জামালপুর সদর উপজেলার নরুন্দি এলাকায় ঢাকায় পাঠানোর পথে প্রায় ৯৫০ কেজি ঘোড়ার মাংস জব্দ করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় পিকআপের চালক ও হেলপারসহ পাঁচজনকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করেন।

রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুরে জামালপুরের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইমন হোসেন এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। সাজাপ্রাপ্তরা হলেন জুয়েল, শহীদ মিয়া, আফজাল মিয়া, হুমায়ুন ও রাসেল মিয়া। তারা জামালপুর, টাঙ্গাইল, শরীয়তপুর ও ঢাকার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, আটক পাঁচজনের মধ্যে তিনজনকে ছয় মাস করে এবং পিকআপের চালক ও হেলপারকে দুই মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া তাদের মোট এক লাখ ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, রোববার ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নরুন্দি চকবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি পিকআপ আটক করা হয়। তল্লাশিতে ওই গাড়ির ১৮ বস্তায় রাখা প্রায় ৯৫০ কেজি ঘোড়ার মাংস উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী, সদর উপজেলার মিরাপুর ঘাট এলাকা থেকে মাংসগুলো ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে বিভিন্ন হোটেলে সরবরাহের উদ্দেশ্যে নেওয়া হচ্ছিল।

এ বিষয়ে স্থানীয় নরুন্দি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক মো. নাজমুল হক বলেন, "দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র এ ধরনের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিল। তাদের ধরতে বিভিন্ন সময়ে অভিযান চালানো হলেও তারা পালিয়ে যেত। সর্বশেষ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাংসের চালানসহ পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। মাংসের উৎস এবং এর সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্তে তদন্ত চলছে।"