বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের জন্য সরকারের কঠোর নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে দেখা গেল ভিন্ন চিত্র। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনুপস্থিতিতেও দীর্ঘ সময় ধরে কক্ষের এসি ও ফ্যান চালু রাখার ঘটনা সামনে এসেছে, যা বিদ্যুতের অপচয়ের পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীলতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
গত বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের ভাণ্ডার শাখায় পরিদর্শনে দেখা যায়, উপসচিব দুরুল হোদার কক্ষটি সম্পূর্ণ ফাঁকা। তবে কক্ষে কেউ না থাকা সত্ত্বেও সেখানে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) এবং ফ্যান চালু ছিল। স্থানীয় বাসিন্দা ও সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ, এই বোর্ডে প্রায়ই কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনুপস্থিতিতে এসি, ফ্যান ও লাইট চালু রাখা হয়।
বিদ্যুৎ অপচয়ের এই অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে উপসচিব দুরুল হোদা মুক্তকণ্ঠকে বলেন, "আমার বিষয়ে কোনো অভিযোগ থাকলে সচিবকে জানান। আমি এ বিষয়ে কোনো কথা বলতে চাই না।"
এদিকে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. শামীম আরা চৌধুরী। তিনি মুক্তকণ্ঠকে জানান, "এর আগেও আমার কাছে এ ধরনের অভিযোগ এসেছে। বেশ কয়েকবার তাদের সতর্ক করে নোটিশও দেওয়া হয়েছে। তারপরেও তারা যদি বিদ্যুৎ এভাবে অপচয় করে থাকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এটি হালকাভাবে দেখার কোনো সুযোগ নেই।"