তিস্তা মহাপরিকল্পনার বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের অপশক্তি যদি ষড়যন্ত্রের চেষ্টা করে, তবে তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, যারা এই জাতীয় ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িত থাকবে, তাদের যথাযথভাবে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে তিস্তা ব্যারেজ এলাকা পরিদর্শনের কর্মসূচি শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আলাপকালে ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, “তিস্তাকে নিয়ে দেশে-বিদেশে নানা কথা হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে কোনো অপশক্তি যদি আমাদের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে তিস্তাকে ঘিরে আরও সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্রের চেষ্টা করে, তাহলে তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে।”
প্রকল্পের বর্তমান অগ্রগতি সম্পর্কে তিনি জানান, তিস্তা মহাপরিকল্পনার সম্ভাব্যতা যাচাই বা ফিজিবিলিটি স্টাডি প্রতিবেদন তৈরির কাজ এখন প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইতিমধ্যে এই বিষয়ে সম্মতি প্রদান করে সংশ্লিষ্ট নথিতে স্বাক্ষর করেছেন। অর্থমন্ত্রী দেশে ফিরে আগামী সপ্তাহে স্বাক্ষর করলে পরবর্তী পদক্ষেপগুলো দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
পরবর্তী পরিকল্পনা বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের প্রতিবেদনটি চূড়ান্ত হওয়ার পর উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব বা ডিপিপি তৈরির জন্য বিদেশি বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ ও মতামত নেওয়া হবে। এই পুরো প্রক্রিয়ায় প্রায় নয় থেকে ১০ মাস সময় লাগতে পারে। এরপর শুরু হবে দরপত্র আহ্বান প্রক্রিয়া। সবকটি ধাপ সফলভাবে সম্পন্ন করে ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাত দিয়ে তিস্তা মহাপরিকল্পনার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।