শিক্ষার্থীদের প্রাতিষ্ঠানিক পাঠ্যবইয়ের শিক্ষার সাথে তথ্যপ্রযুক্তি ও নেটওয়ার্কিং খাতের বাস্তব অভিজ্ঞতার মেলবন্ধন ঘটাতে আজ সোমবার বিকেলে রাজধানী ঢাকায় ‘লগইন ইনটু ইন্ডাস্ট্রি নেক্সট’ শীর্ষক একটি বিশেষ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ওয়ান স্কাই কমিউনিকেশন্স লিমিটেডের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের মূল লক্ষ্য ছিল শিক্ষার্থীদের নেটওয়ার্কিং এবং ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী (আইএসপি) খাতের কারিগরি কাজ, আধুনিক প্রযুক্তি এবং পেশাগত দক্ষতা সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা প্রদান করা। রাজধানীর কাকরাইলে অবস্থিত ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের (আইডিইবি) ভবনে এই আয়োজনটি সম্পন্ন হয়।
অনুষ্ঠানটিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) সভাপতি মোহাম্মদ আমিনুল হাকিম। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইএসপিএবির মহাসচিব নাজমুল করিম ভূঁইয়া, ভেহিকেল ট্র্যাকিং সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ভিটিএসপিএবি) সভাপতি আবদুল্লাহ ইবনে নুরুল ইসলাম, বাহন লিমিটেডের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা রাশেদ আমিন, সামিট কমিউনিকেশন্স লিমিটেডের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা (সিএমও) শারমিন জামান এবং বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডির) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুলতানা ইশরাত জাহান।
আয়োজন প্রসঙ্গে ওয়ান স্কাই কমিউনিকেশন্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাশেদুর রহমান বলেন, “শিল্পপ্রতিষ্ঠানে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ এবং বাস্তব আইএসপি কার্যক্রমের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পরিচিত করাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। এর মাধ্যমে শিক্ষাগত জ্ঞানকে বাস্তব কর্মক্ষেত্রের অভিজ্ঞতার সঙ্গে যুক্ত করে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ পেশাজীবনের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি হবে।” উল্লেখ্য যে, এই আয়োজনে ওয়ান স্কাই কমিউনিকেশন্স লিমিটেডের পাশাপাশি সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে যুক্ত ছিল ওয়ান স্কাই ইনফরমেশন টেকনোলজি (ওএসআইটি), স্কাই ট্র্যাকার এবং প্রগতি।
আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, বর্তমান সময়ে তথ্যপ্রযুক্তি এবং ইন্টারনেট-ভিত্তিক শিল্প অত্যন্ত দ্রুত গতিতে পরিবর্তিত হচ্ছে। এই প্রতিযোগিতামূলক খাতে টিকে থাকতে হলে কেবল একাডেমিক বা তাত্ত্বিক জ্ঞান যথেষ্ট নয়; বরং বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতা, কারিগরি দক্ষতা, জটিল সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা এবং পেশাগত আচরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষার্থীদের যদি শুরু থেকেই শিল্পের বাস্তব পরিবেশের সঙ্গে যুক্ত করা যায়, তবে ভবিষ্যতের কর্মসংস্থানের জন্য তাঁদের অনেক বেশি প্রস্তুত করা সম্ভব হবে।
‘আপনার দক্ষতা—আগামীর প্রবেশপথ’—এই মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের কেবল শিল্পের বাস্তব পরিবেশের সাথে পরিচয় করানোই হয়নি, বরং তাদের ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার বা পেশা নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনাও প্রদান করা হয়েছে।