আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের ১০ নম্বর জার্সির উত্তরসূরি হিসেবে আলোচনায় উঠে এসেছেন তরুণ অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার নিকো পাজ। সম্প্রতি বলিভিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে দলের ৪-০ গোলের জয়ে পাজের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স নজর কেড়েছে সবার। ম্যাচে চিপ শটে গোল করার পাশাপাশি সেট পিস থেকেও গোল করান তিনি। এই পারফরম্যান্সের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাজকে নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। তিনি লিখেছেন, ‘নতুন ১০ নম্বর?’

আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ) আগামী বুধবার বেনিনের বিপক্ষে শেষ প্রীতি ম্যাচটি খেলার পর লিওনেল মেসির জার্সি অবসরের পর আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে। তবে মাঠের পারফরম্যান্স এবং পরিসংখ্যানের দিক থেকে পাজ ইতিমধ্যেই নিজেকে যোগ্য প্রমাণ করেছেন।

২০২৪ সালের অক্টোবরে আর্জেন্টিনার জার্সিতে অভিষেক হয় পাজের। জাতীয় দলের হয়ে এ পর্যন্ত ১২টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি এবং প্রতিটি ম্যাচেই জয় পেয়েছে আর্জেন্টিনা। জাতীয় দলের ইতিহাসে অভিষেকের পর টানা সর্বোচ্চ ম্যাচ জয়ের অনন্য রেকর্ড এখন পাজের দখলে।

দেশটির ক্রীড়াভিত্তিক সংবাদমাধ্যম এল গ্রাফিকো জানিয়েছে, আর্জেন্টিনার হয়ে অতীতে খেলা ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি ফুটবলারের মধ্যে পাজ এখন তালিকার শীর্ষে। পাজের এই জয়যাত্রার শুরু হয়েছিল ২০২৪ সালের ১৫ অক্টোবর বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে বলিভিয়ার বিপক্ষে ৬-০ গোলের জয়ের মাধ্যমে। এই ধারাবাহিকতায় তিনি গ্যাব্রিয়েল মেরকাদোর রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন। ৩৯ বছর বয়সী এই ডিফেন্ডার অভিষেক থেকে টানা ৯ ম্যাচ জিতেছিলেন। অন্যদিকে, প্রথম ৮ ম্যাচ জয়ের রেকর্ড ছিল হোসে ম্যানুয়েল লোপেজের। পালমেইরাসের এই স্ট্রাইকার গতকাল বলিভিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের শেষ গোলটি করেন।

উল্লেখ্য, আর্জেন্টিনার জার্সিতে অভিষেক থেকে প্রথম সাতটি ম্যাচ জয়ের তালিকায় আরও কয়েকজন খেলোয়াড় রয়েছেন। তারা হলেন নাতালিও পেসকিয়া (১৯৪৬-১৯৫৪), ফেদেরিকো ভাইরো (১৯৫৫-১৯৫৮), মারিও বোলাত্তি (২০০৯-২০১১) এবং আলেহান্দ্রো গারনাচো।