নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার নাউতরা নদীর ওপর নটাবাড়ি সাঁকো পরিদর্শনে গিয়েছিলেন সংসদ সদস্য আব্দুস সাত্তার। তাঁর সঙ্গে ছিলেন জামায়াতের নেতা-কর্মীরা। সাঁকো পরিদর্শনের সময় সেটি ভেঙে তাঁরা নদীতে পড়ে যান। তবে সংসদ সদস্য কিছুটা সামনে থাকায় তিনি রক্ষা পান।

আজ বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এতে কেউ গুরুতর আহত হননি বলে জানিয়েছেন ডিমলা উপজেলা জমায়াতের সেক্রেটারি মো. রোকনুজ্জামান।

ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, সংসদ সদস্য আব্দুস সাত্তারের নেতৃত্বে স্থানীয় কয়েকজন সাঁকোতে উঠে সামনের দিকে এগোতে থাকেন। কেউ একজন বলেন, ‘যাওয়া যাবে, সমস্যা হবে না।’ আব্দুস সাত্তার সামনে ছিলেন। তাঁর পেছনে সাঁকোটি ভেঙে পড়তে থাকে। তখন কয়েকজন নিচে পড়ে যান।

জামায়াতের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ডিমলা উপজেলা সদরের সঙ্গে নাউতরার যোগাযোগের জন্য নাউতরা নদীর ওপর নটাবাড়ি বাঁশের সাঁকোর স্থানে একটি সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এই প্রেক্ষাপটে নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সাত্তার জামায়াতের স্থানীয় নেতাদের নিয়ে ওই সাঁকো পরিদর্শনে যান। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাঁরা সাঁকোর ওপর উঠলে সেটি ভেঙে পড়ে।

উপজেলা জামায়াতের আমির মজিবুর রহমান, নায়েবে আমির কাজী হাবিবুর রহমান, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. রোকনুজ্জাান, সংসদ সদস্যের দেহরক্ষী আব্দুল মান্নান, ইউনিয়ন জামায়াতের আমির নূর মোবাশ্বেরসহ ৮–১০ জন সাঁকো থেকে নিচে পড়ে যান।

এ বিষয়ে জানতে সংসদ সদস্য আব্দুস সাত্তারের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

ডিমলা উপজেলা জমায়াতের সেক্রেটারি মো. রোকনুজ্জামান মুক্তকণ্ঠকে বলেন, ‘স্থানীয় লোকজনের আমন্ত্রণে স্থানীয় সংসদ সদস্য আব্দুস সাত্তারের নেতৃত্বে আমরা সেখানে যাই। সাঁকোটি পরিদর্শনের সময় হঠাৎ করে সেটি ভেঙে পড়ে। আমরা এবং স্থানীয় কিছু লোকজন ওই সাঁকো থেকে পড়ে যাই। তবে সংসদ সদস্য রক্ষা পান।’ ওই ঘটনায় কেউ গুরুতর আহত হননি বলে জানান তিনি।