বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও এর সকল অঙ্গ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের কার্যক্রম নিষিদ্ধসংক্রান্ত সরকারি প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমদ ভূঞার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে বিষয়টি আজ সোমবার কার্যতালিকার ৬০ নম্বর ক্রমিকে উঠেছিল।
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নূর মুহাম্মদ আজমী মুক্তকণ্ঠকে বলেন, "রিটটি কার্যতালিকায় ৬০ নম্বর ক্রমিকে ছিল। তবে আজ ওই ক্রমিক পর্যন্ত পৌঁছায়নি। কার্যতালিকায় থাকা এর আগের বিভিন্ন মামলার শুনানির মধ্য দিয়ে আজ আদালতের কার্যক্রম শেষ হয়েছে।"
গত বছরের ১২ মে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ এই প্রজ্ঞাপন জারি করে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নেতা–কর্মীদের বিচারকার্য সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তাদের যাবতীয় কর্মকাণ্ড বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারকার্য সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তাদের যেকোনো ধরনের প্রকাশনা, গণমাধ্যম, অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেকোনো ধরনের প্রচারণা, মিছিল, সভা-সমাবেশ, সম্মেলন আয়োজনসহ যাবতীয় কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলো।
মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর নিবাসী মো. আল আমিন নামের এক ব্যক্তি ওই প্রজ্ঞাপনের বৈধতা নিয়ে রিটটি করেন। আবেদনপত্রে দেখা যায়, ২০২৫ সালের ১২ মের ওই প্রজ্ঞাপন জারি কেন আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা নিয়ে রুল জারি চাওয়া হয়েছে। রুল হলে তা বিচারাধীন অবস্থায় ১২ মের প্রজ্ঞাপনটির কার্যক্রম স্থগিত রাখারও অনুরোধ জানানো হয়েছে।