বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী মনে করেন, গণতন্ত্রে বিভিন্ন ইস্যু থাকা স্বাভাবিক এবং ইস্যু না থাকলে তাকে গণতন্ত্র বলা যায় না। তাঁর মতে, এমন কোনো সমস্যা নেই যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, "ইস্যু থাকবে, সেটার সমাধানও হবে।" তবে দুই দেশের সাধারণ মানুষের মূল চাওয়া হলো পারস্পরিক সুসম্পর্ক।

সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে এক বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সামনে এসব কথা জানান তিনি। এক প্রশ্নের জবাবে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, "দুই দেশেই শক্তিশালী গণতন্ত্র রয়েছে। দুই দেশের সাধারণ মানুষ চায় ভালো সম্পর্ক।"

তিনি আরও উল্লেখ করেন, দুই দেশের শীর্ষ নেতা একসঙ্গে বসলে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করা সম্ভব হবে এবং আগামী দিনে ইতিবাচক কিছু ঘটবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। হাইকমিশনার জানান, দুই দেশের জনগণের প্রত্যাশা হলো একটি সুন্দর সম্পর্ক, যার ফলে উভয় পক্ষই সমানভাবে লাভবান হবে। তিনি ইতিবাচকভাবে সামনে এগোতে চান বলে জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সুনির্দিষ্ট কোনো বিষয়ে আলোচনা হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, "স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার সময় তাঁর মনে হয়নি এটিই প্রথম দেখা। বাড়িতেও ইস্যু থাকে। কোনো ইস্যু নেই যে যেটা সমাধান হবে না।"

হাইকমিশনার আরও জানান, তিনি এই দেশে গত দুই মাস আগে এসেছেন এবং এখানে তিনি প্রচুর আদর, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা পেয়েছেন।

এদিকে আজ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেছেন দীনেশ ত্রিবেদী। বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাতের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী ভারতীয় হাইকমিশনারকে স্বাগত জানান। গত দুই মাসে ঢাকায় দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন দীনেশ ত্রিবেদী। বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়। বাংলাদেশ আশা করে, ভারত শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করবে।