ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসার অনার্স প্রথম ও তৃতীয় বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষায় ১১ জন শিক্ষার্থী অংশ নিতে পারেননি বলে অভিযোগ উঠেছে। এই পরিস্থিতির জন্য ছাত্রদলকে দায়ী করেছে ইসলামী ছাত্রশিবির।
ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক এস এম ফরহাদ দাবি করেছেন, পূর্বনির্ধারিত এই পরীক্ষায় অংশ নিতে শিক্ষার্থীরা কেন্দ্রে প্রবেশের চেষ্টা করলেও পুলিশি বাধার মুখে পড়েন। ফলে তারা পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাননি।
শনিবার (৮ আগস্ট) এক বিবৃতিতে এস এম ফরহাদ বলেন, "পরীক্ষার দিন সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের প্রায় পুরো সময় বাইরে আটকে রাখা হয়। পরীক্ষার বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলেও তারা কোনো সহযোগিতা করেনি।"
শিবিরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারা শিক্ষার্থীরা হলেন— মাহবুব, সাইমুম, মুজাহিদ, রাহাদুল, মাহমুদুল হাসান, মঈন উদ্দিন, সিফাতুল্লাহ, তারিকুল ইসলাম, রিজওয়ান, মুবাসির ও আরিফুল। এস এম ফরহাদের দাবি, পরীক্ষা শুরু হওয়ার পরও শিক্ষার্থীরা প্রায় এক ঘণ্টা বাইরে অপেক্ষা করলেও শেষ পর্যন্ত ভেতরে প্রবেশ করতে পারেননি।
শিবির নেতার অভিযোগ, সম্প্রতি ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষের ওপর হামলার ঘটনার পর শিক্ষকরা আতঙ্কিত ছিলেন। এই আতঙ্কের কারণেই বাইরে অপেক্ষমাণ শিক্ষার্থীদের বিষয়ে তারা কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেননি বলে তিনি মনে করেন।
এস এম ফরহাদ আরও অভিযোগ করেন, ঢাকা আলিয়ার আবাসিক হলগুলোতে ভাঙচুর, চুরি এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে। এসব ঘটনার জন্য তিনি ছাত্রদলকে দায়ী করে বলেন, ভিন্ন রাজনৈতিক মতের কারণে ১১ জন শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন থেকে একটি বছর নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, "দেশের কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আবাসিক হলে অছাত্রদের থাকার সুযোগ থাকা উচিত নয়।"
হলগুলো নিয়মিত শিক্ষার্থীদের জন্য নিশ্চিত করতে তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলে জানান ওই ছাত্রশিবির নেতা।