রাজধানীর পূর্বাচলে আগামী ১২ নভেম্বর থেকে তিন দিনব্যাপী 'টিআইই–আইটিইটি টেক্সটাইল ইনোভেশন এক্সপো' নামের একটি বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। ইনস্টিটিউশন অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড টেকনোলজিস্টস (আইটিইটি) বাংলাদেশ এবং টেক্সটাইল ইনোভেশন এক্সচেঞ্জ (টিআইই) যৌথভাবে ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) এই ইভেন্টটি আয়োজন করতে যাচ্ছে। এই প্রদর্শনীর মূল উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশের বস্ত্র ও তৈরি পোশাক খাতের আধুনিক উদ্ভাবনী সক্ষমতাকে বিশ্বদরবারে ফুটিয়ে তোলা।
গতকাল সোমবার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই প্রদর্শনীর বিস্তারিত পরিকল্পনা জানানো হয়। উক্ত সংবাদ সম্মেলনে আইটিইটি বাংলাদেশের সভাপতি মো. এনায়েত হোসেন, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি সুমায়েল মোহাম্মদ মল্লিক এবং মহাসচিব এ এস এম হাফিজুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বিকেএমইএর পরিচালক ইমরান কাদের, বাংলাদেশ গার্মেন্টস প্রিন্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিপিএ) সভাপতি মো. আবদুল হামিদ এবং টেক্সটাইল ইনোভেশন এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান এহসানুল করিম কায়সারসহ আরও অনেকে এই আলোচনায় অংশ নেন।
সংবাদ সম্মেলনে আইটিইটি বাংলাদেশের সভাপতি মো. এনায়েত হোসেন বলেন, “দেশে শিল্প খাতে প্রায় ১৫ হাজার প্রকৌশলী কাজ করেন। এর মধ্যে ৫ হাজারের বেশি প্রকৌশলী আইটিইটির সদস্য। এই প্রদর্শনীর মূল লক্ষ্য হলো, বস্ত্র খাতের প্রকৌশলীদের সমগ্র শিল্পজুড়ে উদ্ভাবন বাস্তবায়নে উৎসাহিত করা।”
আয়োজক কমিটির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই মেলায় মোট ৫০টি তৈরি পোশাক, বস্ত্র ও সরঞ্জাম কারখানা এবং ২০০টি প্রযুক্তি ও সমাধান প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের উদ্ভাবন প্রদর্শনের জন্য অংশ নেবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ক্রেতা প্রতিষ্ঠান এবং নামী ব্র্যান্ডের প্রতিনিধিরাও এই প্রদর্শনীতে উপস্থিত থাকবেন।
এবারের আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ হবে 'টেক্সটাইল ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬'। এই পুরস্কারের লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ও বস্ত্র খাতের কারখানা পর্যায়ে যারা উদ্ভাবন, প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ, পণ্য উন্নয়ন এবং টেকসই ব্যবস্থাপনায় বিশেষ অবদান রেখেছেন, সেই ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে যথাযথ স্বীকৃতি প্রদান করা। উল্লেখ্য যে, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির এই প্রদর্শনীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।