নামের সাদৃশ্যের কারণে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দীনের ছবিসহ ভুল সংবাদ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। মূলত দুদকের করা একটি মামলায় অন্য এক ব্যক্তির সম্পত্তি জব্দের আদালতের আদেশের পর এই বিভ্রান্তি তৈরি হয়।

ঘটনাটি ঘটে গত বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট)। জানা গেছে, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে নোয়াখালীর সদর উপজেলার স্থায়ী বাসিন্দা এবং বর্তমানে ঢাকার বাসিন্দা মো. সাহাবুদ্দিনের (৪৫) সম্পত্তি জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ ও মহানগর দায়রা জজ আদালত। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত এই আদেশ প্রদান করেন।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, অভিযুক্ত মো. সাহাবুদ্দিন ঢাকার সিদ্ধিক বাজারের বাসিন্দা এবং তার বাবার নাম আব্দুর রব। তার স্থায়ী ঠিকানা নোয়াখালীর সদর উপজেলার মাতার বাড়ি গ্রাম।

দুদকের উপসহকারী পরিচালক কে এম আসাদুজ্জামানের স্বাক্ষরিত আবেদনে উল্লেখ করা হয়, সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে এক কোটি ৮৭ লাখ ৪৭ হাজার ৩০৭ টাকা সম্পদ জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণভাবে অর্জন ও দখলে রাখার তথ্য পাওয়া গেছে। এই অপরাধের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারায় মামলা দায়ের করে দুদক।

আবেদনে আরও বলা হয়, আসামি অবৈধভাবে অর্জিত স্থাবর সম্পদসমূহ বিনষ্ট বা হস্তান্তর করার চেষ্টা করতে পারে। ফলে মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রমাণের স্বার্থে তার সকল সম্পত্তি ক্রোক করা প্রয়োজন।

মামলার স্বার্থে স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদগুলো দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ এর ১৮ বিধি এবং দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারার বিধান মোতাবেক আদালতের মাধ্যমে ক্রোক ও ফ্রিজ করা একান্ত আবশ্যক বলে আবেদনে জানানো হয়।