জয়টা শেষ পর্যন্ত এসেছে বড় ব্যবধানেই। কিন্তু তাতেও ব্যাটিংয়ের অতৃপ্তিটা পুরোপুরি কাটার কথা নয়। কারণ, মালয়েশিয়া জাতীয় দলের বিপক্ষে ২০ ওভার খেলে বাংলাদেশ হাই পারফরম্যান্স দল করেছে ১৫৮ রান।

বেশির ভাগ ব্যাটসম্যানই বাজে শটে উইকেট বিলিয়ে দিয়ে এসেছেন। পরে বোলারদের নৈপুণ্যে মালয়েশিয়াকে ৬৯ রানে অলআউট করে দিয়েছে এইচপি; ম্যাচ জিতেছে ৮৯ রানে।

মিরপুরে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশের শুরুটা একদমই ভালো হয়নি। ওপেনার জিসান আলম ৭ বল খেলেও কোনো রান করতে পারেননি। টানা ডট খেলার চাপ থেকে আরিফ উল্লাহর অফ স্টাম্পের অনেক বাইরের বলে তুলে মারতে গিয়ে ৩০ গজ বৃত্তের মধ্যেই ক্যাচ তুলে দিয়েছেন জিসান।

.

ওপেনিংয়ে তাঁর সঙ্গী জাওয়াদ আবরার যদিও বেশ মারমুখী ছিলেন। দৃষ্টিনন্দন এক ছক্কার সঙ্গে ৩ চারে ১৮ বলে তিনি ২৮ রানে থেমেছেন। পরের তিন ব্যাটসম্যান আরিফুল ইসলাম (১২ বলে ১৫), সাব্বির রহমান (১২ বলে ১৪) ও প্রিতম কুমার (৭ বলে ৪) ইনিংস বড় করতে পারেননি।

বাংলাদেশ তাদের সবচেয়ে বড় জুটি পায় ষষ্ঠ উইকেটে। মেহরব হাসান ও আবদুল গাফফারের এই জুটিতে আসে ৫৩ রান। বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে তাঁরা দুজনই ৩০ পেরোতে পেরেছেন। ২২ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় মেহরব ৪০ ও আবদুল গাফফার ২৬ বলে করেন ৩২ রান।

.অস্ট্রেলিয়ায় ৫৪ রানে অলআউট বাংলাদেশ, ইনিংস ব্যবধানে হার.

কিন্তু তাঁরা ফিরতেই ৩২ রানে শেষ ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলে বাংলাদেশ। তবে ১৫৮ রানের ওই সংগ্রহই যথেষ্ট হয়েছে জয়ের জন্য। বাংলাদেশের বোলারদের বিপক্ষে তেমন লড়াইও করতে পারেননি মালয়েশিয়ার ব্যাটসম্যানরা।

দলের পক্ষে ২৫ বলে সর্বোচ্চ ২৯ রান করেন আহমেদ আকিল ওয়াহেদ। এ ছাড়া দুজন ব্যাটসম্যান দুই অঙ্কের ঘরে নিতে পেরেছেন। ২২ বলে মোহাম্মদ আমির ১৫ আর বিজয় উন্নি ১৫ বল খেলে ১৪ রান করেন। তাতে ১৬ ওভারেই ৬৯ রানে অলআউট হয়ে যায় মালয়েশিয়া।

বাংলাদেশের পক্ষে দুই উইকেট করে পান মোহাম্মদ রুবেল ও রাকবুল হাসান। এক উইকেট করে নিয়েছেন আবু হায়দার, আবদুল গাফফার, মেহরব ও মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী।

.৫৪ রানে অলআউট বাংলাদেশ, ব্যাটসম্যানদের আউট হওয়ার ধরন নিয়ে হতাশ সিমন্স