জাপানি শব্দ ‘মিরাই’-এর অর্থ ‘ভবিষ্যৎ’। ব্যবসা-বাণিজ্যের ভবিষ্যৎ চাহিদা ও প্রয়োজনীয়তাকে গুরুত্ব দিয়ে একটি বৃহৎ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে নির্মাণ প্রতিষ্ঠানটি। রাজধানীর তেজগাঁও বাণিজ্যিক এলাকায় ৩০ তলাবিশিষ্ট এক সুউচ্চ ভবন ‘মিরাই বাই নির্মাণ’ গড়ে তুলছে প্রতিষ্ঠানটি।

নির্মাণ প্রতিষ্ঠানটি এই সুউচ্চ ভবনের মাধ্যমে একটি বিশাল প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্পটি এমন এক স্থানে অবস্থিত যেখানে ট্রাফিকের বাড়তি ঝামেলা ছাড়াই একাধিক সড়কের সংযোগ রয়েছে, ফলে এখানে সরাসরি যোগাযোগ-সুবিধা পাওয়া যাবে। এই ভবনটি ১৫টি দেশের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞদের যৌথ অংশগ্রহণ এবং বিশেষ পরামর্শের ভিত্তিতে নির্মিত হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ২০২৭ সালের ডিসেম্বরে এই প্রকল্পের হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।

মোট ৩০ কাঠা জমির ওপর নির্মিত এই বিশাল ভবনে পাঁচটি বেজমেন্ট এবং ১৭০টি ইন-সাইট গাড়ি পার্কিংয়ের সুবিধা রাখা হয়েছে। ভূমিকম্প-সহনশীল পোস্টটেনশন স্ল্যাব প্রযুক্তিতে নির্মিত এই ভবনের প্রতিটি ফ্লোরের আয়তন ১২ হাজার ২০০ বর্গফুট। ভবনের ভেতরের পরিবেশ আরামদায়ক ও মনোরম রাখতে ব্যবহার করা হয়েছে ডাবল-গ্লেজড গ্লাস ফ্যাসাড, কেন্দ্রীয় এসি এবং বিএমএস পরিচালিত ৬টি যাত্রীবাহী ও একটি সার্ভিস লিফট।

টেকসই ও পরিবেশবান্ধব এই প্রকল্পটিতে লিড সনদের বৈশ্বিক মানদণ্ড যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি বর্জ্য ও পানি শোধনাগার এবং সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার নিশ্চিত করতে বিশেষ প্রযুক্তির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ভবনের দ্বিতীয় তলায় থাকছে আধুনিক ক্যাফে, ১২ তলায় রেস্তোরাঁ এবং ১১ তলায় রাখা হয়েছে আলাদা কারিগরি ফ্লোর। আধুনিক স্থাপত্যশৈলীর এই প্রকল্পটি বাণিজ্যিক ভবনের ধারায় এক নতুন সংযোজন হতে যাচ্ছে।