ফেনীর সদর উপজেলার শর্শদী ইউনিয়নে ইয়াবা মাদকসহ আটক হয়েছেন যুবদলের এক কর্মী। এ ঘটনায় ওই কর্মীকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) তাকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আদালতে সোপর্দ করা হয়।
এর আগে, শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে চোছনা গ্রামে অভিযান চালিয়ে ২১ প্যাকেট ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। আটককৃত ব্যক্তি হলেন রমজান আলী (৩৬)। তিনি দক্ষিণ চোছনা গ্রামের আবুল হাশেমের বাড়ির অলি আহমদের ছেলে। দলীয় সূত্র জানায়, তিনি শর্শদী ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সদস্য ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রের খবর, ৫ আগস্টের আগে রমজান আলী স্থানীয় একটি কারখানায় স্বল্প বেতনে কাজ করতেন। পরে চাকরি ছেড়ে তিনি মাদক ব্যবসায় জড়ানোর অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় লোকজনের দাবি, তার কাছে একটি টমটম ব্যবসা থাকলেও তা আড়াল করে তিনি মাদক কারবার পরিচালনা করতেন। এ নিয়ে এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ক্ষোভ প্রকাশ পেয়েছিল।
শনিবার রাতে শর্শদী ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ফেনী সদর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সরোয়ার আলম ভুঁইয়াসহ স্থানীয় কয়েকজন রমজান আলীর বাড়িতে যান। সেখানে তল্লাশির সময় তার কাছ থেকে ২১টি ইয়াবা পাওয়া যায় বলে দাবি করা হয়। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে ফেনী মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রেজাউল করিম তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যান।
রোববার দুপুরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় রমজান আলীকে আদালতে পাঠানো হলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এ বিষয়ে সরোয়ার আলম ভুঁইয়া বলেন, "রমজান আলী আমার কর্মী। সে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক কারবারের সঙ্গে যুক্ত। তার কারণে এলাকায় দলের বদনাম হচ্ছে। আমি উপস্থিত থেকে গতকাল তার ঘরে অভিযান চালিয়ে মাদক পেয়ে তাকে পুলিশে ধরিয়ে দিয়েছি। এ ছাড়া গত শুক্রবার জুমার নামাজের সময় মসজিদে ও এলাকাবাসীকে এ বিষয়ে সজাগ থাকার অনুরোধ জানিয়েছি।"
ফেনী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সজল কান্তি দাশ মুক্তকণ্ঠকে বলেন, "আটক যুবকের বিরুদ্ধে মামলা রেকর্ড করে রোববার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।"