নবম পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন-ভাতা নিশ্চিত করা সহ তিন দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে দেশব্যাপী আন্দোলনে নামছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীরা। আগামী ৪ নভেম্বর রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচির মাধ্যমে তাদের এই প্রতিবাদ কর্মসূচি পালিত হবে। বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারী ফোরামের উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে সারাদেশ থেকে শিক্ষক ও কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করবেন বলে জানানো হয়েছে।
শিক্ষক ও কর্মচারীদের উত্থাপিত অন্য দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে— অবিলম্বে এমপিওভুক্ত স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষকদের বদলির আদেশ জারি করা এবং আগামী ঈদুল ফিতর থেকে শিক্ষক-কর্মচারীদের শতভাগ উৎসব ভাতা প্রদান নিশ্চিত করা।
মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারী ফোরামের সভাপতি এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সদস্যসচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী এই বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আবেদনগ্রহণের দেড় মাস হতে চললেও এখনো এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির ফল প্রকাশিত হয়নি। এর ফলে নিজ বাড়ি থেকে শত শত কিলোমিটার দূরে চাকরিরত শিক্ষকরা অমানবিক জীবনযাপন করছেন। অবিলম্বে শিক্ষকদের বদলির ফল প্রকাশ করতে হবে।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সরকারি চাকরিজীবীরা চলতি মাস থেকেই নবম পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন পেতে শুরু করবেন। তবে এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীরা নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী কবে থেকে বেতন পাবেন, সে বিষয়ে কোনো নিশ্চয়তা নেই। এই অনিশ্চয়তা দূর করার জন্য অবিলম্বে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পে-স্কেল বাস্তবায়নের নির্দেশনা জারি করার দাবি জানান তিনি।
আওয়ামিক এই শিক্ষক নেতা আরও বলেন, “সরকারি চাকরিজীবীরা মূল বেতনের শতভাগ উৎসব ভাতা পেলেও এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা পান না। এটি চাকরির ক্ষেত্রে অনেক বড় বৈষম্য তৈরি করেছে।”