আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পর ঘটে যাওয়া ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাকে তারা আমলে নিচ্ছেন না। বুধবার ট্রাইব্যুনালের নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

গতকাল ট্রাইব্যুনাল–২ ওবায়দুল কাদেরসহ আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার কিছুক্ষণ পর সুপ্রিম কোর্টের সড়কসংলগ্ন মূল ফটকের সামনে এবং রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় পরপর তিনটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

এ বিষয়ে এক সাংবাদিক চিফ প্রসিকিউটরকে প্রশ্ন করেন, গতকাল রায় ঘোষণার পর ককটেল ফাটানো হয়েছে। আজ ট্রাইব্যুনালে নিরাপত্তা বেশি দেখা গেছে। নিরাপত্তা বাড়ানোর কারণ কী? এর জবাবে চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেন, ট্রাইব্যুনালের ভেতরে–বাইরে পোশাকে ও পোশাক ছাড়া কঠোর নিরাপত্তা সব সময় থাকে। আজকে হয়তো দৃশ্যমান নিরাপত্তা দেখতে পেয়েছেন। কিন্তু এই ট্রাইব্যুনালের ভেতরে ও বাইরে কড়া নিরাপত্তা সব সময় থাকে, আগেও ছিল, এখনো আছে।

চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, ‘আর আপনি যেটা বলেছেন যে ককটেল বিস্ফোরণ, এগুলো আমরা আমলে নিচ্ছি না।’

এই মামলায় ওবায়দুল কাদের ছাড়াও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান এবং নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।