সরকারি আবাসন পরিদপ্তর থেকে পাওয়া বাসা বা ফ্ল্যাট অন্য কারো কাছে ভাড়া কিংবা সাবলেট দেওয়ার বিষয়ে কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। বরাদ্দপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন তারা পুরো বাসা অথবা এর কোনো অংশ অন্য কাউকে ভাড়া দেওয়া থেকে বিরত থাকেন। আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে বর্তমান ভাড়াটিয়া বা সাবলেট গ্রহীতাদের সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এই নির্দেশনা অমান্য করলে বরাদ্দ বাতিলসহ কঠোর বিভাগীয় ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের পরিচালক মো. জাহিরুল ইসলাম খানের স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই নির্দেশনা জানানো হয়।

গণবিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সম্প্রতি পরিচালিত পরিদর্শনে দেখা গেছে, বরাদ্দ পাওয়া কয়েকজন ব্যক্তি তাদের বাসা বা ফ্ল্যাটের এক বা একাধিক কক্ষ অথবা সম্পূর্ণ বাসা অন্যদের কাছে ভাড়া বা সাবলেট দিয়েছেন। এই ধরনের কর্মকাণ্ড বাংলাদেশ বরাদ্দ বিধিমালা, ১৯৮২-এর সম্পূর্ণ পরিপন্থী।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, “ইতোমধ্যে যারা বাসা বা ফ্ল্যাটের কোনো অংশ কিংবা পুরোটা অন্যের কাছে ভাড়া বা সাবলেট দিয়েছেন, তাদের আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ভাড়াটিয়া বা সাবলেট গ্রহীতাকে সরিয়ে দিয়ে বরাদ্দ পাওয়া বাসায় নিজে বসবাসের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

সরকারি আবাসন পরিদপ্তর সতর্ক করে জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের পর যদি কোনো বাসা বা ফ্ল্যাট ভাড়া বা সাবলেট দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে বিধি অনুযায়ী আর কোনো নোটিশ ছাড়াই সরাসরি বরাদ্দ বাতিল করা হবে। একই সঙ্গে দোষীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, “বাংলাদেশ বরাদ্দ বিধিমালার ১৪(৩) বিধি অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট বরাদ্দগ্রহীতার দপ্তরপ্রধান ও নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হবে।”