মহেশখালীতে অবস্থিত এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের ক্ষতিগ্রস্ত দুটি বয়লারই এখন সচল। এর পাশাপাশি সামিটের টার্মিনাল থেকেও পুরোদমে এলএনজি সরবরাহ শুরু হয়েছে। বর্তমানে জাতীয় গ্রিডে মোট এলএনজি সরবরাহের পরিমাণ সাড়ে ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট ছাড়িয়েছে।

এর আগে, এলএনজির মজুত শেষ হওয়া এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে নতুন কার্গো টার্মিনালে যুক্ত হতে না পারায় গত বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেলে সামিটের সরবরাহ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। ফলে সে সময় দৈনিক গ্যাস সরবরাহের পরিমাণ ২০০ কোটি ঘনফুটের নিচে নেমে আসে।

পরবর্তীতে শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সন্ধ্যায় সামিটের টার্মিনাল থেকে পুনরায় এলএনজি সরবরাহ শুরু হয়। উল্লেখ্য, গত ২১ জুলাই এক অগ্নিদুর্ঘটনার পর মেরামত করে চালু করা এক্সিলারেট এনার্জির সচল বয়লারটিও সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।

অবশেষে সোমবার (১৭ আগস্ট) এক্সিলারেট এনার্জির দুটি বয়লারই সচল হয়েছে এবং বর্তমানে সীমিত আকারে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। আগামীকাল মঙ্গলবার একটি এলএনজিবাহী কার্গো মহেশখালীতে ভিড়তে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। সেই অনুযায়ী, বুধবার (১৯ আগস্ট) থেকে গ্যাসের সরবরাহ আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।