চলতি বছর এসএসসি পরীক্ষায় দেশের নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার সর্বোচ্চ। ঢাকা বোর্ডের পাসের হার ৭১ দশমিক ৬৩ শতাংশ। অন্যদিকে, পাসের হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বোর্ডে, যেখানে ৫৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। এ বছর জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫ হাজার ৭০০ জন শিক্ষার্থী।

সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের উদ্বোধন করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। শিক্ষার্থীরা তাদের ফলাফল সব শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে দেখতে পারবেন।

যশোর বোর্ড ৬৬ দশমিক ২৭ শতাংশ পাসের হারে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। কুমিল্লা বোর্ডের পাসের হার ৬৫ দশমিক ৪২ শতাংশ এবং রাজশাহী বোর্ডের পাসের হার ৬৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ। বরিশালে পাসের হার ৬০ দশমিক ৩৫ শতাংশ, চট্টগ্রামে ৫৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ, সিলেটে ৫৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ এবং দিনাজপুরে ৫৮ দশমিক ০৫ শতাংশ।

এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। মোট ১ লাখ ১৬ হাজার ৮৭৬ শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে (এসএসসি) পাসের হার ৬৪ দশমিক ০৫ শতাংশ, মাদ্রাসা বোর্ডে (দাখিল) ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে (ভোকেশনাল) পাসের হার ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশ।

এ বছর মোট ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৪৭ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। গত বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ এবং এক লাখ ৩৯ হাজার ৩২ শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছিল।

ফলাফল দেখার জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে https://eduboardresults.gov.bd ও https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফল সংগ্রহ করতে হবে। পরীক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেও ফলাফল সংগ্রহ করতে পারবে। এছাড়া, যে কোনো মোবাইল নম্বর থেকে ১৬১৪০ অথবা ১৬২২২ নম্বরে এমএমএস পাঠিয়ে ফলাফল জানা যাবে।

এসএমএস-এর মাধ্যমে ফলাফল জানতে হলে এসএসসি <স্পেস> বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর <স্পেস> রোল নম্বর <স্পেস> পরীক্ষার বছর লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে। উদাহরণ: এসএসসি ঢা ১২৩৪৫৬ ২০২৬ লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে।

ফলাফলে অসন্তুষ্ট পরীক্ষার্থীরা আগামী ১১ আগস্ট থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনের মাধ্যমে খাতা পুনর্নিরীক্ষণের (চ্যালেঞ্জ) আবেদন করতে পারবেন। এ সংক্রান্ত নির্দেশিকা শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে পাওয়া যাবে।