দেশের বিভিন্ন প্রান্তের গ্রাহকেরা গ্রামীণফোনের নির্ভরযোগ্য ও শক্তিশালী ইন্টারনেটের মাধ্যমে কীভাবে তাদের ডিজিটাল জীবনকে আরও সমৃদ্ধ করছেন, তা তুলে ধরতে ‘১ বাংলাদেশ ১ ইন্টারনেট’ শীর্ষক নতুন এক প্রচারণা শুরু করেছে প্রতিষ্ঠানটি। দ্রুতগতির মানসম্পন্ন ইন্টারনেট কীভাবে মানুষকে শিক্ষা, সৃষ্টি, যোগাযোগ, আয় এবং নিজস্ব ভাবনা প্রকাশের মাধ্যমে একসূত্রে যুক্ত করছে, তা এই ক্যাম্পেইনের মূল লক্ষ্য। আজ বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে গ্রামীণফোন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, নেটওয়ার্কের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং মানোন্নয়নে গ্রামীণফোনের ধারাবাহিক বিনিয়োগের ওপর ভিত্তি করেই এই ক্যাম্পেইনটি সাজানো হয়েছে। এর উদ্দেশ্য হলো ইন্টারনেট ব্যবহারের অভিজ্ঞতার মাধ্যমে সারা দেশের মানুষকে ডিজিটাল বিশ্বের সুযোগ-সুবিধার সঙ্গে সংযুক্ত করা। এই প্রচারণায় তরুণ প্রজন্ম, কনটেন্ট নির্মাতা, উদ্যোক্তা এবং সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের জীবনের গল্প ফুটিয়ে তোলা হবে, যেখানে দেখা যাবে মানসম্পন্ন ইন্টারনেট সংযোগ কীভাবে সৃজনশীলতা, প্রবৃদ্ধি এবং ডিজিটাল মতপ্রকাশের পথ প্রশস্ত করছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গ্রামীণফোনের নেটওয়ার্কে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৩ লাখ ৫২ হাজার ঘণ্টা ভিডিও দেখা হয়। এই ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে প্রতিষ্ঠানটি ব্যবহার করছে ‘লোকাল এজ ক্যাশিং’ প্রযুক্তি, যার ফলে জনপ্রিয় কনটেন্টগুলো গ্রাহকদের কাছে আরও দ্রুত লোড হয়। এছাড়া দেশজুড়ে ২৪ হাজারেরও বেশি টাওয়ারের বিস্তৃত নেটওয়ার্ক ইন্টারনেট অভিজ্ঞতাকে আরও শক্তিশালী করছে।

গ্রামীণফোনের চিফ মার্কেটিং অফিসার (সিএমও) ফারহা নাজ জামান বলেন, “বাংলাদেশের কোটি মানুষের হাত ধরে এগিয়ে চলেছে ইন্টারনেটের নতুন গল্প। শিক্ষার্থী, কনটেন্ট নির্মাতা বা তরুণ উদ্যোক্তা—প্রত্যেকেই ডিজিটাল সংযোগের এই শক্তিকে ব্যবহার করছেন নিজেদের মতো করে, যা দেশের অগ্রগতিতে এক অনন্য ভূমিকা রাখছে। ‘১ বাংলাদেশ ১ ইন্টারনেট’ প্রচারণার মাধ্যমে আমরা স্পষ্ট করতে চাই, এ দেশের ডিজিটাল অগ্রযাত্রার গল্পটি সবার। আর এই গল্পে কেউ যেন পিছিয়ে না পড়ে, তা নিশ্চিত করতেই কাজ করে যাচ্ছে গ্রামীণফোন।”