তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বলেছেন, নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন দ্বিগুণ হবে—এ ধারণা সঠিক নয়। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারের কর্মকাণ্ড তুলে ধরতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি ব্যাখ্যা করেন, অনেক সরকারি কর্মচারীর বেতন দীর্ঘদিন ধরে সংশোধিত হয়নি, তবে নিয়মিত ইনক্রিমেন্টের কারণে তাদের বর্তমান বেতন প্রস্তাবিত নতুন স্কেলের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। তাই সবার বেতন ১০০ শতাংশ বাড়বে না। নতুন পে-স্কেল ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে—প্রথম ১০ গ্রেডে সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ এবং পরের ১০ গ্রেডে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পাবে। এতে গ্রেড-১ এবং গ্রেড-২০-এর মধ্যে বেতন বৈষম্য কমে আসবে।
মূল্যস্ফীতি প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরেই মূল্যস্ফীতি উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে, তবে তা সব সময় একই মাত্রায় থাকে না। তার মতে, বাংলাদেশের মতো দেশে ৫ থেকে ৬ শতাংশ মূল্যস্ফীতি স্বাভাবিক ও সহনীয়। সাম্প্রতিক সময়ে মূল্যস্ফীতি দুই অঙ্কে পৌঁছেছিল, তবে সরকারি তথ্য অনুযায়ী এখন তা কিছুটা কমেছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, একসঙ্গে বিপুল সংখ্যক মানুষের বেতন বাড়ালে বাজারে চাহিদা বেড়ে মূল্যস্ফীতির ওপর চাপ সৃষ্টি হতে পারে।
উল্লেখ্য, সোমবার (৩১ আগস্ট) মন্ত্রিসভার বৈঠকে নতুন বেতনকাঠামো অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে আগামী বছর পর্যন্ত মূল বেতন বৃদ্ধি তিন ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে নতুন কাঠামোর ভাতা কার্যকর হবে।