সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরে ফ্লাইট পরিচালনায় বিধিনিষেধ আরোপের ফলে বাংলাদেশ সংশ্লিষ্ট সরাসরি ও ট্রানজিট রুটে চলাচলকারী মোট ১৬৫টি ফ্লাইটের কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। এই পরিস্থিতির কারণে প্রায় ২২ হাজার ৯১৭ জন যাত্রী চরম ভোগান্তির সম্মুখীন হয়েছেন।

আজ রোববার বেলা তিনটার দিকে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বেবিচকের দেওয়া তথ্যানুসারে, যেসব ফ্লাইট বাতিল বা স্থগিত করা হয়েছে তার মধ্যে সরাসরি ফ্লাইটের সংখ্যা ৮৮টি। এই তালিকায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ৪১টি, সৌদিয়া এয়ারলাইনসের ২১টি, রিয়াদ এয়ারের ১৬টি এবং ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১০টি ফ্লাইট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

সরাসরি ফ্লাইটের পাশাপাশি ব্যাহত হয়েছে ৭৭টি ট্রানজিট ফ্লাইট। এর মধ্যে ইন্ডিগোর ৩০টি, এমিরেটসের ১৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৯টি, ফ্লাইদুবাইয়ের ৮টি, এয়ার ইন্ডিয়ার ৮টি, সালাম এয়ারের ৭টি এবং ইজিপ্ট এয়ারের একটি ফ্লাইট রয়েছে।

উল্লেখ্য যে, গত ১০ অক্টোবর থেকে সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতির হামলার পর ফ্লাইট পরিচালনায় বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। এই নিরাপত্তা সংকটের প্রভাবে বাংলাদেশের সঙ্গে সৌদি আরবের সরাসরি ফ্লাইটের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের বিমানবন্দর হয়ে চলাচলকারী ট্রানজিট ফ্লাইটগুলোও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

এরই ধারাবাহিকতায়, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস তাদের ঢাকা থেকে দাম্মাম ও রিয়াদগামী সব ফ্লাইট ৪ নভেম্বর স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গত ২৫ অক্টোবর বিমান কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্তটি জানিয়েছে। সংস্থাটি তাদের বিবৃতিতে বলেছে, “যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে”।