লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে উদ্বোধনের আগেই মিয়ামি পরিবহনের একটি স্লিপার বাস জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। বাসটির রুট পারমিট ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন না থাকা এবং ফিটনেস সনদ ও ট্যাক্স টোকেনসংক্রান্ত কাগজপত্রে ঘাটতি পাওয়ায় এর দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি এমরান হোসেনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বৈধ অনুমোদন ছাড়া বাসটি সড়কে না চালানোর অঙ্গীকার করেছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রামগঞ্জ থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে যাত্রার মাধ্যমে বাসটির উদ্বোধন করার কথা ছিল। তবে এর আগেই অভিযান চালিয়ে বাসটির চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন রামগঞ্জের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জিয়াউল হক। এ সময় বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সহকারী পরিচালক মাহবুব রব্বানী, রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ফিরোজ উদ্দীনসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
অভিযানসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বাসটির এই রুটে চলাচলের প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও রুট পারমিট ছিল না। এ ছাড়া ফিটনেস সনদ ও ট্যাক্স টোকেনসংক্রান্ত কাগজপত্রেও ঘাটতি পাওয়া যায়। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে না পারায় বাসটির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জিয়াউল হক বলেন, “পরিদর্শনে বাসটির রুট পারমিট ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন পাওয়া যায়নি। ফিটনেস সনদ ও ট্যাক্স টোকেনসংক্রান্ত কাগজপত্রেও ঘাটতি রয়েছে। এসব কারণে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বৈধ অনুমোদন ছাড়া বাসটি সড়কে নামানো হবে না বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অঙ্গীকার করেছেন।”
বিআরটিএর সহকারী পরিচালক মাহবুব রব্বানী বলেন, “বিআরটিএর চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালকের নির্দেশনায় অনুমোদনহীন স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশের সহযোগিতায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। বাসটির প্রয়োজনীয় অনুমোদন না থাকায় উদ্বোধন বন্ধ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বাসটি আর চালাবেন না বলে অঙ্গীকার করায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “কোথাও অনুমোদনহীন স্লিপার বাস চলতে দেখলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা বিআরটিএকে জানালে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”