপের বিভিন্ন এলাকায় পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়াই ২৩০টির বেশি হোটেল, রিসোর্ট ও কটেজ নির্মিত হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। বিকল্প জ্বালানি ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা না থাকায় এসব প্রতিষ্ঠানের অনেকগুলোতে ডিজেলচালিত জেনারেটর ব্যবহার করা হয়। গভীর রাত পর্যন্ত জেনারেটরের একটানা শব্দ ও কম্পনে সৈকতে ডিম পাড়তে আসা মা কাছিমের স্বাভাবিক প্রজননপ্রক্রিয়া ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ পরিবেশকর্মীদের।
পরিবেশ অধিদপ্তরের সেন্ট মার্টিনে পরিচালিত কাছিম প্রজনন কেন্দ্রের স্বেচ্ছাসেবীদের সুপারভাইজার আবদুল আজিজ বলেন, “জেনারেটরের শব্দ ও কম্পনে ভয় পেয়ে অনেক সময় মা কাছিম ডিম না পেড়েই গভীর সমুদ্রে ফিরে যায়। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এ ধরনের জেনারেটর বড় ধরনের ক্ষতি করছে।” তাঁর হিসাবে, বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে বর্তমানে দ্বীপে ৩০০টির বেশি জেনারেটর রয়েছে।
পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজারের উপপরিচালক খন্দকার মাহমুদ পাশা বলেন, ১ নভেম্বর থেকে তিন মাসের জন্য সেন্ট মার্টিন পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। এ সময় জেনারেটরের শব্দদূষণ এবং ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে।
নানা কারণে সেন্ট মার্টিনের অচল বিদ্যুৎকেন্দ্রটি সচল করা সম্ভব হয়নি। সেখানে সৌর প্যানেল স্থাপন করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের একটি প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দ্বীপের বিদ্যুৎ সংকট দূর হবে।
সেন্ট মার্টিন ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলাম বলেন, সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে দ্বীপের পশ্চিম, দক্ষিণ ও পূর্ব পাশের সৈকত এলাকায় বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্প গড়ে তোলা গেলে বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হতে পারে। বর্তমানে ব্যক্তিমালিকানাধীন সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প ছাড়া দ্বীপে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহের বিকল্প ব্যবস্থা নেই।
সেন্ট মার্টিনের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পিডিবির পরিত্যক্ত পাঁচ একর জমিতে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে প্রভাবশালী একটি মহলের বাধায় প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়নি বলে তাঁর অভিযোগ। ১৯৯৪ সালের ২ মে ঘূর্ণিঝড়ে সরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর গত ৩২ বছরে সেটি আর সংস্কার করা হয়নি। দ্বীপের প্রায় ১১ হাজার বাসিন্দার দুর্ভোগ কমাতে ওই জায়গায় সৌরবিদ্যুৎ বা বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপন করা প্রয়োজন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড কক্সবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী আবদুল কাদের গণি মুক্তকণ্ঠকে বলেন, “নানা কারণে সেন্ট মার্টিনের অচল বিদ্যুৎকেন্দ্রটি সচল করা সম্ভব হয়নি। সেখানে সৌর প্যানেল স্থাপন করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের একটি প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দ্বীপের বিদ্যুৎ সংকট দূর হবে।”
কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কউক) সদস্য লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবু নাঈম মোহাম্মদ তালাত মুক্তকণ্ঠকে বলেন, সেন্ট মার্টিনকে পরিকল্পিতভাবে সাজাতে মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ চলছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এ কাজ করছে। মহাপরিকল্পনায় দ্বীপের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা করে কীভাবে উন্নয়ন করা যায়, সে বিষয়ে নির্দেশনা থাকবে।
আবু নাঈম মোহাম্মদ তালাত বলেন, দ্বীপে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপন করতে হলে বিপুল পরিমাণ জমির প্রয়োজন, যা সেখানে পাওয়া কঠিন। এ ক্ষেত্রে দ্বীপের চারপাশের সমুদ্রে ১০টি বায়ুকল বা উইন্ড টারবাইন স্থাপন করা গেলে পুরো দ্বীপের বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হতে পারে। এতে পরিবেশও সুরক্ষিত থাকবে।