ফ্রিডম ২৫০ গ্রাঁ প্রিঁ অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের একটি ভিডিও অনলাইনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ভিডিওটিতে দেখা যায়, ট্রাম্পের পাশে বসার কিছুক্ষণ পরই মেলানিয়া সেখান থেকে হেঁটে চলে যান, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে।
গত রোববারের এই ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠান চলাকালে এই দম্পতি একটি ভিউয়িং বুথে বসে আছেন। ভিডিওতে ট্রাম্পকে মেলানিয়ার দিকে ঝুঁকে কিছু বলতে দেখা যায়। উঠে চলে যাওয়ার আগে মেলানিয়াকে বেশ গম্ভীর ও কিছুটা আনমনা দেখাচ্ছিল।
এই সংক্ষিপ্ত কথোপকথন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরা তাঁদের মধ্যে কী কথা হয়ে থাকতে পারে, তা অনুমান করার চেষ্টা করছেন। ভিডিওটির অডিও অস্পষ্ট হওয়ায় কিছু ব্যবহারকারী তাঁদের ঠোঁট নড়া দেখে কথা বোঝার চেষ্টা করেছেন। কয়েক সেকেন্ডের এই ফুটেজ এখন অনলাইনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, “এখানে এমন কেউ কি আছেন যিনি ঠোঁট নড়া দেখে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও মেলানিয়া ট্রাম্পের মধ্যে কী কথা হচ্ছে, তা আমাকে বলতে পারবেন?”
অনেকেই এই দম্পতির শারীরিক ভাষাকে রাগারাগির লক্ষণ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন। তবে এই ফুটেজ থেকে নিশ্চিত হওয়া যায়নি যে তাঁরা কী নিয়ে আলোচনা করছিলেন বা তাঁদের মধ্যে আদৌ কোনো ঝগড়া হয়েছিল কি না।
অনলাইনে এই জল্পনার সঙ্গে ট্রাম্পের সহযোগী নাটালি হার্পকে নিয়ে চলা গুঞ্জনকেও যুক্ত করা হয়েছে। প্রেসিডেন্টের কাছাকাছি থাকা এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ মহলে নিজের ভূমিকার কারণে সম্প্রতি নাটালি বেশ মনোযোগ আকর্ষণ করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কিছু ব্যবহারকারী ট্রাম্প দম্পতির এই টানাপোড়েনের গুঞ্জনের সঙ্গে নাটালিকে জড়ানোর চেষ্টা করেছেন। যদিও এসব দাবির পক্ষে কোনো সত্যতা এখনো পাওয়া যায়নি।
ট্রাম্পের কাছাকাছি থাকার কারণে নাটালি এর আগেও অনলাইনে আলোচনায় এসেছিলেন। এর মধ্যে ট্রাম্পকে পাঠানো তাঁর এক কথিত ব্যক্তিগত চিঠির বিষয়টিও বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, “মনে হচ্ছে ট্রাম্প ও মেলানিয়া আজ ফ্রিডম ২৫০ অনুষ্ঠানে কোনো কিছু নিয়ে ঝগড়া করছিলেন। আমার ধারণা, বিষয়টি নাটালি হার্পকে নিয়ে।”
আরেকজন বলেছেন, “বুথে নাটালি হার্পকে দেখামাত্রই মেলানিয়া সেখান থেকে চলে যান।”
স্বামীর পাশে মেলানিয়ার তুলনামূলক কম উপস্থিতি এবং তাঁর সতর্কতার সঙ্গে সাজানো সরকারি কর্মসূচি নিয়ে মানুষের আগে থেকেই আগ্রহ রয়েছে। আর সেই আগ্রহের মাঝেই এ ঘটনা সামনে এসেছে।