পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের জন্য ছুটির ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। তবে জরুরি সেবা এবং বিশেষ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এই ছুটির আওতাভুক্ত হবেন না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের আকাশে পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে ১৫ আগস্ট থেকে এই মাস গণনা শুরু হয় এবং ২৬ আগস্ট ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত হবে।

ছুটি থেকে বহির্ভূত খাতগুলো হলো— স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা খাতের হাসপাতাল, চিকিৎসাসেবা এবং ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিবহনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মীরা। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, ফায়ার সার্ভিস, কারাগার ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের জরুরি কার্যক্রম সচল রাখতে সংশ্লিষ্টরা দায়িত্বে থাকবেন।

বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি, টেলিফোন ও ইন্টারনেট সেবার মতো পাবলিক ইউটিলিটি খাতের কর্মীদের দায়িত্ব পালন করতে হবে। পাশাপাশি বন্দর, বিমানবন্দর, রেলওয়ে, গণপরিবহন এবং জরুরি কাজে ব্যবহৃত যানবাহনের কর্মীরাও ছুটির বাইরে থাকবেন।

অন্যদিকে, সাধারণ ছুটির দিনে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম বন্ধ থাকবে কি না বা সীমিত সূচিতে চলবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে বাংলাদেশ ব্যাংক। আদালতের ছুটির বিষয়টি নির্ধারণ করবে সুপ্রিম কোর্ট।