আগামী শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি আগের পদ্ধতিতেই সম্পন্ন হবে বলে ঘোষণা করেছেন শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। অর্থাৎ এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রাপ্ত নম্বর বা জিপিএ-র ভিত্তিতেই শিক্ষার্থীদের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য নির্বাচন করা হবে।
সোমবার (১০ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে শিক্ষামন্ত্রী এই তথ্য জানান। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, "পুরোনো পদ্ধতিতে, অর্থাৎ মার্ক বা জিপিএর ভিত্তিতেই একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হবে।"
এর আগে ওইদিন সকাল ১০টায় ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডগুলোর চেয়ারম্যানরা নিজ নিজ বোর্ডের ফলাফল হস্তান্তর করেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. সৈয়দ আক্তারুজ্জামান ফলাফলের সার্বিক চিত্র তুলে ধরেন। তিনি জানান, এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ।
উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের একাদশ শ্রেণির ভর্তি নীতিমালা নিয়ে গত জুলাই মাসে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে বেশ কিছু আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। বিশেষ করে ৭ জুলাই একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা-২০২৬ চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে একটি সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল, যেখানে শিক্ষামন্ত্রীসহ শিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ড এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণের কথা ছিল।
ভর্তি প্রক্রিয়ায় নতুন কোনো পদ্ধতি চালু হবে কি না, তা নিয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও কৌতূহল ছিল। শিক্ষামন্ত্রীর আজকের বক্তব্যের মাধ্যমে সেই বিষয়টি স্পষ্ট হলো। তবে ভর্তি আবেদনের সময়সূচি, আবেদন ফি, কলেজ ও বিষয় পছন্দের নিয়ম, আসনসংখ্যা, ন্যূনতম যোগ্যতা এবং ভর্তি নিশ্চিত করার সময়সীমার মতো বিস্তারিত তথ্য পরবর্তীতে পৃথক ভর্তি বিজ্ঞপ্তি বা নীতিমালার মাধ্যমে জানানো হবে।