নতুন জাতীয় বেতন স্কেল অনুযায়ী সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নির্ধারণের লক্ষ্যে আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) এবং এর আওতাধীন মাঠপর্যায়ের সকল কার্যালয়ের জনবলের পূর্ণাঙ্গ তথ্য সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী ৭ অক্টোবরের মধ্যে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক এই তথ্যসমূহ প্রেরণের জন্য বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছে মাউশি।
সম্প্রতি মাউশির হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট (এইচআরএম) ইউনিট থেকে সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরে এই সংক্রান্ত একটি জরুরি চিঠি পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, “সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ও পেনশন প্রক্রিয়া আরও সহজ, দ্রুত ও স্বচ্ছ করতে সমন্বিত আর্থিক ব্যবস্থাপনা ইনফরমেশন সিস্টেম (আইবাস++)-এর ‘অর্গানোগ্রাম সাব-মডিউল’ ডেটাবেজে জনবলের হালনাগাদ তথ্য যুক্ত করার কাজ চলমান রয়েছে।”
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনা আরও সুসংহত করার লক্ষ্যে এবং আইবাস++-এর বেতন নির্ধারণী সাব-সিস্টেম ব্যবহার করে ‘জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬’-এর আওতায় বেতন নির্ধারণ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার উদ্দেশ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এই কার্যক্রম সফল করতে মাউশি ও এর অধীনস্থ মাঠপর্যায়ের দপ্তরসমূহের অনুমোদিত জনবলের সঠিক চিত্র ডেটাবেজে থাকা অত্যন্ত আবশ্যক বলে মনে করা হচ্ছে।
চিঠিতে আরও জানানো হয়, এনাম কমিশনের পর যে অতিরিক্ত পদসমূহ সৃষ্টি হয়েছে, সেগুলোর তথ্য অর্গানোগ্রাম সাব-মডিউলে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য অর্থ বিভাগের ব্যয় ব্যবস্থাপনা অধিশাখা থেকে পৃষ্ঠাঙ্কিত সরকারি আদেশসহ (জিইউ) প্রতিষ্ঠানভিত্তিক তথ্য পাঠাতে হবে।
নির্দেশনা অনুযায়ী, একটি নির্দিষ্ট ছক অনুসরণ করে এই তথ্যগুলো প্রদান করতে হবে। উক্ত ছকে কার্যালয় বা প্রতিষ্ঠানের নাম, পদের নাম (বাংলা ও ইংরেজি), ১৩ ডিজিটের পদ কোড, পদের মূল স্কেল ও গ্রেড, পদভিত্তিক মোট কর্মচারীর সংখ্যা এবং বিশেষ মন্তব্য (যদি থাকে) উল্লেখ করতে হবে।
মাউশির পাঠানো চিঠিতে নির্ধারিত ছকের তথ্য আগামী ৭ অক্টোবরের মধ্যে অধিদপ্তরের এইচআরএম শাখার উপপরিচালকের নিকট জমা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। তথ্যের সফটকপি অবশ্যই ‘নিকষ’ ফন্টে ওয়ার্ড ডকুমেন্ট ফরম্যাটে [email protected] ই-মেইলে পাঠাতে হবে। এর পাশাপাশি অধিদপ্তরের ৫৩০ নম্বর কক্ষে সরাসরি হার্ডকপি জমা দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।