শিক্ষিত প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ নিয়োগসহ পাঁচ দফা দাবিতে মানববন্ধন করেছে প্রতিবন্ধী গ্র্যাজুয়েট পরিষদ। সংগঠনটি স্পষ্ট করে জানিয়েছে, ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দাবিগুলো নিয়ে সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত ও দৃশ্যমান অগ্রগতি না দেখা গেলে আগামী ৪ অক্টোবর থেকে তারা লাগাতার আন্দোলন শুরু করবে। এই সময়সীমা নির্ধারণ করে আজ বুধবার সকাল ১০টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে এক আলটিমেটাম জানানো হয়।
সংগঠনের পাঁচ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—শিক্ষিত প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ নিয়োগের ব্যবস্থা করা, নিয়মিত বিশেষ নিয়োগব্যবস্থা প্রণয়ন, অভিন্ন শ্রুতলেখক নীতিমালার প্রয়োজনীয় সংশোধন, সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীন ব্রেইল পদ্ধতিতে পরিচালিত শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা এবং সরকারি চাকরিতে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের আবেদনযোগ্য বয়সসীমা ন্যূনতম ৩৫ বছর নির্ধারণ।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া বক্তারা জানান, নানা বাধা ও কষ্টকর সংগ্রামের মাধ্যমে উচ্চশিক্ষা অর্জন করলেও কর্মসংস্থানে এখনো বৈষম্য ও বঞ্চনার শিকার হচ্ছেন শিক্ষিত প্রতিবন্ধীরা। দীর্ঘদিন ধরে চাকরির সুযোগ না পাওয়ায় অনেককেই পরিবার ও সমাজের ওপর নির্ভরশীল হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে।
সংগঠনের আহ্বায়ক মো. আলী হোসেন বলেন, ‘আমরা কোনো অনুগ্রহ চাইতে রাজপথে আসিনি; আমরা আমাদের সাংবিধানিক ও নাগরিক অধিকার হিসেবে কর্মসংস্থানের সুযোগ চাইতে এসেছি। দীর্ঘ আট বছর ধরে আমরা শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিকভাবে আন্দোলন করে যাচ্ছি।’
মানববন্ধন শেষে আন্দোলনকারীদের প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে দাবি আদায়ে স্মারকলিপি দেন।