কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে ১০৫ পিস ইয়াবাসহ মো. শহিদুল ইসলাম (৪০) ওরফে ‘ট্যাবলেট শহিদুল’কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (১২ আগস্ট) রাত সাড়ে ১২টা থেকে ১টার মধ্যে উপজেলার বাগভান্ডার সোনাতলী এলাকায় এক বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত শহিদুল ওই এলাকার মো. মফিজ উদ্দিনের ছেলে।
অভিযানটি পরিচালিত হয় ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুনের নেতৃত্বে। তার সাথে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আল-আমিন ও সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবু সাইদের সমন্বয়ে গঠিত একটি দল ছদ্মবেশে এই অভিযান চালায়। তল্লাশির সময় শহিদুলের কাছ থেকে ১০৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং মাদক বিক্রির ১০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ আরও জানায়, শহিদুল দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা, ফেনসিডিল ও গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত। ভূরুঙ্গামারী সদর ইউনিয়নের উঠতি বয়সী কিশোরদের মাদকাসক্ত করে তোলার পাশাপাশি দিনাজপুর ও রংপুরের বিভিন্ন উপজেলায় মাদক সরবরাহের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
এর আগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর তাকে গ্রেপ্তারে একাধিকবার চেষ্টা করলেও বিভিন্ন কৌশলে তিনি বারবার গ্রেপ্তার এড়িয়ে যান। তবে এবার পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে তাকে মাদকসহ ধরা সম্ভব হয়েছে।
এই বিষয়ে ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন বলেন, "চতুর্থবারের চেষ্টায় মাদকসহ শহিদুলকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি। তার সঙ্গে ভারতীয় মাদক কারবারিদের সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে।"