১১ দলীয় ঐক্যের ৮ দফা দাবি আদায়ে ঢাকা-রংপুর লংমার্চের সময় সিরাজগঞ্জে জামায়াতে ইসলামীর দুই নেতাকে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে। বিএনপি ও ছাত্রদলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে এই হামলার অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার সয়দাবাদ এলাকায় এই ঘটনা সংঘটিত হয়। আহতরা হলেন— সয়দাবাদ ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির সবুর শেখ ও দলীয় কর্মী নূরুন্নবী।
প্রাথমিকভাবে আহত দুজনকে সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে সবুর শেখের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
জামায়াত সূত্রে জানা যায়, লংমার্চের অংশ হিসেবে হাটিকুমরুল মোড়ে একটি পথসভা আয়োজন করেছিল জামায়াতে ইসলামী। টাঙ্গাইলের কর্মসূচি শেষ করে গাড়িবহর দুপুর সোয়া ১টার দিকে যমুনা সেতু পার হয়ে সয়দাবাদ এলাকায় পৌঁছায়। এ সময় সড়কের পাশে থাকা কিছু বিএনপি ও ছাত্রদল নেতাকর্মী ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দেন। এতে জামায়াত নেতাকর্মীদের সঙ্গে ছাত্রদলের এক নেতার কথাকাটাকাটি হয়। অভিযোগ উঠেছে, পরে ওই ছাত্রদল নেতা ফোনে অতিরিক্ত লোক ডেকে আনলে তারা এসে সবুর শেখ ও নূরুন্নবীকে ছুরিকাঘাত করে।
ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম বলেন, "১১ দলীয় ঐক্যের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে এ ধরনের হামলা অত্যন্ত দুঃখজনক।" তিনি অনতিবিলম্বে ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
অভিযোগের বিষয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সিরাজগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হাসান জানান, খবর পাওয়ার পরপরই হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।