জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার বড়তারা ইউনিয়নে পুকুরে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে দুই পক্ষের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন।

রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার নওটিকা পুকুরপাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে মুন্না, পলাশ, শহীদ, জিয়াউল ইসলাম, সুজাউল ইসলাম, সিহাব ও মোরাদ হোসেন, হাসান আলী, কামরুল ইসলাম, নূরুল আলম মণ্ডল, আবুল কাশেম ও তছলিম রয়েছেন। তাদের প্রথমে ক্ষেতলাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং জয়পুরহাট ৪০০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে চিকিৎসকের পরামর্শে গুরুতর অবস্থায় চারজনকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

মাছ চাষি হাসান আলী বলেন, "পুকুর থেকে মাছ ধরা হচ্ছিল। নওটিকা গ্রামের মুরাদ ও আ. আলিমের নেতৃত্বে তার কাছে চার লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে মাছ বহনকারী পিকআপে হামলা, চাকার ক্ষতি ও কাচ ভাঙচুর করা হয়। বাধা দিতে গেলে তার জামাইসহ সঙ্গে থাকা লোকজনের ওপরও হামলা চালানো হয়।"

অপর পক্ষের নেতা আ. আলিম বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, "পুকুরের মালিকের কাছ থেকে এক বছরের জন্য লিজ নিয়েছি। আমি পুকুরে মাছ ছেড়েছি। অপর পক্ষ ক্ষমতার জোর দেখিয়ে মাছ ছেড়েছে। ৬ সেপ্টেম্বর তারা রাতের বেলা মাছ ধরলে আমি থানায় অভিযোগ করি। থানা থেকে জানানো হয় উভয় পক্ষকে নিয়ে আলোচনায় বসবে। কিন্তু মঙ্গলবার রাত ১০ টার সময় তারা প্রায় শতাধিক লোক নিয়ে মাছ ধরতে আসলে গ্রামের ব্রীজ ভাংগা নিয়ে কথা কাটাকাটির জেরে মারামারির ঘটনা ঘটে।"

ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুক্তারুল আলম জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তিনি বলেন, "পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"