গোপালগঞ্জ শহরের তেঘরিয়া এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে শেফালী বেগম (৪০) নামের এক নারীর পচন ধরা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ওই বাসার দরজা ভেঙে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা মরদেহটি উদ্ধার করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত শেফালী বেগম তেঘরিয়া কালীমন্দির সংলগ্ন মিলন খানের বাড়ির একটি ভাড়া বাসায় তার ছেলে ও ছেলের স্ত্রীর সঙ্গে বসবাস করতেন। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় ছয়-সাত মাস আগে স্বামীর সঙ্গে তার বিচ্ছেদ ঘটেছিল। এছাড়া তিনি দীর্ঘ দিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, কয়েক দিন আগে ছেলের স্ত্রী তার বাবার বাড়িতে যাওয়ায় শেফালী বেগম বাসায় একা ছিলেন। শনিবার বাসায় ফিরে ঘর থেকে তীব্র দুর্গন্ধ পেয়ে স্থানীয় লোকজনকে বিষয়টি জানান তার ছেলে। এরপর দ্রুত খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে তার গলিত মরদেহ উদ্ধার করেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গোপালগঞ্জ সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নাঈম হায়দার জানান, “প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কয়েক দিন আগেই ওই নারীর মৃত্যু হয়েছে।”
পরবর্তীতে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পর্যালোচনার পাশাপাশি পুলিশ তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে বলে জানানো হয়েছে।