বাংলাদেশের ওপর আগ্রাসী মনোভাব প্রদর্শনের লক্ষ্যেই শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিয়েছে ভারত। তার মাধ্যমে ভারত নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতে চায় বলে দাবি করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) কাছে রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, "ভারত শেখ হাসিনাকে আত্মীয় মনে করে। কারণ, তিনি ভারতের স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এদেশের সার্বভৌমত্বকে বিক্রি করেছেন।"
সাবেক প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যাবর্তন প্রসঙ্গে তিনি জানান, শেখ হাসিনাকে বিচারের মুখোমুখি করতেই বিএনপি তার ফিরে আসা চায়। রিজভী বলেন, "বিগত সময়ে যারা গুম-খুনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন, জনগণ তাদের বিচার চায়।"
ক্ষমতার দম্ভ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বিএনপির এই সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, "শেখ হাসিনা ফেরাউন ও নমরুদের ইতিহাস পড়েননি। ক্ষমতার প্রভাবে নিজেকে অপ্রতিরোধ্য মনে করেছিলেন। আল্লাহ ও জনগণের শক্তিকে ভয় করেননি। শেষ পর্যন্ত সব শক্তির কাছে পরাজিত হয়ে তাকে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে হয়েছে।"
শেখ হাসিনার ফিরে আসার ইচ্ছা ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে সমালোচনা করে তিনি বলেন, "আমরা শেখ হাসিনার বিচার বাস্তবায়ন দেখতে চাই। যিনি এত মানুষ হত্যা করেছেন, তিনি আবার প্রেস কনফারেন্স করে বলছেন ডিসেম্বরে ফিরে আসবেন। রাজনীতি করবেন এটা যেন মামার বাড়ির আবদার।"
পরিশেষে রিজভী উল্লেখ করেন, দেশে প্রকৃত আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে গুম, খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের অবশ্যই জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।