আগামী নভেম্বরে ঘরের মাঠে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোচ টমাস ডুলির সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল একজন দক্ষ ‘নম্বর নাইন’ বা সেন্টার ফরোয়ার্ড খুঁজে বের করা। দীর্ঘদিনের এই গোল করার সংকট দূর করতে কোচ এরই মধ্যে তিন জন সম্ভাব্য স্ট্রাইকারকে চিহ্নিত করেছেন।

কোচের নজরে আসা এই তিন ফুটবলার হলেন মিরাজুল ইসলাম, মাহি খান এবং রোনান সুলিভান। এদের মধ্যে মিরাজুল ইসলাম ইতিমধ্যে জাতীয় দলের হয়ে তিনটি ম্যাচে মাঠে নেমেছেন। অন্যদিকে, মাহি খান ও রোনান সুলিভান অনূর্ধ্ব-২০ দলের হয়ে নিজেদের দক্ষতা প্রমাণ করেছেন। জানা গেছে, সাফে আক্রমণভাগের চূড়ান্ত পরিকল্পনা সাজানোর ক্ষেত্রে কোচ তাঁদের তিনজনকে প্রাথমিক তালিকায় রাখছেন।

সম্প্রতি ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত ইন্দোনেশিয়ায় আসিয়ান কাপ অনুষ্ঠিত হয়। সেই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের পারফরম্যান্স ছিল হতাশাজনক; পুরো আসরে বাংলাদেশ মাত্র দুটি গোল করতে সক্ষম হলেও প্রতিপক্ষের কাছ থেকে হজম করেছে ১৩টি গোল। আসিয়ান কাপ থেকে দেশে ফেরার পরপরই কোচ ডুলি সম্পূর্ণ মনোযোগ দেন সাফের প্রস্তুতিতে। বিশেষ করে গোল করার মতো কার্যকর একজন ‘নম্বর নাইন’ খুঁজে পাওয়ার যে লক্ষ্য তাঁর সামনে ছিল, সেই হিসেবে এই তিনজনকে সর্বোচ্চ বিবেচনায় নিয়েছেন তিনি।

আগামী ২৫ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাওয়া জাতীয় দলের ক্যাম্পে এই তিন স্ট্রাইকারকেই ডাক দেওয়া হবে বলে জানা গেছে। মাহি খানের কথা বলা হলে জানা যায়, তিনি বর্তমানে ইংল্যান্ডের নবম স্তরের লিগে মলটন এফসির হয়ে খেলছেন। চলতি মৌসুমে মাত্র সাতটি ম্যাচে তিনি নয়টি গোলের দেখা পেয়েছেন। ছয় ফুট উচ্চতার এই স্ট্রাইকারের প্রধান শক্তির জায়গা হলো ডি-বক্সে বল নিয়ন্ত্রণ, নিখুঁত হেডে গোল করা এবং সামনে পাওয়া সুযোগগুলো যথাযথভাবে কাজে লাগানো।

অন্যদিকে, রোনান সুলিভান বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ দলের হয়েই সবার নজর কেড়েছেন। গত এপ্রিলে অনুষ্ঠিত সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপাজয়ী দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। বর্তমানে রোনান যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট জোসেফস হকসের হয়ে কলেজ ফুটবলে সক্রিয় রয়েছেন।