উইপ্রো জিই হেলথকেয়ার ‘হেলথ এক্সপ্রেস’ নামে নতুন একটি স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচি চালু করেছে। কর্মসূচিটির লক্ষ্য—যেসব শহরে উন্নত স্বাস্থ্যসেবা অবকাঠামো ও প্রযুক্তির ঘাটতি রয়েছে, সেখানে আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা প্রযুক্তির সুবিধা পৌঁছে দেওয়া এবং জনসচেতনতা বাড়ানো। কর্মসূচির মাধ্যমে চিকিৎসাসেবা মানুষের হাতের নাগালে আনার পাশাপাশি সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে রোগীর সেবার মান উন্নত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
‘হেলথ এক্সপ্রেস’ কর্মসূচির আওতায় কার্যকর যন্ত্রপাতির সরাসরি প্রদর্শনী ও হাতে–কলমে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এর ফলে চিকিৎসকেরা উন্নত আলট্রাসাউন্ড প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত হতে পারবেন। একই সঙ্গে ক্লিনিক বা হাসপাতালের কার্যক্রমকে আরও সহজ ও গতিশীল করতে সহায়তা করবে বলে কর্মসূচির উদ্যোক্তারা বলছেন।
বগুড়া থেকে যাত্রা শুরু করা এই কর্মসূচি আগামী তিন মাসে দেশের ২০টির বেশি জেলায় পৌঁছাবে। প্রচারণার অংশ হিসেবে উইপ্রো জিই হেলথকেয়ার সর্বাধুনিক আলট্রাসাউন্ড প্রযুক্তি প্রদর্শনের পাশাপাশি প্রোডাক্ট ডেমো ও শিক্ষামূলক অধিবেশনের আয়োজন করবে। চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের একত্র করে স্বাস্থ্যসেবা খাতের মূল চ্যালেঞ্জ এবং সম্ভাব্য সমাধান নিয়েও আলোচনা করার সুযোগ থাকবে।
উইপ্রো জিই হেলথকেয়ারের আলট্রাসাউন্ড বিভাগের বিজনেস হেড অনুপ কুমার রামচন্দ্রন বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা কোনো বিশেষ সুবিধা নয়, এটি একটি অধিকার। হেলথ এক্সপ্রেস কর্মসূচির মাধ্যমে আমাদের বিশেষজ্ঞরা সরাসরি মাঠপর্যায়ের চিকিৎসকদের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পারবেন, যার মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত এলাকাগুলোয় উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। আধুনিক আলট্রাসাউন্ড প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রাথমিক ধাপে রোগনির্ণয়ের সুবিধা তুলে ধরে আমরা চিকিৎসকদের সক্ষমতা বাড়াতে চাই। একই সঙ্গে আমাদের লক্ষ্য স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা সবার জন্য সহজলভ্য করা। রোগীর সর্বোত্তম সেবা নিশ্চিত করতে আমরা চিকিৎসক ও সাধারণ মানুষকে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি ও সঠিক জ্ঞান দিয়ে সাহায্য করছি। এর মাধ্যমে সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা বাস্তবায়নে আমাদের যে লক্ষ্য, তা আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে।’
উইপ্রো জিই হেলথকেয়ার বলছে, এই উদ্যোগ স্বাস্থ্যপ্রযুক্তির আধুনিকীকরণ এবং শিক্ষা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে চিকিৎসাসেবা জোরদার করার ধারাবাহিক প্রচেষ্টারই অংশ। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের চিকিৎসকদের সরাসরি সম্পৃক্ততার মাধ্যমে আধুনিক ডায়াগনস্টিক প্রযুক্তির প্রসার ঘটানো এবং বৈষম্যহীন ও সমতাভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা খাত গড়তে ভূমিকা রাখবে বলে জানানো হয়েছে।