মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলায় একটি বসতঘরে লাগা আগুন নেভাতে ফায়ার সার্ভিসকে যোগাযোগ ব্যবস্থার অভাবে ভ্যানগাড়ি ব্যবহার করতে হয়েছে। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার তন্তর ইউনিয়নের রোজদী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি প্রবেশের মতো রাস্তা না থাকায় প্রায় এক কিলোমিটার দূরে গাড়ি থামিয়ে রাখতে হয়। এরপর স্থানীয়দের সহযোগিতায় পাম্পসহ অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জামগুলো ভ্যানগাড়িতে করে ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হয় এবং দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।

উপজেলার তন্তর ইউনিয়নের রোজদী গ্রামের সোহাগ আলী সরদারের কাঠ ও টিনের তৈরি বসতঘরে এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে। আগুনে ঘরের আসবাবপত্র, টেলিভিশন, ফ্রিজসহ বিভিন্ন মালামাল পুড়ে যায়। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক ধারণা, অসাবধানতাবশত গ্যাসের চুলায় রান্নার সময়ই আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে। তবে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত শেষে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে শ্রীনগর ও সিরাজদিখান ফায়ার স্টেশনের চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। তিনি বলেন, "ঘটনাস্থলের কাছে যাওয়ার উপযোগী রাস্তা না থাকায় প্রায় এক কিলোমিটার দূরে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি থামিয়ে দিতে হয়।" তিনি আরও জানান, ভ্যানগাড়িতে করে পাম্পসহ প্রয়োজনীয় অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জাম ঘটনাস্থলে নেওয়া হয়। স্থানীয়দের সহযোগিতায় ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন এবং দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

এই ঘটনাকে সামনে রেখে ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে রান্নার সময় সতর্কতা অবলম্বন, হাতের কাছে পানি রাখার পাশাপাশি রান্না শেষে গ্যাসের চুলা সম্পূর্ণ বন্ধ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বাড়িতে প্রয়োজনীয় অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জাম রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।