যশোরের কেশবপুরে যশোর-সাতক্ষীরা সড়কে আজ শুক্রবার সকাল ছয়টার দিকে একটি বাস পথচারী নারীকে চাপা দেওয়ার পর এতিমখানার ভবনে ঢুকে পড়ে। এ দুর্ঘটনায় রোকেয়া বেগম (৪৫) নামের এক নারী ঘটনাস্থলেই মারা যান। আহত হন বাসচালকের সহকারী মানিক ফকির।
পরিবারের সদস্যদের তথ্য অনুযায়ী, ফজরের নামাজ শেষে সকালে হাঁটতে বের হওয়া রোকেয়া বেগম উপজেলার মধ্যকুল গ্রামের রেজাউল ইসলামের স্ত্রী। যশোরে যাচ্ছিল স্টার ডিলাক্স পরিবহনের যাত্রীবিহীন বাসটি। মধ্যকুল উত্তরপাড়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার সামনে এসে বাসটি সড়কের বাঁ পাশে থাকা রোকেয়া বেগমকে ধাক্কা দেয়। এরপর গাড়িটি সড়কের ডান পাশে সরে গিয়ে এতিমখানা ভবনের সামনের অংশ ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। দুর্ঘটনার পরপরই বাসচালক স্থান ত্যাগ করেন।
আহত মানিক ফকিরকে উদ্ধার করে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এতিমখানা ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের তথ্য মতে, দুর্ঘটনার সময় প্রতিষ্ঠানে ১০ থেকে ১২ জন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। তারা নিরাপদে আছেন।
মধ্যকুল উত্তরপাড়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার পরিচালক গোলাম মোস্তফা মুক্তকণ্ঠকে বলেন, "বাসটি তাঁদের মাদ্রাসা ও এতিমখানার সামনের অংশ ভেঙে ভেতরে ঢুকে যায়। এ ঘটনায় তাঁদের অনেক ক্ষতি হয়েছে। ঘটনার সময় মাদ্রাসায় ১০ থেকে ১২ জন শিক্ষার্থী ছিল। তবে তাদের কোনো ক্ষতি হয়নি।"
বিষয়টি নিশ্চিত করে কেশবপুর থানার উপপরিদর্শক মিনারা খাতুন জানান, এখন পর্যন্ত থানায় কোনো মামলা বা অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। তিনি বলেন, "এ ঘটনায় থানায় কোনো অভিযোগ করা হয়নি।"