ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের হার বৃদ্ধিতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে আর্কাইভস ও গ্রন্থাগার অধিদপ্তর। এই লক্ষ্য অর্জনে অধিদপ্তরের ভবনের ছাদে ৩০০ কিলোওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা হচ্ছে। এই প্রকল্পের বাস্তবায়নে ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই পিএলসি (ডেসকো), আর্কাইভস ও গ্রন্থাগার অধিদপ্তর এবং ফাইবার অ্যাট হোমের মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
আজ সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত আর্কাইভস ও গ্রন্থাগার অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে এই চুক্তিটি সই করা হয়। ডেসকো থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচির আওতায় ডেসকোর মোট ১২ দশমিক ৫ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের একটি অংশ হিসেবে জাতীয় আর্কাইভস ভবনের ছাদে এই ৩০০ কিলোওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
চুক্তি পত্রে ডেসকোর পক্ষে স্বাক্ষর করেন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী গাজী শাহরিয়ার পারভেজ। আর্কাইভস ও গ্রন্থাগার অধিদপ্তরের পক্ষে স্বাক্ষর করেন পরিচালক ফারজানা সুলতানা এবং ফাইবার অ্যাট হোমের পক্ষে স্বাক্ষর করেন প্রকল্প পরিচালক শাহজামান হোসেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমিন বেগম বলেন, “আগামী গ্রীষ্মে বিদ্যুতের সম্ভাব্য ঘাটতি মোকাবিলায় ভবনের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের মাধ্যমে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে জাতীয় গ্রিডে ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত করার লক্ষ্য নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে সব সরকারি দপ্তরে সৌরবিদ্যুতের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”
সচিব আরও বলেন, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন যেসব স্থাপনায় সৌর প্যানেল বসানো সম্ভব, সেগুলোতে দ্রুত এই ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নিতে তিনি বিদ্যুৎ বিভাগের প্রতি আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. সবুর হোসেন এবং ফাইবার অ্যাট হোমের চেয়ারম্যান মঈনুল হক সিদ্দিকী। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন ডেসকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামীম আহমেদ। পুরো অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন আর্কাইভস ও গ্রন্থাগার অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খন্দকার জহিরুল ইসলাম।